ভোলায় তথ্যমন্ত্রীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, চিকিৎসা নিয়েছেন প্রায় ১০ হাজার মানুষ
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন, ভোলা
প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১১ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ভোলায় অসহায়, দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের দোরগোড়ায় বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং ভোলা সদর আসনের এমপি ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ।
নিজ অর্থায়নে পরিচালিত এ ক্যাম্পে ইতোমধ্যে প্রায় ১০ হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন।
ভোলায় ২৫০ শয্যার হাসপাতাল থাকলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও জনবল সংকটে দীর্ঘদিন ধরে অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষ কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে সদর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার মানুষের জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চার ধাপে সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এ মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপের কার্যক্রম শেষ হয়েছে। প্রথম ধাপে রাজাপুর, পূর্ব ইলিশা ও পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়।
দ্বিতীয় ধাপে বাপ্তা, কাচিয়া ও ধনিয়া ইউনিয়নে এবং তৃতীয় ধাপে আলীনগর, দক্ষিণ দিঘলদী ও উত্তর দিঘলদী ইউনিয়নে ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
চতুর্থ ধাপে আগামী শনিবার ভেদুরিয়া, ভেলুমিয়া ও চরসামাইয়া ইউনিয়নে মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করা হবে। প্রতিটি ক্যাম্প দিনব্যাপী চলে। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধও সরবরাহ করছেন।
ক্যাম্পে চিকিৎসা নিতে আসা আব্দুল মতিন ও লোকমান হোসেন বলেন, ‘বয়সের ভারে নুয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নানা রোগে ভুগছি। আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় ভোলা শহরে গিয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া সম্ভব হয় না। ওষুধ কেনা তো আরও কঠিন। বাড়ির পাশে তথ্যমন্ত্রী মেডিকেল ক্যাম্প পাঠিয়েছেন। এখানে এসে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ পেয়েছি। এজন্য তথ্যমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে ধন্যবাদ জানাই।’
ভোলা জেলা বিজেপির সভাপতি আমিরুল ইসলাম রতন জানান, বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থর উদ্যোগে সদর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করা হবে।
তিনি বলেন, ‘এর মাধ্যমে প্রায় ২০ হাজার মানুষকে প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৩টি ইউনিয়নে মেডিকেল ক্যাম্প সম্পন্ন হলে পুনরায় প্রত্যেকটি ইউনিয়নে দ্বিতীয়বার এ কার্যক্রম শুরু হবে। অর্থাৎ ধারাবাহিকভাবে এ কার্যক্রম চলবে।’
আমিরুল ইসলাম রতন আরও বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা, প্রত্যন্ত এলাকার অসচ্ছল মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে এই উদ্যোগ তাদের স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
