বিয়ে ১১ দিনের মাথায় সন্তান প্রসব, অতঃপর...
Advertisement
বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৬ পিএম
ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
নাটোরের বড়াইগ্রামে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শারীরিক সম্পর্কের জেরে তরুণীকে বিয়ের মাত্র ১১ দিনের মাথায় সন্তান প্রসব, নবজাতক বিক্রি এবং গোপনে স্ত্রীকে তালাক দিয়ে স্বামীর বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় পুলিশ ভুক্তভোগী গৃহবধূর মামাশ্বশুর মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।
নাটোরের বড়াইগ্রামের গোপালপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেফতার মিজানুর দৌলতপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে। তিনি কচুয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।
থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দৌলতপুর গ্রামের দুলাল ভূঁইয়ার ছেলে ইমন ভূঁইয়া (২৩) ভুক্তভোগী তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীর সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করে অভিযুক্ত ইমন ভূঁইয়া। একপর্যায়ে ওই তরুণী গর্ভবতী হয়ে পড়েন। বিষয়টি জানাজানি হলে সামাজিক চাপে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের মাত্র ১১ দিনের মাথায় ওই গৃহবধূ একটি সন্তান প্রসব করেন।
অভিযোগ উঠেছে, সন্তান জন্মের পরপরই ইমন ভূঁইয়া ও তার পরিবার নবজাতকটিকে অন্যত্র মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দেয়। এরপরই অভিযুক্ত ইমন ভূঁইয়া গোপনে স্ত্রীকে তালাক দিয়ে কাউকে কিছু না জানিয়ে বিদেশে পালিয়ে যায়। স্বামী-সন্তান দুজনকেই হারিয়ে ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ অভিযুক্ত মামাশ্বশুরকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠায়।
বড়াইগ্রাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুবুর রহমান জানান, এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া নবজাতককে উদ্ধার করা হয়েছে। মামলার অপর আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

