Logo
Logo
×
   

Advertisement

সারাদেশ

শিশু সন্তানদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ

Advertisement

Icon

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:১৮ পিএম

শিশু সন্তানদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ

ফাইল ছবি।

Advertisement

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার একটি গ্রামে শিশু সন্তানদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে এক গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। 

এ সময় ঘরে থাকা চার লাখ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করা হয়। 

ঘটনার দুই দিন পর শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ওই নারী চরফ্যাশন থানায় মামলা করেছেন। 

এতে স্থানীয় তিন যুবককে আসামি করা হয়েছে। আসামিরা হলেন- নুর করিম, হানিফ ও নাজমুল।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার মামলার বাদী গৃহবধূ জমি কেনার জন্য ব্যাংক থেকে চার লাখ টাকা তুলে বাড়িতে ফেরেন। পরদিন বুধবার সকালে ওই টাকা জমির মালিককে দেওয়ার কথা ছিল। এ জন্য টাকা নিজ ঘরে রাখেন। তিন শিশুসন্তান নিয়ে ওই বাড়িতে বসবাস করা নারীর স্বামী চট্টগ্রামে কর্মস্থলে ছিলেন। 

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন রাতে খাবার খেয়ে গৃহবধূ সন্তানদের নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। ভুলবশত ঘরের সিঁড়ির চিলেকোঠার ফটক খোলা ছিল। গভীর রাতে ঘরে কারও হাঁটার শব্দ শুনে তিনি সজাগ হন। এ সময় নুর করিম ও তার সঙ্গীরা হামলা চালিয়ে ওই নারীর হাত ও মুখ বেঁধে রাখে এবং চার লাখ টাকা ও দুই ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ ঘরের সব মালামাল লুট করে। একপর্যায়ে শিশু সন্তানদের অস্ত্রের মুখে অন্য একটি কক্ষে আটকে রাখা হয় এবং গৃহবধূকে নুর করিম, হানিফ ও নাজমুল ধর্ষণ করে। ঘটনার একপর্যায়ে শিশুরা চিৎকার-কান্নাকাটি করলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে গৃহবধূকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। 

অভিযোগের বিষয়ে নুর করিম বলেন, ওই নারীর বাসায় যে রাতে চুরি হয়, সেই রাতে আমাদের দোকানেও চুরি হয়েছে। তাদের সঙ্গে আমার বিরোধ আছে, এটা ঠিক। তবে ধর্ষণের বিষয়টি আমার জানা নেই।

চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মাখলুকুর রহমান বলেন, ধর্ষণের শিকার হয়েছেন জানিয়ে এক নারী হাসপাতালে এসেছিলেন। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশ পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে।

চরফ্যাশন থানার ওসি জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে এক নারী তিনজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম