সিলেটে ভবন নির্মাণে অনুমোদন বাধ্যতামূলক
Advertisement
সিলেট ব্যুরো
প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৪০ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সিলেট মহানগরী ও আশপাশের এলাকায় সকল প্রকার ভবন নির্মাণ, সম্প্রসারণ, কিংবা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এখন থেকে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) সিউক চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়। এর ফলে এতদিন নগরে ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশন ও ফায়ার সার্ভিসের অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা থাকলেও এখন তার সঙ্গে যুক্ত হলো নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।
বিজ্ঞপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে সিউক চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, সিউকের আইন অনুযায়ী সাধারণ মানুষের অবগতির জন্য এই গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। সিলেটকে পরিকল্পিত, সুশৃঙ্খল ও পরিবেশবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই আমরা এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।
গণবিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, সিউকের আওতাধীন এলাকায় পরিকল্পিত উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণে ভূমি ব্যবহারের ছাড়পত্র, ভবনের নকশা অনুমোদন এবং জলাধার খনন বা পুনঃখননের সমস্ত আবেদন সরাসরি সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।
ইমারত নির্মাণ আইন ১৯৫২, ইমারত নির্মাণ বিধিমালা ১৯৯৬ এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড ২০২০ অনুসরণ করে সিউকের তালিকাভুক্ত স্থপতি, প্রকৌশলী বা নকশাকারকের মাধ্যমে ভূমি জরিপ, মাটি পরীক্ষা এবং ভবনের স্থাপত্য, কাঠামো, বৈদ্যুতিক ও পানি-নিষ্কাশন সংক্রান্ত নকশা প্রণয়ন করে আবেদন জমা দেওয়ার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০-এর ৫ ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে আবাসন কার্যক্রম শুরুর আগেই সিউকের নিবন্ধন নিতে হবে। সিউকের পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনো ধরনের ইমারত নির্মাণ কিংবা জলাশয় ভরাট ও অবৈধ দখলের মতো পরিবেশবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা যাবে না এবং নির্দেশিত নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে।
বিশেষ করে, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৩-এর ৫৪ ধারা উল্লেখ করে জানানো হয় যে, আইনটি কার্যকর হওয়ার পর থেকে সিউক ব্যতীত অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের অনুমতির মাধ্যমে পরিচালিত সব ধরনের নির্মাণ কার্যক্রম আইনিভাবে অকার্যকর ও অননুমোদিত হিসেবে গণ্য হবে।


