দৌলতখানে ‘ডেঞ্জার জোনে’ চলছে রামগতি এক্সপ্রেস
Advertisement
দৌলতখান (ভোলা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ভোলার দৌলতখান থেকে আলেকজান্ডার নৌরুটে উত্তাল মেঘনা পাড়ি দিয়ে চলাচল করছে ‘এমভি রামগতি’ এক্সপ্রেস। অথচ এই নৌরুটে ১৯৯৯ সালে ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হয় যাত্রীবাহী নৌযান ‘এমভি ফাল্গুনী’। উত্তাল মেঘনা নদীতে সেই দুর্ঘটনায় কয়েকশ যাত্রীর প্রাণহানি ও অনেকে নিখোঁজ হন।
ভয়াবহ সেই দুর্ঘটনার পর থেকেই প্রতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত দৌলতখান-আলেকজান্ডার নৌরুটকে ‘ডেঞ্জার জোন’ ঘোষণা করেছে বিআইডব্লিউটিএ। সেই নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে ডেঞ্জার জোনে প্রতিদিন শত শত যাত্রী নিয়ে উত্তাল মেঘনা পাড়ি দিচ্ছে মেসার্স হাজী মোস্তফা নেভিগেশন কোংয়ের নৌযান ‘এমভি রামগতি এক্সপ্রেস’।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘এমভি রামগতি এক্সপ্রেস’ প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা ও বিকেল ৪টায় শত শত যাত্রী নিয়ে হাকিমুদ্দিন, দৌলতখান বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল লঞ্চঘাট থেকে আলেকজান্ডার রুটে চলাচল করে। আলেকজান্ডার এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি হাজী মোস্তফা আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজের খেয়ালখুশি মতো ‘ডেঞ্জার জোন’ ঘোষিত এই রুটে এই দেড় তলা ‘রামগতি এক্সপ্রেস’ চালিয়ে যাচ্ছেন।
এ বিষয়ে ‘এমভি রামগতি এক্সপ্রেস’ লঞ্চের মালিক পক্ষের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও কাউকে পাওয়া যায়নি। ‘ডেঞ্জার জোনে’ বেআইনিভাবে যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল নিয়ে মানুষের মাঝে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এভাবে ঝুঁকি নিয়ে নৌযান চলাচলের কারণে আবারও বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
আলেকজান্ডারগামী যাত্রীরা বলেন, আমরা বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উত্তাল মেঘনা পাড়ি দিয়ে যাতায়াত করছি। লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকলে আমরা এই পথে আসতাম না। এ বিষয়ে ভোলা নদীবন্দরের সহকারী পরিচালক নির্মল কুমার রায় যুগান্তরকে বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা’ অমান্য করে কেউ যদি দৌলতখান-আলেকজান্ডার ‘ডেঞ্জার জোনে’ লঞ্চ চালায় তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
