Logo
Logo
×

Advertisement

বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি

ভুল ওয়াই-ফাই ব্যান্ডে কমতে পারে ইন্টারনেটের গতি, সমাধান কী?

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৯ পিএম

ভুল ওয়াই-ফাই ব্যান্ডে কমতে পারে ইন্টারনেটের গতি, সমাধান কী?

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ থাকার পরও অনেক সময় স্মার্টফোন বা ল্যাপটপে কাঙ্ক্ষিত গতি পাওয়া যায় না। ভিডিও দেখতে গিয়ে বারবার থেমে যাওয়া কিংবা ফাইল নামাতে বেশি সময় লাগার পেছনে রাউটারের ভুল ওয়াই-ফাই ব্যান্ড ব্যবহারের ভূমিকা থাকতে পারে। এমনকি ওয়াই-ফাই সংকেত শক্তিশালী দেখালেও ইন্টারনেটের গতি কম হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সমস্যার অন্যতম কারণ রাউটারের ‘ব্যান্ড স্টিয়ারিং’ সুবিধা। অধিকাংশ আধুনিক রাউটারে ২.৪ ও ৫ গিগাহার্টজ ব্যান্ড রয়েছে। নতুন কিছু মডেলে ৬ গিগাহার্টজ ব্যান্ডও পাওয়া যায়। ব্যান্ড স্টিয়ারিং একই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের আওতায় ডিভাইসকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উপযুক্ত ব্যান্ডে যুক্ত করার চেষ্টা করে। তবে সব সময় এটি সঠিকভাবে কাজ করে না। ফলে ৫ গিগাহার্টজ ব্যান্ডে সংযোগের সুযোগ থাকলেও কোনো ডিভাইস তুলনামূলক ধীরগতির ২.৪ গিগাহার্টজ ব্যান্ডে যুক্ত থাকতে পারে।

কোন ব্যান্ডে কী সুবিধা?

২.৪ গিগাহার্টজ ব্যান্ডের সংকেত দেয়াল ও অন্যান্য বাধা পেরিয়ে তুলনামূলক দূরে পৌঁছাতে পারে। তবে এ ব্যান্ডে গতি কম হতে পারে এবং আশপাশের বিভিন্ন ডিভাইস ও নেটওয়ার্কের কারণে সংকেতে বিঘ্ন ঘটতে পারে।

অন্যদিকে, ৫ গিগাহার্টজ ব্যান্ড সাধারণত বেশি গতির সংযোগ দেয়। ৬ গিগাহার্টজ ব্যান্ডও উপযুক্ত যন্ত্র ও পরিবেশে উচ্চগতির সংযোগ দিতে পারে। তবে এসব ব্যান্ডের সংকেত তুলনামূলক কম দূরত্বে কার্যকর হতে পারে এবং দেয়াল ভেদ করার সক্ষমতাও কম।


ইন্টারনেটের গতি বাড়াবেন যেভাবে

রাউটারের অ্যাডমিন পেজে গিয়ে ‘ব্যান্ড স্টিয়ারিং’, ‘অটো-ব্যান্ড সিলেকশন’ বা ‘স্মার্ট কানেক্ট’ সুবিধা বন্ধ করে ২.৪ ও ৫ গিগাহার্টজ ব্যান্ডের জন্য আলাদা ওয়াই-ফাই নাম তৈরি করা যেতে পারে। এতে ব্যবহারকারী প্রয়োজন অনুযায়ী ডিভাইসকে নির্দিষ্ট ব্যান্ডে যুক্ত করতে পারবেন।

যেমন, কাছাকাছি বসে স্মার্টফোন বা ল্যাপটপে দ্রুতগতির ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ৫ গিগাহার্টজ ব্যান্ড বেছে নেওয়া যেতে পারে। আর দূরের কক্ষের স্মার্ট হোম ডিভাইসের জন্য ২.৪ গিগাহার্টজ ব্যান্ড কার্যকর হতে পারে।

এ ছাড়া আশপাশের ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের সঙ্গে একই চ্যানেল ব্যবহারের কারণে সংকেতে বাধা তৈরি হতে পারে। এ সমস্যা কমাতে ওয়াই-ফাই বিশ্লেষক অ্যাপের সাহায্যে তুলনামূলক কম ব্যস্ত চ্যানেল নির্বাচন করা যায়। ২.৪ গিগাহার্টজ ব্যান্ডে সাধারণত ১, ৬ ও ১১ নম্বর চ্যানেল ব্যবহার করা হয়।

আধুনিক কিছু রাউটার ও ডিভাইসে ‘মাল্টি-লিংক অপারেশন’ প্রযুক্তি রয়েছে। এর মাধ্যমে সমর্থিত একাধিক ব্যান্ড ব্যবহার করে সংযোগের কার্যকারিতা বাড়ানো সম্ভব। তবে এ সুবিধা পেতে রাউটার ও সংযুক্ত ডিভাইস— উভয়টিতেই প্রযুক্তিটির সমর্থন থাকতে হবে।

তবে ইন্টারনেটের গতি কমলেই যে ব্যান্ডের সমস্যা হয়েছে, তা নয়। রাউটারের অবস্থান, দেয়াল, আশপাশের নেটওয়ার্ক, সংযোগের মান এবং ইন্টারনেট সেবাদাতার সমস্যাও এর কারণ হতে পারে। তাই ব্যান্ড পরিবর্তনের পাশাপাশি এসব বিষয়ও পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

২০২৬ সালের বর্ষসেরা শব্দ ‘ম্যাক্সিং’, কীভাবে উৎপত্তি?

২০২৬ সালের বর্ষসেরা শব্দ ‘ম্যাক্সিং’, কীভাবে উৎপত্তি?

মোবাইলে ৪জি ইন্টারনেট ধীর? গতি বাড়াতে মেনে চলুন ৫টি কৌশল

মোবাইলে ৪জি ইন্টারনেট ধীর? গতি বাড়াতে মেনে চলুন ৫টি কৌশল

সমুদ্রের নিচের ক্যাবল কেটে ফেললে কি অচল হয়ে পড়বে পুরো বিশ্বের ইন্টারনেট?

সমুদ্রের নিচের ক্যাবল কেটে ফেললে কি অচল হয়ে পড়বে পুরো বিশ্বের ইন্টারনেট?

বিভিন্ন দেশে ইন্টারনেট ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা, সতর্ক করল কাতার

বিভিন্ন দেশে ইন্টারনেট ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা, সতর্ক করল কাতার

পর্দা নামল ২১তম বিআইজিএফ সম্মেলনের

এআই যুগে ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স পর্দা নামল ২১তম বিআইজিএফ সম্মেলনের

দেশে মোবাইল ব্যবহারকারী ছাড়িয়েছে ১৯ কোটি

দেশে মোবাইল ব্যবহারকারী ছাড়িয়েছে ১৯ কোটি

আরও পড়ুন

ভুল ওয়াই-ফাই ব্যান্ডে কমতে পারে ইন্টারনেটের গতি, সমাধান কী?

ভুল ওয়াই-ফাই ব্যান্ডে কমতে পারে ইন্টারনেটের গতি, সমাধান কী?

চাকরি হারাতে যাচ্ছে মাইক্রোসফটের এক-চতুর্থাংশেরও বেশি কর্মী

চাকরি হারাতে যাচ্ছে মাইক্রোসফটের এক-চতুর্থাংশেরও বেশি কর্মী

হোয়াটসঅ্যাপে ডিলিট হওয়া মেসেজ সহজেই ফিরিয়ে আনবেন যেভাবে

হোয়াটসঅ্যাপে ডিলিট হওয়া মেসেজ সহজেই ফিরিয়ে আনবেন যেভাবে

ডার্ক ম্যাটারের উৎস কি ব্ল্যাক হোল? গবেষণায় মিলল নতুন ইঙ্গিত

ডার্ক ম্যাটারের উৎস কি ব্ল্যাক হোল? গবেষণায় মিলল নতুন ইঙ্গিত

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম