Logo
Logo
×

Advertisement

সারাদেশ

খুলনা সিটি মেডিকেলের আগুন নিয়ন্ত্রণে

Icon

খুলনা ব্যুরো

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০১:৪১ এএম

খুলনা সিটি মেডিকেলের আগুন নিয়ন্ত্রণে

খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত সোয়া ১১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিস। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর ময়লাপোতা মোড়ে অবস্থিত বেসরকারি এই হাসপাতালটিতে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শুরু করে। প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টার নিরলস চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। পুরো সময়জুড়ে নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতালের বেজমেন্টে হঠাৎ একটি বিকট শব্দ শোনা যায়। এর কিছুক্ষণ পরই সেখানে আগুন দেখা দেয় এবং দ্রুত ধোঁয়া ভবনের বিভিন্ন তলায় ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে হাসপাতাল ভবনে আগুন লাগে। মুহূর্তেই ঘন ধোঁয়া পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়লে রোগী, স্বজন এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কেউ দ্রুত নিচে নেমে আসেন, আবার কেউ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ভবনের ওপরের দিকে চলে যান। খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। স্থানীয় বাসিন্দারাও তাদের সঙ্গে যোগ দেন। হাসপাতালে অবস্থানরত রোগীদের শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি কমাতে ভবনের বিভিন্ন স্থানের কাচ ভেঙে ধোঁয়া বের হওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

অগ্নিকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়তেই হাসপাতালের দুই পাশের সড়কে সাধারণ মানুষের ভিড় জমে যায়। আতঙ্কিত স্বজনদের অনেককে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। হাসপাতালের সামনে এমনই এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের জন্ম দেন এক যুবক, যিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিজের সন্তানের খোঁজ করছিলেন।

তিনি জানান, তার নয় মাস বয়সী সন্তান হাসপাতালের এনআইসিইউতে ভর্তি রয়েছে। আগুনের ঘটনায় শিশুটির নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে তিনি চিৎকার করছিলেন এবং বারবার সন্তানের খোঁজ নিচ্ছিলেন।

রাত সোয়া ১১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও রাত সোয়া ১২টা পর্যন্ত ভবনের বিভিন্ন অংশ থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তখনও ডাম্পিং কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন, যাতে আগুনের কোনো গোপন উৎস পুনরায় সক্রিয় হতে না পারে। এ সময় ভবনের বিভিন্ন তলায় আটকে থাকা রোগী ও স্বজনদের ক্রেনের সাহায্যে নিচে নামানো হয়। গুরুতর অসুস্থ ও মুমূর্ষু রোগীদের অ্যাম্বুলেন্সে করে নগরীর বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে স্থানান্তর করা হয়।

খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের ১২টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে। তবে এ ঘটনায় হতাহতের কোনো তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে আগুনের সূত্রপাত এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কেও এখনো নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।’

ঘটনার কারণ অনুসন্ধান এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

‘ইউ ক্যান ডু ইট’: প্রধানমন্ত্রী

‘ইউ ক্যান ডু ইট’: প্রধানমন্ত্রী

অভ্যর্থনার অপেক্ষা না করেই জনতার ভিড়ে মিশে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

অভ্যর্থনার অপেক্ষা না করেই জনতার ভিড়ে মিশে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

অভ্যর্থনার অপেক্ষা না করেই জনতার ভিড়ে মিশে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

অভ্যর্থনার অপেক্ষা না করেই জনতার ভিড়ে মিশে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

স্বৈরাচারী শক্তি আবারও ষড়যন্ত্রের ফণা তুলেছে: প্রধানমন্ত্রী

স্বৈরাচারী শক্তি আবারও ষড়যন্ত্রের ফণা তুলেছে: প্রধানমন্ত্রী

দিনদুপুরে বিএনপি নেতার ছেলেকে গুলি করে হত্যা

দিনদুপুরে বিএনপি নেতার ছেলেকে গুলি করে হত্যা

হরমুজে দুই তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন

হরমুজে দুই তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন

আরও পড়ুন

রহস্যজনক ভূমিকায় বিআইডব্লিউটিএ পদ্মার ছয় মৌজায় অবাধে বালু ও মাটি লুট

পদ্মার ছয় মৌজায় অবাধে বালু ও মাটি লুট

৪৫ শয্যার ওয়ার্ডে ভর্তি ২১৫ গাছতলায় চিকিৎসা শিশুদের

গাছতলায় চিকিৎসা শিশুদের

শান্তির উদ্যোগ আস্থা পায়নি

শান্তির উদ্যোগ আস্থা পায়নি

সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরু প্রথম দিনে পৌঁছাল ৮৩৬ পর্যটক উৎসবের আমেজ

প্রথম দিনে পৌঁছাল ৮৩৬ পর্যটক উৎসবের আমেজ

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম