শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ-হত্যার বিচার চেয়ে হতভাগ্য বাবার ব্যানার
বগুড়া ব্যুরো
প্রকাশ: ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৪৯ পিএম
শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ-হত্যার বিচার চেয়ে হতভাগ্য বাবার ব্যানার
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বগুড়ার ধুনটে আট বছরের শিশু মায়দা আক্তার রজনীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচার কাজে তিন বছরেও তেমন অগ্রগতি হয়নি। এতে নিহতের পরিবার ন্যায়বিচার নিয়ে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন।তাই দ্রুতবিচার ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ব্যানার লাগিয়েছেন নিহত শিশুটির হতভাগ্য বাবা গাজিউর রহমান।
মামলা সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী মায়দা আক্তার রজনী বগুড়ার ধুনট উপজেলার এলাঙ্গী ইউনিয়নের এলাঙ্গী পশ্চিমপাড়া গ্রামের ভ্যানচালক গাজিউর রহমানের মেয়ে। শিশুটি গত ২০২৩ সালের ৪ মে বিকাল ৫টার দিকে বাড়ির সামনে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। এ ব্যাপারে শিশুর বাবা ধুনট থানায় জিডি করেন। পরদিন ৫ মে সন্ধ্যায় এলাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়ের পেছনে একটি পরিত্যক্ত জায়গার ঝোপঝাড় থেকে রজনীর লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় রজনীর বাবা গাজিউর রহমান ধুনট থানায় অপহরণ, ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশ তদন্ত শেষে তিনজনকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায়। এর মধ্যে একজন জামিনে মুক্ত রয়েছেন। মামলার তিন বছর অতিবাহিত হলেও বিচার কাজে তেমন অগ্রগতি হয়নি। এতে শিশুটির বাবা গাজিউর রহমান ও পরিবারের সদস্যরা হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন।
গাজিউর রহমান জানান, মেয়েকে হারানোর পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো ন্যায় বিচারের অপেক্ষায় রয়েছেন। তিনি দ্রুত বিচার শেষ করে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
এ প্রসঙ্গে ধুনট থানার ওসি আতিকুল ইসলাম জানান, শিশু রজনী হত্যা মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
