রাবি স্টেশনে সাগরদাঁড়ি-তিতুমীরের যাত্রাবিরতি
মিষ্টি বিতরণ ও ব্যান্ড পার্টি বাজিয়ে ট্রেন বরণ
Advertisement
রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৩ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও অপেক্ষার পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) রেলস্টেশনে যাত্রাবিরতি শুরু করেছে আন্তঃনগর সাগরদাঁড়ি ও তিতুমীর এক্সপ্রেস। ট্রেন দুটির যাত্রাবিরতিকে ঘিরে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস স্টেশনে পৌঁছালে মিষ্টি বিতরণ ও ব্যান্ড পার্টির বাদ্য বাজিয়ে ট্রেনটিকে বরণ করে নেন তারা। রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা এ আয়োজন করেন।
আম্মার বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও রেল মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় প্রাথমিকভাবে দুটি ট্রেনের যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা করা হয়েছে। অন্যান্য ট্রেনের যাত্রাবিরতির বিষয়েও আলোচনা চলছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে এ সুবিধা দীর্ঘমেয়াদি করতে হলে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। বিশেষ করে ট্রেনে ভ্রমণের সময় অবশ্যই টিকিট কাটতে হবে এবং রেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কোনো ধরনের খারাপ আচরণ করা যাবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘দাঁড়িয়ে ভ্রমণ করতে হলেও স্ট্যান্ডিং টিকিট কেটে ভ্রমণ করতে হবে। এসব নিয়ম মেনে চললে শিক্ষার্থীদের স্বার্থে যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমরা অবস্থান নেব।’
বাকি ট্রেনগুলোর যাত্রাবিরতি প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘মধুমতী, বনলতা ও পদ্মা এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতির বিষয়টি এখনো বাকি রয়েছে। আপাতত এসব ট্রেনের যাত্রীদের সুবিধার্থে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে শাটল বাসের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
দীর্ঘদিনের আন্দোলনের পর পাওয়া এ সুযোগ স্থায়ী রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা আজ আছি, কাল থাকব না। কিন্তু এ সুযোগ যেন দীর্ঘদিন বজায় থাকে, সে দায়িত্ব সবাইকে নিতে হবে।’
এর আগে রাবি রেলস্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছিলেন শিক্ষার্থীরা। স্টেশনটিতে ট্রেনের যাত্রাবিরতি না থাকায় বিশেষ করে রাতে যাতায়াতকারী শিক্ষার্থীদের রাজশাহী রেলস্টেশন থেকে ক্যাম্পাসে ফিরতে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করতে হতো। দীর্ঘদিনের দাবি ও আন্দোলনের পর তিতুমীর ও সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা করা হয়।
