Logo
Logo
×
   

সারাদেশ

ঘুস কেলেংকারিতে ছাগলনাইয়ায় রেঞ্জ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

Icon

ফেনী প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৪ পিএম

ঘুস কেলেংকারিতে ছাগলনাইয়ায় রেঞ্জ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

মামুন মিয়া। ফাইল ছবি।

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন মিয়াকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। স্থানীয় উপকারভোগীদের গাছ বিক্রির টাকা আত্মসাৎ ও ঘুস বাণিজ্যের অভিযোগে বুধবার (১৫ এপ্রিল) তাকে প্রত্যাহার করা হয়।

তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে নেমেছেন পরশুরাম রেঞ্জ কর্মকর্তা আবু নাছের জিয়াউর রহমান। সরেজমিন তদন্ত করে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফেনীর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, ১২ এপ্রিল ছাগলনাইয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ ফারহানা পৃথা রেঞ্জ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন মিয়ার বিরুদ্ধে তার কাছে অভিযোগ করেন। তার বিরুদ্ধে ওঠা নানা অনিয়মের কারণে তাকে ছাগলনাইয়া থেকে সরিয়ে দিতে অনুরোধ করেন ইউএনও।

বিষয়টি আমলে নিয়ে বুধবার এক আদেশে তাকে ছাগলনাইয়া থেকে প্রত্যাহার করে পরশুরাম রেঞ্জ কর্মকর্তাকে সেখানে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি মামুন মিয়ার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে তাকে (আবু নাছের জিয়াউর রহমান) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উপকারভোগী রোসনা ও ছেমনা আক্তার জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম পুরাতন মহাসড়কের দুই পাশে ২০১১ সাল থেকে ১০ বছরের জন্য গাছ লাগানো হয়। ৩৪ জন উপকারভোগীকে না জানিয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা সম্প্রতি গাছ কেটে নিয়ে যান। জানতে চাইলে তিনি উপকারভোগীদের টাকা স্ব-স্ব ব্যাংক হিসাবে জমা হবে বলে জানান। এজন্য অফিস খরচ বাবদ ৩২ জন সদস্যের কাছ থেকে তিনি ৬৪ হাজার টাকা আদায় করেন।

উপকারভোগীদের অভিযোগ, অফিস খরচের নামে ঘুস নেওয়ার পর রেঞ্জ কর্মকর্তা গা-ঢাকা দিয়েছেন। গত কয়েক দিন ধরে তিনি অফিসে অনুপস্থিত এবং ফোনও ধরছেন না। তারা বিষয়টি ইউএনওকে জানান।

স্থানীয়রা জানান, মামুন মিয়ার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ অহরহ রয়েছে। তবে এতদিন কেউ মুখ খোলেনি।

ছাগলনাইয়ার ইউএনও সৈয়দ ফারহানা পৃথা জানান, স্থানীয় সাংবাদিকরা তার কাছে অভিযোগ জানালে তিনি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান। কর্তৃপক্ষ তাকে (রেঞ্জ কর্মকর্তা) এখান থেকে সরিয়ে নিয়েছেন। তবে তার কাছে কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি।

অভিযুক্ত মোহাম্মদ মামুন মিয়ার বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম

We use cookies to improve your browsing experience. By using the site, you agree to our Privacy Policy .