Logo
Logo
×

Advertisement

ইসলাম ও জীবন

হারাম উপার্জনের টাকা দিয়ে মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণ: শরিয়তের দৃষ্টিতে কতটুকু বৈধ?

Advertisement

Icon

ইসলাম ও জীবন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৬ পিএম

হারাম উপার্জনের টাকা দিয়ে মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণ: শরিয়তের দৃষ্টিতে কতটুকু বৈধ?

নির্মাণাধীন মসজিদ। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

মসজিদ আল্লাহর ইবাদতের স্থান, আর মাদ্রাসা দ্বীনি শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চার অন্যতম কেন্দ্র। এসব প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, নির্মাণ ও পরিচালনার জন্য মুসলমানরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে দান-সদকা করেন। কিন্তু কখনো কখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আসে যে— ঘুষ, সুদ, প্রতারণা, আত্মসাৎ কিংবা অন্য কোনো অসদুপায়ে অর্জিত অর্থ দিয়ে মসজিদ নির্মাণ, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা, কুরআন শরিফ ক্রয় বা দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা করা যাবে কি?

অনেকে মনে করেন, হারাম উপার্জনের টাকা মসজিদ-মাদ্রাসায় ব্যয় করলে তা পবিত্র হয়ে যায়। আবার কেউ কেউ ধারণা করেন, এমন অর্থ দিয়ে কোনো ভালো কাজ করলেও দাতার কোনো সওয়াব হবে না এবং অর্থটি গ্রহণ করাও সব অবস্থায় নিষিদ্ধ। অথচ এ বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা বুঝতে হলে অর্থটি কীভাবে অর্জিত হয়েছে, তার প্রকৃত মালিক কে এবং অর্থের সঙ্গে কারও অধিকার জড়িত আছে কি না—এসব বিষয় বিবেচনা করা জরুরি।

পবিত্র কুরআন ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিসের আলোকে বিষয়টি বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, অসদুপায়ে অর্জিত অর্থ মসজিদ-মাদ্রাসায় ব্যয় করলেই তা বৈধ বা পবিত্র হয়ে যায় না। তবে অর্থের উৎস ও মালিকানার ধরন অনুযায়ী এর বিধান ভিন্ন হতে পারে।

১. পবিত্র কুরআনের নির্দেশনা: হালাল উপার্জন ও পবিত্র সম্পদ ব্যয়

ইসলামে শুধু ভালো কাজে অর্থ ব্যয় করাই যথেষ্ট নয়; অর্থের উৎসও বৈধ হতে হবে। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেন—

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَنْفِقُوا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا كَسَبْتُمْ وَمِمَّا أَخْرَجْنَا لَكُمْ مِنَ الْأَرْضِ

‘হে মুমিনগণ! তোমরা যা উপার্জন করেছ, তার পবিত্র বস্তুগুলো থেকে এবং আমি তোমাদের জন্য ভূমি থেকে যা উৎপন্ন করেছি, তা থেকে ব্যয় কর।’ (সুরা আল-বাকারা: আয়াত ২৬৭)

এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা পবিত্র ও উত্তম সম্পদ থেকে ব্যয় করার নির্দেশ দিয়েছেন। সুতরাং হারাম উপায়ে অর্জিত অর্থ দিয়ে দান করলেই তা শরিয়তের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য হয়ে যায়—এমন ধারণার ভিত্তি নেই।

২. হারাম সম্পদ থেকে দান করলে কি সওয়াব পাওয়া যায়?

এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর একটি সুস্পষ্ট হাদিস রয়েছে। তাতে বলা হয়—

إِنَّ اللَّهَ طَيِّبٌ لَا يَقْبَلُ إِلَّا طَيِّبًا

‘নিশ্চয়ই আল্লাহ পবিত্র; তিনি পবিত্র বস্তু ছাড়া গ্রহণ করেন না।’ (মুসলিম ১০১৫)

এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে দান করতে হলে সম্পদও হালাল হওয়া প্রয়োজন। হারাম উপার্জনের অর্থ মসজিদ-মাদ্রাসায় ব্যয় করলেই তা নেক আমল হিসেবে কবুল হবে—এমন নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না।

অতএব, কেউ যদি হারাম অর্থ দিয়ে মসজিদ নির্মাণ করেন বা মাদ্রাসায় দান করেন, তাহলে শুধু দানের কাজটি সম্পন্ন হওয়ার কারণে তার হারাম উপার্জনের গুনাহ মাফ হয়ে গেছে—এ কথা বলা যাবে না। বরং তাকে নিজের উপার্জনের অবৈধ পথ থেকে ফিরে আসতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক দায় থাকলে তা যথাযথভাবে পরিশোধ করতে হবে।

৩. সুদ, ঘুষ ও প্রতারণার অর্থ মসজিদ-মাদ্রাসায় দেওয়া যাবে কি?

এ প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করে অর্থের প্রকৃত মালিকানা ও অর্জনের পদ্ধতির ওপর।

ক. অন্যের কাছ থেকে আত্মসাৎ করা অর্থ

কেউ যদি প্রতারণা, চুরি, আত্মসাৎ কিংবা জালিয়াতির মাধ্যমে অন্যের অর্থ গ্রহণ করেন, তাহলে সেই অর্থ প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া আবশ্যক। মালিক জীবিত থাকলে তাঁকে, আর তিনি মারা গেলে তাঁর বৈধ উত্তরাধিকারীদের অর্থ ফিরিয়ে দিতে হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন—

إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُكُمْ أَنْ تُؤَدُّوا الْأَمَانَاتِ إِلَىٰ أَهْلِهَا

‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন যে, তোমরা আমানত তার হকদারদের কাছে পৌঁছে দেবে।’ (সুরা আন-নিসা: আয়াত ৫৮)

এ ধরনের অর্থ দিয়ে মসজিদ-মাদ্রাসায় দান করা প্রকৃত মালিকের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার বিকল্প নয়। কারণ, অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করে তা জনকল্যাণে ব্যয় করলেও মালিকের হক নষ্ট করার দায় থেকে মুক্ত হওয়া যায় না।

খ. সুদের অর্থ

সুদ ইসলামে নিষিদ্ধ। আল্লাহ তাআলা বলেন—

وَأَحَلَّ اللَّهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا

‘আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন।’ (সুরা আল-বাকারা: আয়াত ২৭৫)

সুদ হিসেবে পাওয়া অর্থ নিজের বৈধ আয় হিসেবে ভোগ করা জায়েজ নয়। সুদের অর্থের ক্ষেত্রে মূলধনের মালিকানা এবং অতিরিক্ত অর্থের প্রকৃতি বিবেচনা করতে হবে। অতিরিক্ত সুদের অর্থ ফেরত দেওয়ার উপযুক্ত ব্যবস্থা না থাকলে তা থেকে দায়মুক্ত হওয়ার জন্য দরিদ্র বা জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করার বিষয়ে আলেমদের নির্দেশনা অনুসরণ করা যায়।

তবে সুদের অর্থ দিয়ে মসজিদ নির্মাণ, মসজিদের ব্যয় নির্বাহ কিংবা মাদ্রাসার ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনা করার বিধান নিয়ে বিস্তারিত ফিকহি আলোচনা রয়েছে। তাই নির্দিষ্ট অর্থের উৎস, চুক্তির ধরন এবং প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন বিবেচনা করে নির্ভরযোগ্য মুফতির পরামর্শ নেওয়া উচিত।

গ. ঘুষের অর্থ

ঘুষের মাধ্যমে অর্জিত অর্থও অবৈধ। ঘুষ গ্রহণ বা প্রদানের কারণে যদি কোনো ব্যক্তির অধিকার নষ্ট হয়, অন্যায়ভাবে সম্পদ হাতবদল হয় কিংবা রাষ্ট্রীয় বা ব্যক্তিগত সম্পদ আত্মসাৎ করা হয়, তাহলে সেই অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে।

ঘুষের অর্থ দিয়ে মসজিদ-মাদ্রাসায় দান করলে ঘুষ গ্রহণের গুনাহ দূর হয়ে যায় না। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির তওবা করা, অবৈধ লেনদেন থেকে ফিরে আসা এবং অন্যের অধিকার নষ্ট হয়ে থাকলে তা ফিরিয়ে দেওয়া আবশ্যক।

৪. হারাম অর্থ মসজিদ-মাদ্রাসায় দিলে প্রতিষ্ঠান কি তা গ্রহণ করতে পারবে?

