Logo
Logo
×

Advertisement

সারাদেশ

যুবলীগ নেতা আল-আমিন হত্যার নেপথ্যে পারিবারিক দ্বন্দ্ব, দাবি মা-স্ত্রীর

Advertisement

Icon

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৪:১৯ পিএম

যুবলীগ নেতা আল-আমিন হত্যার নেপথ্যে পারিবারিক দ্বন্দ্ব, দাবি মা-স্ত্রীর

মো. আল-আমিন সৈকত। ফাইল ছবি

Advertisement

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে যুবলীগ নেতা মো. আল-আমিন সৈকত (৪৫) হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে পারিবারিক দ্বন্দ্ব রয়েছে বলে দাবি করেছেন তার স্ত্রী ও মা। সম্পত্তি নিয়ে চাচা ও চাচাতো ভাইদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের। 

তবে এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত নিহতের পরিবার থানায় কোনো মামলা করেনি।

গত রোববার রাত ১২টার দিকে ভৈরব বাজারের টিনপট্টি এলাকায় দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন আল-আমিন সৈকত। পরে তাকে ঢাকায় নেওয়া হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়।

সোমবার রাত ৯টার দিকে ভৈরবপুর ঈদগাহ মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে হাজারো মানুষ অংশ নেন। পরে তাকে ভৈরব পৌর কবরস্থানে দাফন করা হয়।

আল-আমিনের দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। তিনি ভৈরব পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ছিলেন। পাশাপাশি তিনি সার ডিলার ও সার সংগঠনের জেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। ভৈরব বাজারে তার একটি আবাসিক হোটেলও রয়েছে।

নিহতের স্ত্রী তানিয়া বেগম যুগান্তরকে বলেন, আমার স্বামীর কোনো শত্রু ছিল না। তিনি কাউন্সিলর হয়ে অনেক মানুষের উপকার করেছেন। তবে সম্পত্তি নিয়ে তার চাচা ও চাচাতো ভাইদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ছিল। এই বিরোধ কয়েকদিন আগে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম মীমাংসা করে দিয়েছিলেন। তারপরও ঘটনার দিন তার চাচাতো ভাই জুম্মন ও হাসান সঙ্গীদের নিয়ে আমার স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করে।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর তার চাচা ও চাচাতো ভাইয়েরা বাড়িঘরে তালা লাগিয়ে পালিয়ে গেছেন। স্বামীর মৃত্যুতে আমার চার সন্তান এতিম হয়ে গেছে। আমি এই নৃশংস হত্যার কঠোর বিচার চাই।

আল-আমিনের মা মিনা বেগম বলেন, সম্পত্তির ভাগবাটোয়ারা নিয়ে আমার ছেলেকে তার চাচা মমিন ও তার ছেলে রৌদ্রের নির্দেশে দুই ছেলে জুম্মন ও হাসান দলবল নিয়ে রাতের আঁধারে কুপিয়ে হত্যা করেছে। আমি আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই।

সোমবার রাতে আল-আমিনের জানাজায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, যারা তাকে হত্যা করেছে, তারা ঘটনার পর ভৈরবপুর মনামারা সেতুর কাছে গিয়ে হুংকার দিয়ে বলেছে, আল-আমিনকে কুপিয়ে শেষ করে দিয়েছি। তাদের কে অস্ত্র সরবরাহ করেছে, পুলিশকে তা খুঁজে বের করতে হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি দাবি করেন, হত্যাকাণ্ডের পরপরই কয়েকজন ভৈরবপুর উত্তরপাড়ায় গিয়ে একটি রেস্টুরেন্টে রক্তমাখা কাপড় ধুয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ভৈরব থানার ওসি মো. মাহবুবুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ ছায়া তদন্ত শুরু করেছে। তবে নিহতের পরিবার মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা করেনি। নিহতের ময়নাতদন্ত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হয়েছে। পরিবার মামলা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

মসজিদের সামনে মোনাজাত ধরে বিচার চাইলেন বৃদ্ধা, কিছুক্ষণ পরই...

মসজিদের সামনে মোনাজাত ধরে বিচার চাইলেন বৃদ্ধা, কিছুক্ষণ পরই...

বাড়ির উঠানের গাছে ঝুলছিল হাত-পা-মুখ বাঁধা প্রবাসী যুবক

বাড়ির উঠানের গাছে ঝুলছিল হাত-পা-মুখ বাঁধা প্রবাসী যুবক

রাস্তা বন্ধ করে পরিবারকে অবরুদ্ধ রাখার অভিযোগ

রাস্তা বন্ধ করে পরিবারকে অবরুদ্ধ রাখার অভিযোগ

ভৈরবে ছিনতাইকারীর আক্রমণে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, আহত ২ ও গ্রেফতার ৩

ভৈরবে ছিনতাইকারীর আক্রমণে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, আহত ২ ও গ্রেফতার ৩

ভৈরবে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

ভৈরবে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

ভ্রমণে যাওয়াই কাল হলো সাবেক ছাত্রদল নেতা সাইফুলের

ভ্রমণে যাওয়াই কাল হলো সাবেক ছাত্রদল নেতা সাইফুলের

আরও পড়ুন

চট্টগ্রামে সাইলো পরিদর্শন মন্ত্রীর পরিদর্শনের দিনই সরকারি গম পাচার

মন্ত্রীর পরিদর্শনের দিনই সরকারি গম পাচার

সেই পুরিন্দা বাজার থেকে ৩ কোটি টাকার সুতা জব্দ

সেই পুরিন্দা বাজার থেকে ৩ কোটি টাকার সুতা জব্দ

তথ্যমন্ত্রীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ভোলায় ২৫০ শয্যার হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট, ব্যাহত হচ্ছে সেবা

ভোলায় ২৫০ শয্যার হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট, ব্যাহত হচ্ছে সেবা

বিএনপির সমালোচনা করে যা বললেন মামুনুল হক

বিএনপির সমালোচনা করে যা বললেন মামুনুল হক

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম