|
ফলো করুন |
|
|---|---|
এক কোটিপতির সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন সাংবাদিক। কোটিপতির কাছে সাংবাদিক জানতে চাইলেন, ‘অর্থের আগমন আপনার জীবনে সবচেয়ে বড় কোন সুখটি বয়ে এনেছে?’
জবাবে কোটিপতি বললেন, ‘সবচেয়ে বড় যে সুখটি বয়ে এনেছে তা হলো, আমার গিন্নি নিজের হাতে রান্না করা ছেড়ে দিয়েছেন!’
ডাক্তার : চিন্তা করবেন না। আপনার চাচার অসুখটা আসলে মানসিক। উনি মনে করেন উনি অসুস্থ, আসলে তা নয়।
কিছুদিন পর রোগীর খবর নিতে ফোন করলেন ডাক্তার।
ডাক্তার : কী অবস্থা আপনার চাচার?
রোগীর আত্মীয় : অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে! উনি মনে করেন, উনি মারা গেছেন!
শিক্ষক : বল, আকবরের জীবনকাল কত সাল থেকে কত সাল পর্যন্ত?
ছাত্র : পারি না স্যার। এটা তো বইয়ে নেই।
শিক্ষক বই খুলেন, সেখানে লেখা-আকবর (১৫৪২-১৬০৫)। ছাত্রকে সেটা দেখালেন তিনি।
ছাত্র : স্যার, আমি ভেবেছিলাম ওটা আকবরের মোবাইল নাম্বার!
বাতেন গেছে দোকানে ফল কিনতে।
বাতেন : ভাই, অফিসের বদমেজাজি ও খুঁতখুঁতে বসের জন্য আপেল কিনতে হবে। আপনার আপেলে কি কীটনাশক দেওয়া আছে?
দোকানদার : আমার আপেলে তো কীটনাশক নাই। তবে পাশের দোকানে কীটনাশক পাওন যায়! আপনি চাইলে এক বোতল মিশায়া দিমু!
শিক্ষক : মিঠু, তুমি বিশ্ব মানচিত্রে দেখাতে পারবে অস্ট্রেলিয়া কোথায়?
মিঠু : দক্ষিণ গোলার্ধে।
শিক্ষক : গুড! এবার রকিবুল বল তো, অস্ট্রেলিয়া কে আবিষ্কার করেছিলেন?
জুবায়ের : আমাদের মিঠু স্যার!
গ্রন্থনা : রাফিয়া আক্তার