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। হারাম উপার্জনকারী ব্যক্তির গুনাহ এবং সেই অর্থ গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের বিধান এক বিষয় নয়। অর্থটি চুরি বা আত্মসাতের মাধ্যমে অর্জিত হলে প্রকৃত মালিককে ফিরিয়ে দেওয়াই কর্তব্য। কোনো প্রতিষ্ঠান এমন অর্থ গ্রহণ করে ফেললেও তাতে মূল মালিকের অধিকার বাতিল হয়ে যায় না।

অন্যদিকে, কোনো অর্থের নির্দিষ্ট মালিককে ফেরত দেওয়া সম্ভব নয় এবং অর্থটি শরিয়তসম্মতভাবে নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন হলে, কিছু ক্ষেত্রে দরিদ্র বা জনকল্যাণমূলক খাতে তা ব্যয় করার অনুমতি রয়েছে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে অর্থটি দাতার নফল সদকা হিসেবে নয়; বরং অবৈধ সম্পদ থেকে দায়মুক্ত হওয়ার উদ্দেশ্যে ব্যয় করা হয়।

মসজিদ-মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষের উচিত, অর্থের উৎস সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য জানা থাকলে বিষয়টি উপেক্ষা না করা। বিশেষ করে অর্থটি কারও আত্মসাৎ করা সম্পদ হলে তা গ্রহণ না করে প্রকৃত মালিককে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

৫. হারাম উপার্জন থেকে মুক্ত হওয়ার সঠিক পদ্ধতি

কেউ যদি অতীতে অসদুপায়ে অর্থ উপার্জন করে থাকেন, তাহলে তাঁর করণীয় হলো—

  • হারাম উপার্জন বন্ধ করা: ঘুষ, সুদ, প্রতারণা, আত্মসাৎ কিংবা অন্য যেকোনো অবৈধ উপার্জনের পথ থেকে ফিরে আসতে হবে।
  • আন্তরিকভাবে তওবা করা: নিজের ভুলের জন্য অনুতপ্ত হতে হবে, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে এবং পুনরায় সেই গুনাহে না ফেরার দৃঢ় সংকল্প করতে হবে।
  • মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া: অর্থের প্রকৃত মালিক জানা থাকলে তাকে বা তার বৈধ উত্তরাধিকারীদের সম্পদ ফিরিয়ে দিতে হবে। সরাসরি ফেরত দেওয়া সম্ভব না হলে শরিয়তসম্মত উপায় জানতে আলেমের পরামর্শ নিতে হবে।
  • মালিক অজানা হলে করণীয় নির্ধারণ: যথাযথ চেষ্টা করেও মালিককে খুঁজে পাওয়া না গেলে সংশ্লিষ্ট অর্থ কীভাবে নিষ্পত্তি করতে হবে, তা নির্ভরযোগ্য আলেমের পরামর্শে নির্ধারণ করতে হবে।
  • ভবিষ্যতে হালাল উপার্জনে অভ্যস্ত হওয়া: শুধু হারাম অর্থ দান করাই যথেষ্ট নয়; জীবিকার উৎসকে হালাল করাও তওবার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

৬. একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

কোনো ব্যক্তির সম্পদের উৎস সম্পর্কে শুধু সন্দেহ বা গুজবের ভিত্তিতে তাকে হারাম উপার্জনকারী বলা উচিত নয়। আবার কোনো অর্থের উৎস যে নিশ্চিতভাবে অবৈধ, তা জানা থাকা সত্ত্বেও শুধু দানের উদ্দেশ্য ভালো বলে তা গ্রহণ করাও যথার্থ নয়।

প্রতিটি ক্ষেত্রে অর্থের প্রকৃতি, মালিকানা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অধিকার এবং শরিয়তের বিধান বিবেচনা করতে হবে। বিশেষত মসজিদ-মাদ্রাসার মতো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অর্থ গ্রহণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, সততা ও শরয়ি সতর্কতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

মসজিদ নির্মাণ, মাদ্রাসার উন্নয়ন কিংবা দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে অর্থ ব্যয় করা নিঃসন্দেহে মহৎ কাজ। কিন্তু সেই মহৎ উদ্দেশ্য পূরণের জন্য অবৈধ উপার্জনের অর্থকে বৈধ মনে করার সুযোগ নেই ইসলামে। অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করে তা মসজিদে দান করলে প্রকৃত মালিকের অধিকার আদায় হয় না; সুদ, ঘুষ ও প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দান করলেও সংশ্লিষ্ট গুনাহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যায় না।

তাই আমাদের সবার উচিত, দানের পরিমাণ বাড়ানোর পাশাপাশি উপার্জনের পবিত্রতার প্রতিও সমান গুরুত্ব দেওয়া। আর কোনো ব্যক্তির কাছে অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ থাকলে, তা দিয়ে নিজের সুনাম বৃদ্ধি বা সওয়াব অর্জনের চেষ্টা না করে প্রথমে শরিয়তসম্মতভাবে সেই অর্থের দায় থেকে মুক্ত হওয়ার ব্যবস্থা করা উচিত।

মনে রাখতে হবে, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য শুধু ভালো কাজে অর্থ ব্যয় করাই যথেষ্ট নয়; অর্থটি হালাল পথে অর্জিত হওয়াও জরুরি। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে হালাল উপার্জন, পবিত্র সম্পদ থেকে দান এবং মানুষের অধিকার যথাযথভাবে আদায় করার তৌফিক দান করুন। আমিন।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

স্ত্রী দাম্পত্য অধিকার আদায় করতে না পারলে দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে কি?

স্ত্রী দাম্পত্য অধিকার আদায় করতে না পারলে দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে কি?

যানবাহনে নামাজ আদায়ের সঠিক পদ্ধতি ও শরয়ি বিধান

যানবাহনে নামাজ আদায়ের সঠিক পদ্ধতি ও শরয়ি বিধান

অর্থনৈতিক বেইনসাফি, শিশু সুরক্ষা ও আলেম সমাজ: সংকট ও উত্তরণের উপায়

অর্থনৈতিক বেইনসাফি, শিশু সুরক্ষা ও আলেম সমাজ: সংকট ও উত্তরণের উপায়

কুরআন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নিয়ন্ত্রণহীন স্কুলবাসের ১৯ শিশুকে বাঁচান যুবক

কুরআন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নিয়ন্ত্রণহীন স্কুলবাসের ১৯ শিশুকে বাঁচান যুবক

হিফজুল হাদিস প্রতিযোগিতায় ঢাকা দক্ষিণ থেকে নির্বাচিত ৮ জন

সৌদি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ হিফজুল হাদিস প্রতিযোগিতায় ঢাকা দক্ষিণ থেকে নির্বাচিত ৮ জন

জোহরের ফরজের আগের ৪ রাকাত সুন্নত ছুটে গেলে করণীয় কী?

জোহরের ফরজের আগের ৪ রাকাত সুন্নত ছুটে গেলে করণীয় কী?

আরও পড়ুন

স্ত্রী দাম্পত্য অধিকার আদায় করতে না পারলে দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে কি?

স্ত্রী দাম্পত্য অধিকার আদায় করতে না পারলে দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে কি?

হারাম উপার্জনের টাকা দিয়ে মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণ: শরিয়তের দৃষ্টিতে কতটুকু বৈধ?

হারাম উপার্জনের টাকা দিয়ে মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণ: শরিয়তের দৃষ্টিতে কতটুকু বৈধ?

যানবাহনে নামাজ আদায়ের সঠিক পদ্ধতি ও শরয়ি বিধান

যানবাহনে নামাজ আদায়ের সঠিক পদ্ধতি ও শরয়ি বিধান

কালো জাদু থেকে রক্ষা পেতে যেসব আমল করবেন

কালো জাদু থেকে রক্ষা পেতে যেসব আমল করবেন

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম