আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড: সাত বছরেও রায় কার্যকর হয়নি, পরিবারের ক্ষোভ
Advertisement
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৩ পিএম
আবরার ফাহাদ। ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের সাত বছরেও আদালতের রায় কার্যকর হয়নি। এ মামলার দুই ধাপের বিচার শেষ হলেও চূড়ান্ত বিচার শেষ হতে কত সময় লাগবে, তা বলতে পারছে না কেউ। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আবরারের পরিবার।
২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর মধ্যরাতে বুয়েটের ২০১১ নম্বর কক্ষে নিয়ে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করেন বর্তমানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের ছাত্র আবরার এর দুদিন আগে ভারতের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে সমালোচনা করে ফেসবুকে পোস্ট করেন। এর জেরে তাকে হত্যা করা হয়। পরে রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের সিঁড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
মঙ্গলবার আবরার ফাহাদের কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই রোডের বাসভবনে কাউকেই পাওয়া যায়নি। তার মৃত্যুবার্ষিকী পালন করতে সবাই ঢাকায় অবস্থান করছেন। ফোনে কথা হয় বাবা বরকত উল্লাহর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘ভারত আমাদের দেশটাকে গ্রাস করতে চেয়েছিল। আবরার সেটার প্রতিবাদ করেছিল। যে কারণে আবরারকে জীবন দিতে হয়েছে, সেটার বাস্তবায়ন চাই আমরা। দেশকে নিয়ে আবরার ফাহাদের যেই স্বপ্ন ছিল, সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ দেখতে চাই।’
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২০ জনের মধ্যে বিচারিক আদালতের রায়ের সময় থেকেই তিনজন পলাতক। তারা হলেন-মোর্শেদ-উজ-জামান, এহতেশামুল রাব্বি ও মুজতবা রাফিদ। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আরেক আসামি মুনতাসির আল জেমি ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট গাজীপুরের হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে যান। এ মামলায় সব মিলিয়ে দণ্ডিত ২৫ আসামির মধ্যে চারজন পলাতক।
তিনি আরও বলেন, আবরারের মৃত্যুতে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আমার ছেলে দেশের জন্য জীবন দিয়েছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে আবরার ফাহাদকে ভুলে না যায়, এজন্য শহরের একটি সেতু তার নামে নামকরণের দাবি জানাই।


