|
ফলো করুন |
|
|---|---|
এক পকেটমার বাসের মধ্যে এক ভদ্রলোকের পকেট মেরে পালিয়ে যাচ্ছিল। পকেটমার পালিয়ে যাওয়ার আগেই ভদ্রলোকের খেয়াল হলো, লোকটা তার পকেট মারতে এসেছিল। তাই পকেটমার লোকটাকে ধমক দিয়ে ভদ্রলোক বললেন, ‘তোমার লজ্জা হয় না? ভেবেছ আমরা চোখ বুজে বাসের মধ্যে বসে আছি?’
পকেটমার এবার পালটা রাগ দেখিয়ে বলল, ‘লজ্জা আমার নয়, আপনার হওয়া উচিত। পকেটে পয়সা না নিয়ে বাসে উঠে পড়েছেন। শুধু শুধু আমার সময় নষ্ট!’
সর্দারজির স্ত্রী : কী হলো, দরজার সামনে অমন ঠায় দাঁড়িয়ে আছ কেন?
সর্দারজি : বাঘ শিকারে যাব তাই।
সর্দারজির স্ত্রী : যাও তাহলে।
সর্দারজি : না মানে দরজার বাইরে একটা কুকুর বসে আছে, আমার খুব ভয় করছে!
সর্দারজি : জানিস, কাল রাতে একটি মেয়েকে একজনের কুদৃষ্টি থেকে আমি বাঁচিয়েছি। না হলে কাল নির্ঘাত বড়োসড়ো একটা ঝামেলা হয়ে যেত।
বন্ধু : বলিস কী রে! তুই তো মহান। তা কীভাবে ওই কুদৃষ্টি থেকে মেয়েটিকে রক্ষা করলি?
সর্দারজি : আরে বোকা, এর জন্য মহান হতে হয় না। শুধু আত্মসংবরণ করলেই হয়। মানে আমি নিজেই মেয়েটির দিকে না তাকিয়ে তাকে কুদৃষ্টির হাত থেকে বাঁচিয়েছি!
প্রথম ব্যক্তি : শুনলাম আপনার ছেলের বিয়ে নাকি ভেঙে গেছে?
দ্বিতীয় ব্যক্তি : ব্যাপারটা অনেকটা ওরকমই। মানে কাজী সাহেব যখন বিয়ে পড়াচ্ছিলেন তখনই আমার ছেলেটা বিয়ের আসর থেকে ছুটে পালিয়ে গেল।
প্রথম ব্যক্তি : কেন, শেষ মুহূর্তে আপনার ছেলে সাহস হারিয়ে ফেলেছিল বুঝি?
দ্বিতীয় ব্যক্তি : না, সাহস ফিরে পেয়েছিল!
গ্রন্থনা : রাফিয়া আক্তার
