Logo
Logo
×

Advertisement

আন্তর্জাতিক

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থ চেষ্টা: এক সপ্তাহ পর কথা বলছেন ক্রিস্টা পাইক

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৫ এএম

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থ চেষ্টা: এক সপ্তাহ পর কথা বলছেন ক্রিস্টা পাইক

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্রিস্টা পাইক। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে প্রাণঘাতী ইনজেকশন দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার প্রায় এক সপ্তাহ পর জ্ঞান ফিরেছে ক্রিস্টা পাইকের। ৫০ বছর বয়সী এই মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারী এখন কথা বলতে পারছেন এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দেওয়া এক বিবৃতিতে পাইকের আইনজীবীরা জানান, ৩০ সেপ্টেম্বর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় দুই ডোজ পেন্টোবারবিটাল দেওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে তাকে ন্যাশভিলের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়।

আইনজীবীরা বলেন, ‘সব প্রতিকূলতার পরও ক্রিস্টা পাইক জ্ঞান ফিরে পেয়েছেন, কথা বলছেন এবং এখনো গুরুতর চিকিৎসা নিচ্ছেন। আর ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় তার দুই হাত ফুলে যাওয়া, পুড়ে যাওয়া ও ফোসকা পড়ার মতো গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 


তাদের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পাইকের সুস্থ হয়ে ওঠার বিষয়টি চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে নজিরবিহীন। তবে তার পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা এখনো স্পষ্ট নয় এবং দীর্ঘ সময় চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

এর আগে আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর পাইক অচেতন অবস্থায় ভেন্টিলেটরে ছিলেন। প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেওয়ার সময় তিনি ব্যথা অনুভব করার কথাও জানিয়েছিলেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে আসে। একপর্যায়ে তার শরীর ঢেকে রাখা চাদর সরিয়ে লাথি মারতে এবং পরে নাক ডাকতে দেখা যায় বলেও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ক্রিস্টা পাইককে ১৯৯৬ সালে সহপাঠী কলিন স্লেমারকে হত্যায় অংশ নেওয়ার দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। হত্যাকাণ্ডের সময় তার বয়স ছিল ১৮ বছর। মামলায় তার আরও দুই সহযোগী ছিলেন, তবে তারা তুলনামূলক কম সাজা পান।

পাইকের আইনজীবীরা দীর্ঘদিন ধরে তার মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যার বিষয়টি তুলে ধরে মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমানোর আবেদন করে আসছিলেন। অন্যদিকে নিহত স্লেমারের পরিবার হত্যাকাণ্ডের ভয়াবহতার কথা উল্লেখ করে পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পক্ষে অবস্থান নেয়।


পাইককে প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থ চেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ডের পদ্ধতি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, দেশটিতে প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেওয়ার পরও বেঁচে যাওয়া প্রথম ব্যক্তি তিনি।

মৃত্যুদণ্ডবিরোধীরা বলছেন, নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় ত্রুটি, বিলম্ব বা প্রশাসনিক ব্যর্থতার কারণে কোনো মৃত্যুদণ্ড ব্যর্থ হলে তা অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রণা ও শারীরিক কষ্ট তৈরি করতে পারে।

ডেথ পেনাল্টি ইনফরমেশন সেন্টারের হিসাবে, গবেষক অস্টিন সারাটের তথ্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ১৮৯০ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে কার্যকর হওয়া মৃত্যুদণ্ডের প্রায় ৩ শতাংশকে ‘ব্যর্থ’ বা ত্রুটিপূর্ণ মৃত্যুদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

নতুন কর্মস্থলে যোগ দিচ্ছেন ক্যারোলিন লেভিট

নতুন কর্মস্থলে যোগ দিচ্ছেন ক্যারোলিন লেভিট

আবেদন ফি ছাড়াই মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন, সুযোগ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের

আবেদন ফি ছাড়াই মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন, সুযোগ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের

যে তথ্য না দিলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা আবেদন বাতিল হতে পারে

যে তথ্য না দিলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা আবেদন বাতিল হতে পারে

ইনফ্লুয়েন্সার টেইটের ডিভাইসে ১৬৮ আপত্তিকর ছবি-ভিডিও, আদালতে নতুন তথ্য

ইনফ্লুয়েন্সার টেইটের ডিভাইসে ১৬৮ আপত্তিকর ছবি-ভিডিও, আদালতে নতুন তথ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে পতন

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে পতন

সৌদিতে থাকা মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র

সৌদিতে থাকা মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র

আরও পড়ুন

কৃষ্ণ সাগরে তেলবাহী জাহাজে ড্রোন হামলা, ২৩ ভারতীয় নাবিক উদ্ধার

কৃষ্ণ সাগরে তেলবাহী জাহাজে ড্রোন হামলা, ২৩ ভারতীয় নাবিক উদ্ধার

হুথিদের ওপর বর্বরতা, সৌদি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ

হুথিদের ওপর বর্বরতা, সৌদি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ

রাশিয়ার ড্রোন হামলা মোকাবিলায় ইউক্রেনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

রাশিয়ার ড্রোন হামলা মোকাবিলায় ইউক্রেনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থ চেষ্টা: এক সপ্তাহ পর কথা বলছেন ক্রিস্টা পাইক

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থ চেষ্টা: এক সপ্তাহ পর কথা বলছেন ক্রিস্টা পাইক

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম