Logo
Logo
×

Advertisement

সারাদেশ

মাদককারবারিকে রক্তাক্ত করার অভিযোগ এএসআইয়ের বিরুদ্ধে

Icon

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৬ পিএম

মাদককারবারিকে রক্তাক্ত করার অভিযোগ এএসআইয়ের বিরুদ্ধে

Advertisement

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ইয়াবাসহ প্যাকেট গিলে ফেলায় হাফিজুর রহমান নামের এক মাদককারবারিকে শারীরিক নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে রৌমারী থানার এএসআই প্রদীপ চন্দ্র রায়সহ দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। পরে আহত ওই মাদককারবারিকে গ্রেফতার না করে রক্তাক্ত অবস্থায় পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের।

শনিবার দুপুর ১২টার দিকে রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়ন পরিষদের পুকুরপাড়ে এ ঘটনা ঘটে। সোমবার ঘটনাটি জানাজানি হয়। 

হাফিজুর রহমান জামালপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে দাবি হাফিজুরের স্বজনদের।

ঘটনার দিন ওসির অনুমতি নিয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়ার দাবি করেন এএসআই প্রদীপ চন্দ্র রায়। অন্যদিকে এ ঘটনার বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে দাবি ওসি কাওসার আলীর। পুলিশের এমন ভূমিকা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

আহত হাফিজুর রহমান উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের কর্তিমারী বাজার এলাকার মৃত আতাউর রহমানের ছেলে। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়ন পরিষদের পুকুরপাড়ের বাসিন্দা খবিরণ বেওয়া বলেন, শনিবার দুপুরে আমার বাড়ির বাঁশঝাড়ে বসে ইয়াবা সেবন করছিলেন হাফিজুর। এ সময় হাফিজুরের কাছে থাকা ইয়াবার একটা পুটলা পায় পুলিশ। পরে পুলিশের হাত থেকে ইয়াবার পুটলাটা ছিনিয়ে নিয়ে মুখে দিয়ে গিলে ফেলেন হাফিজুর। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ সদস্যরা তার মুখ ও গলাটিপে ধরেন এবং গিলে খাওয়া ইয়াবা বের করতে বলেন। এ সময় হাফিজুরের নাকে মুখে রক্ত এলে কয়েকজন মিলে ধরাধরি করে তার বাড়িতে পৌঁছে দেয়। এ সময় পুলিশও চলে যায় বলে জানান তিনি।

আহতাবস্থায় হাফিজুরকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেন তার প্রতিবেশী আশিক, জুয়েলসহ তিন যুবক। এদের মধ্যে আশিক বলেন, তিনি ইয়াবা গিলে ফেলায় পুলিশের সঙ্গে হাফিজুরের ঝামেলা হইছিল। পরে তার নাকে-মুখে প্রচুর রক্তক্ষরণ হলে আমরা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেই।

অভিযোগের বিষয়ে রৌমারী থানার এএসআই প্রদীপ চন্দ্র রায় বলেন, ৯৯৯ নাম্বারে একটি কলে ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। তাকে গ্রেফতার করার মতো সিচুয়েশন ছিল না। ওসি স্যারের পরামর্শে চলে আসি। এ সময় স্থানীয় লিটন ভাই উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে যাদুরচর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন লিটন বলেন, ইয়াবাসহ পুলিশ হাফিজুরকে আটক করেছিল। পরে হাফিজুরকে আমার জিম্মায় দিতে চাইলেও রাজি হই নাই। কারণ সে একজন চিহ্নিত মাদককারবারি।

হাফিজুরের বোন নাজমা খাতুন বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি আমার ভাইয়ের নাকে-মুখে রক্ত বের হচ্ছে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই দিন সন্ধ্যার পর জামালপুরে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

কে আহত করেছেন- এমন প্রশ্নে নাজমা খাতুন বলেন, প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন ইয়াবা ট্যাবলেট গিলে ফেলার কারণে পুলিশরাই আমার ভাইকে আহত করেছেন।

পুলিশের হাত থেকে ইয়াবার প্যাকেট কেড়ে নিয়ে মাদক কারবারির গিলে ফেলা, মাদক কারবারিকে মেরে আহত করা, গ্রেফতার না করেই চলে আসার ঘটনার বিষয়ে রৌমারী থানার ওসি কাওসার আলী কিছুই জানেন না বলে দাবি করেন।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

ইয়াবাসহ জাসাস নেতা আটক

ইয়াবাসহ জাসাস নেতা আটক

পাশের বাড়িতে গ্যাসলাইট আনতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার তরুণী

পাশের বাড়িতে গ্যাসলাইট আনতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার তরুণী

রোগীর শরীরে কাঁচের টুকরো রেখে সেলাই, চিকিৎসক বললেন ‘স্যরি’

রোগীর শরীরে কাঁচের টুকরো রেখে সেলাই, চিকিৎসক বললেন ‘স্যরি’

কুড়িগ্রামে পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় নাকি বাসাবাড়ি!

কুড়িগ্রামে পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় নাকি বাসাবাড়ি!

কলেজে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ, অধ্যক্ষ ও সভাপতির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ

কলেজে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ, অধ্যক্ষ ও সভাপতির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ

ফুলে সাজানো রিকশায় গ্রামপুলিশকে রাজকীয় বিদায়

ফুলে সাজানো রিকশায় গ্রামপুলিশকে রাজকীয় বিদায়

আরও পড়ুন

রহস্যজনক ভূমিকায় বিআইডব্লিউটিএ পদ্মার ছয় মৌজায় অবাধে বালু ও মাটি লুট

পদ্মার ছয় মৌজায় অবাধে বালু ও মাটি লুট

৪৫ শয্যার ওয়ার্ডে ভর্তি ২১৫ গাছতলায় চিকিৎসা শিশুদের

গাছতলায় চিকিৎসা শিশুদের

শান্তির উদ্যোগ আস্থা পায়নি

শান্তির উদ্যোগ আস্থা পায়নি

সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরু প্রথম দিনে পৌঁছাল ৮৩৬ পর্যটক উৎসবের আমেজ

প্রথম দিনে পৌঁছাল ৮৩৬ পর্যটক উৎসবের আমেজ

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম