নেতানিয়াহুকে ফোন করে সতর্ক করেছিলেন মিসরের গোয়েন্দাপ্রধান, কিন্তু...
Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩১ এএম
বারবার নেতানিয়াহুকে সতর্ক করা হয়েছিল। সংগৃহীত ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার কয়েক দিন আগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ফোন করেছিলেন মিসরের গোয়েন্দাপ্রধান আব্বাস কামেল। গাজা থেকে আসন্ন হামলার বিষয়ে সতর্কও করেছিলেন।
মার্কিন গণমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, এর আগে আরও দুই দফা সতর্কবার্তা দিয়েছিল কায়রো। তবে সেগুলো ইসরাইল গুরুত্ব দিয়ে আমলে নেয়নি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালের জুনে মিসর প্রথম ইসরাইলকে গাজা পরিস্থিতির ক্রমবর্ধমান অস্থিতিশীলতার বিষয়ে সতর্ক করে। একই সঙ্গে হামাসের সঙ্গে জিম্মি ও বন্দিবিনিময় চুক্তি নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরুর পরামর্শ দেওয়া হয়।
এরপর সেপ্টেম্বরে ইসরাইল সফর করেন আব্বাস কামেল। সে সময় তিনি সতর্ক করে বলেছিলেন, গাজার পরিস্থিতি ভয়াবহ এবং যেকোনো সময় সবার জন্য বড় বিপদ হয়ে উঠতে পারে।
প্রতিবেদনটি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আরব সরকারের কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে এসব তথ্য জানিয়েছে।
তবে ইসরাইলি কর্মকর্তারা কামেলের সতর্কবার্তা প্রত্যাখ্যান করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে তাকে জানিয়েছিলেন। এরপরই হামলার কয়েক দিন আগে নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ফোন করেন মিসরের গোয়েন্দাপ্রধান।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল বলছে, ৭ অক্টোবরের হামলার আগ পর্যন্ত মিসর ইসরাইলকে বারবার সতর্ক করে গেছে। এমনকি হামলার ৪৮ ঘণ্টা আগেও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
তবে এসব সতর্কবার্তায় হামলার নির্দিষ্ট সময় বা সম্ভাব্য ব্যাপকতার কোনো তথ্য ছিল না। হামলার আগে ইসরাইল কী ধরনের গোয়েন্দা তথ্য পেয়েছিল এবং কোন সতর্কসংকেতগুলো উপেক্ষিত হয়েছিল—এ নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত অন্যান্য প্রতিবেদনেও একই ধরনের তথ্য উঠে এসেছে।
এদিকে নেতানিয়াহু আগে দাবি করেছিলেন, হামলার কয়েক মাস আগে আব্বাস কামেলের সঙ্গে তার কোনো কথা হয়নি।
এ ছাড়া সাম্প্রতিক অন্যান্য প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানও ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে নেতানিয়াহুকে সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন।
তবে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর মন্তব্যের অনুরোধে নেতানিয়াহুর কার্যালয়, মিসর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

