১০ গোলের হার, কিছু প্রশ্ন
০ বাংলাদেশ, উত্তর কোরিয়া ১০
Advertisement
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ফিফা র্যাংকিংয়ে উত্তর কোরিয়া ১১। বাংলাদেশ ১০৭। প্রবল প্রতিপক্ষের চেয়ে ৯৬ ধাপ পিছিয়ে থাকা দলের কপালে জুটল ১০-০ গোলের হার। শোচনীয় হার দিয়ে শুরু হলো বাংলাদেশের মেয়েদের এশিয়ান গেমস। সোমবার জাপানের ওসাকায় নাগাই স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধেই ৭-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। বাকি তিন গোল হজম করে দ্বিতীয়ার্ধে। এই অসম লড়াইয়ে অসহায় আত্মসমর্পণের জন্য অনেকাংশে দায়ী কোচ পিটার বাটলারের ভুল কৌশলও। শুরুর একাদশে তিনি ঋতুপর্ণা চাকমা, মনিকা চাকমা, শামসুন্নাহার ও শিউলি অজিমের মতো অভিজ্ঞদের রাখেননি। পরে যখন তাদের মাঠে নামান, ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। সংবাদ সম্মেলনে অবশ্য দায় না এড়িয়ে ব্যর্থতার জন্য নিজেকে দায়ী করেছেন। বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টায় শুরুহওয়া ম্যাচে ১০ গোল হজম করে ১৩ বছর আগের লজ্জার রেকর্ড ভাঙলেন মেয়েরা।
এই হারে বাংলাদেশ নারী ফুটবলে তৈরি হলো নতুন লজ্জার রেকর্ড। ২০১৩ সালে ঢাকায় থাইল্যান্ডের কাছে ৯-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। এতদিন সেটিই ছিল নারী ফুটবলে সবচেয়ে বড় হারের নজির। এক যুগেরও বেশি সময় পর সেই রেকর্ড মুছে দিল উত্তর কোরিয়া।
ম্যাচের আগের দিন বাটলার জানিয়েছিলেন, ফলের চেয়ে তিনি তরুণদের বড় মঞ্চে সুযোগ দেওয়াটাকে গুরুত্ব দিতে চান। সেই পরিকল্পনায় শুরুর একাদশে জায়গা পান মৌমিতা খাতুন, অর্পিতা বিশ্বাস ও সুরভী আফরিনদের মতো তরুণরা। অন্যদিকে নিয়মিত একাদশের গুরুত্বপূর্ণ মুখ ঋতুপর্ণা চাকমা, মনিকা চাকমা, শিউলি আজিম ও শামসুন্নাহার শুরুতে ছিলেন বেঞ্চে।
তরুণদের সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনায় কি এত বড় হার? আরও কিছু প্রশ্ন উঠতেই পারে। বিশেষ করে উত্তর কোরিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই সাত গোল হজম। দ্বিতীয়ার্ধে ঋতুপর্ণা, মনিকার মতো অভিজ্ঞরা মাঠে নামলেন। তখন ম্যাচের লাগাম উত্তর কোরিয়ার হাতে। কয়েক মাস আগে নারী এশিয়ান কাপে উত্তর কোরিয়ার কাছে বাংলাদেশ হেরেছিল ৫-০ গোলে। কয়েক মাসের ব্যবধানে হারের ব্যবধান হলো দ্বিগুণ। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়া এবং ২১ সেপ্টেম্বর মিয়ানমারের বিপক্ষে বাকি দুটি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।
