স্ত্রীর প্রতারণায় ৫১ লাখ টাকা খুইয়ে ঢাকায় রিকশা চালান মোস্তফা
Advertisement
রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৬ পিএম
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
দীর্ঘ ১৩ বছর দুবাইয়ে প্রবাসজীবন কাটিয়ে প্রায় ৫১ লাখ টাকা উপার্জন করেছিলেন হাফেজ মোস্তফা ফরাজী। স্বপ্ন ছিল দেশে ফিরে পরিবার নিয়ে সুখে থাকবেন। সেই স্বপ্নে উপার্জিত অর্থ পাঠিয়েছিলেন স্ত্রীর কাছে; কিন্তু এখন সর্বস্ব হারিয়ে ঢাকায় রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন তিনি।
রাজাপুর প্রেস ক্লাবে মঙ্গলবার সকালে সংবাদ সম্মেলন করে নিজের জীবনের এমন দুর্দশার কথা তুলে ধরেন মোস্তফা। তিনি মঠবাড়িয়া উপজেলার পাথরঘাটা জ্ঞানপাড়া এলাকার আব্দুল বারেক ফরাজীর ছেলে। বিয়ের পর রাজাপুরেই বসবাস শুরু করেন।
লিখিত বক্তব্যে মোস্তফা অভিযোগ করেন, দুবাইয়ে থাকা অবস্থায় বিভিন্ন সময়ে স্ত্রী জোলেখার কাছে প্রায় ৫১ লাখ টাকা পাঠিয়েছেন তিনি; কিন্তু স্ত্রী ওই টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে আংগারিয়া আলগি এলাকার মো. সাইফুলের সঙ্গে চলে গেছেন। এ বিষয়ে রাজাপুর পূবালী ব্যাংকের হিসাবের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের তথ্য যাচাইয়ের দাবি জানান তিনি।
মোস্তফার আরও অভিযোগ, রাজাপুরে তার ১৩ শতাংশ জমি ১২ লাখ টাকায় বিক্রির কথাবার্তা হয়। দলিল রেজিস্ট্রির পর তাকে ১০ লাখ টাকা দেওয়া হয়। এ নিয়ে বিরোধের জেরে তার স্ত্রীসহ ১০-১২ জন ব্যক্তি হামলা ও মারধর করেন। এ সময় তার কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা নিয়ে যাওয়া হয় বলেও দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে মোস্তফা তার উপার্জিত অর্থ ও ব্যাংক লেনদেনের নিরপেক্ষ তদন্ত, জমির মালিকানা ও দলিল যাচাই, হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
তবে মোস্তফার স্ত্রী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি রাগ করে তাকে তালাক দিয়েছি। তবে সে আগে বিয়ে করেছে, পরে আমি বিয়ে করেছি। আমি তার কোনো টাকা-পয়সা নিইনি।
