হিলি দিয়ে আবারও কাঁচামরিচ আমদানি
হাকিমপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫৫ পিএম
হিলি দিয়ে আবারও কাঁচামরিচ আমদানি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
দেশের বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি দেওয়ায় দীর্ঘ সাড়ে ৮ মাস বন্ধের পর আবারও দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। এতে বন্দরে আমদানিকারক ও শ্রমিকদের মাঝে কর্মচাঞ্চল্যতা ফিরতে শুরু করেছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিকাল পৌনে ৪টায় ভারত থেকে কাঁচামরিচবোঝাই ট্রাক দেশে প্রবেশের মধ্য দিয়ে পুনরায় হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হয়েছে।
বগুড়ার রাজ এন্টারপ্রাইজ ও মাহাদি এন্টারপ্রাইজ নামের দুটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ৩টি ট্রাকে ২১ টন কাঁচামরিচ আমদানি করেছে। ভারতের কাটিহার থেকে এসব কাঁচামরিচ আমদানি করা হচ্ছে। এতে দেশের বাজারে পণ্যটির সরবরাহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম অনেকটাই কমে আসবে বলে জানিয়েছেন আমদানিকারকরা। হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সর্বশেষ গত বছরের ২০ নভেম্বর ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি হয়েছিল।
হিলি স্থলবন্দরের কাঁচামরিচ আমদানিকারক শাহাবুল ইসলাম বলেন, বৈরী আবহাওয়া ও ঝড়-বৃষ্টির কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় কাঁচামরিচের খেত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এর উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। ফলে চাহিদামাফিক না পাওয়ার কারণে দাম ৩শ টাকা ছাড়িয়েছিল। যেহেতু ভারতে কাঁচামরিচের দাম কম রয়েছে তাই দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি চেয়ে আসছিলাম। এর পরিপেক্ষিতে আমদানির অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
হিলি স্থলবন্দরের বেশ কয়েকজন আমদানিকারক কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি পেয়েছেন। অনেকেই এলসি খোলা থেকে অন্য যেসব প্রক্রিয়া সেটি সম্পন্ন করছেন। ফলে বিকাল থেকে ভারতের কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। প্রথম দিন হওয়ায় আমদানির পরিমাণ কিছুটা কম হলেও মঙ্গলবার থেকে বন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানির পরিমাণ আরও বাড়বে। এতে দেশের বাজারে কাঁচামরিচের দামের যে উর্ধ্বমুখী তা কমে আসবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক আনোয়ার হোসেন জানান, দেশে কাঁচামরিচের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠলে সরকার কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি দেয়। সোমবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত হিলি স্থলবন্দরের ৭৪ জন আমদানিকারক ২৭ হাজার ১১০ টন কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি পেয়েছেন। ইতোমধ্যেই বিকাল থেকে ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। দ্রুত আমদানিকৃত কাঁচামরিচের নমুনা সংগ্রহ করে তার সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে- এরপর তারা বন্দর থেকে খালাস নিতে পারবেন।
