Logo
Logo
×

Advertisement

ইসলাম ও জীবন

স্ত্রী দাম্পত্য অধিকার আদায় করতে না পারলে দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে কি?

Advertisement

Icon

ইসলাম ও জীবন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪২ পিএম

স্ত্রী দাম্পত্য অধিকার আদায় করতে না পারলে দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে কি?

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

বিবাহিত জীবনে স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই কিছু অধিকার ও দায়িত্ব রয়েছে। একটি সুন্দর দাম্পত্য সম্পর্ক গড়ে ওঠে পারস্পরিক ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, দায়িত্ববোধ, সহনশীলতা এবং একে অপরের অধিকার আদায়ের মাধ্যমে। কিন্তু কখনো কখনো দাম্পত্য জীবনে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, যখন স্ত্রী অসুস্থতা, শারীরিক দুর্বলতা, মানসিক সমস্যা কিংবা অন্য কোনো কারণে স্বামীর দাম্পত্য চাহিদা পূরণ করতে পারেন না। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ, অনীহা কিংবা সম্পর্কের দূরত্বও এ সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

এমন পরিস্থিতিতে অনেক স্বামীর মনে প্রশ্ন জাগে— স্ত্রী যদি তার দাম্পত্য অধিকার যথাযথভাবে আদায় করতে না পারেন, তাহলে কি তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারবেন? ইসলাম কি এ ক্ষেত্রে তাকে অনুমতি দিয়েছে? দ্বিতীয় বিয়ে করতে হলে কী কী শর্ত মানতে হবে? প্রথম স্ত্রীর অধিকার, ভরণপোষণ ও মানসিক অবস্থার প্রতি স্বামীর দায়িত্বই বা কী?

ইসলাম মানুষের স্বাভাবিক চাহিদাকে অস্বীকার করে না; আবার কোনো চাহিদা পূরণের অজুহাতে অন্যের প্রতি জুলুম করার অনুমতিও দেয় না। তাই এ বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হলে পবিত্র কুরআন, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিস এবং ইসলামের ন্যায়বিচার ও পারিবারিক দায়িত্বসংক্রান্ত নির্দেশনা জানা জরুরি।

১. স্ত্রী দাম্পত্য অধিকার আদায় করতে না পারলে দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি আছে কি?

ইসলামে একজন পুরুষের জন্য নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে একাধিক বিয়ের অনুমতি রয়েছে। তবে এই অনুমতি নিছক ইচ্ছাপূরণের অবাধ সুযোগ নয়; বরং এর সঙ্গে ন্যায়বিচার, দায়িত্ব পালন এবং স্ত্রীর অধিকার সংরক্ষণের শর্ত জড়িত। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেন—

فَانكِحُوا مَا طَابَ لَكُم مِّنَ النِّسَاءِ مَثْنَىٰ وَثُلَاثَ وَرُبَاعَ ۖ فَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تَعْدِلُوا فَوَاحِدَةً

‘অতএব, নারীদের মধ্যে যাদের তোমাদের ভালো লাগে, তাদের বিয়ে কর দুই, তিন অথবা চারজনকে। কিন্তু যদি আশঙ্কা করো যে, তোমরা ন্যায়বিচার করতে পারবে না, তাহলে একজনকেই বিয়ে কর।’ (সুরা আন-নিসা: আয়াত ৩)

এই আয়াত থেকে বোঝা যায়, ইসলাম একজন পুরুষকে সর্বোচ্চ চারজন স্ত্রী পর্যন্ত বিবাহের অনুমতি দিয়েছে, তবে ন্যায়বিচার করতে না পারার আশঙ্কা থাকলে একজন স্ত্রীতেই সীমাবদ্ধ থাকার নির্দেশ দিয়েছে।

অতএব, স্ত্রী দাম্পত্য অধিকার আদায় করতে না পারলে স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে করার সুযোগ থাকতে পারে; তবে শুধু এই কারণেই দ্বিতীয় বিয়ে করা আবশ্যক হয়ে যায় না। পরিস্থিতি, স্ত্রীর অক্ষমতার কারণ, স্বামীর সামর্থ্য এবং উভয়ের অধিকার বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

এখানে আরও একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ: স্ত্রী অসুস্থতা, শারীরিক অক্ষমতা কিংবা অনিচ্ছাকৃত কোনো সমস্যার কারণে স্বামীর চাহিদা পূরণ করতে না পারলে তাকে দোষারোপ করা বা অপমান করা উচিত নয়। বরং প্রথমে সমস্যার কারণ বোঝা, চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা উচিত।

২. স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই দাম্পত্য অধিকার রয়েছে

ইসলামে দাম্পত্য সম্পর্ক একতরফা অধিকারভিত্তিক নয়। স্বামীর যেমন স্ত্রীর ওপর অধিকার রয়েছে, তেমনি স্ত্রীরও স্বামীর ওপর অধিকার রয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন—

وَلَهُنَّ مِثْلُ الَّذِي عَلَيْهِنَّ بِالْمَعْرُوفِ

‘আর নারীদের জন্যও ন্যায়সংগতভাবে তেমন অধিকার রয়েছে, যেমন তাদের ওপর দায়িত্ব রয়েছে।’ (সুরা আল-বাকারা: আয়াত ২২৮)

এই আয়াতের শিক্ষা হলো, দাম্পত্য জীবনে প্রত্যেকের অধিকার ও দায়িত্বকে ন্যায়সংগতভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। স্বামী নিজের চাহিদার কথা বলবেন, কিন্তু স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা, মানসিক স্বস্তি ও বাস্তব সীমাবদ্ধতাও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন।

দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে অসুস্থতা, ব্যথা, প্রসব-পরবর্তী জটিলতা, মানসিক চাপ কিংবা অন্য কোনো বাস্তব সমস্যা থাকলে তা সমাধানের জন্য আন্তরিক উদ্যোগ নেওয়া উচিত। কোনো সমস্যা থাকলেই স্ত্রীকে অবাধ্য বা অধিকারহরণকারী আখ্যা দেওয়া সঠিক নয়।

৩. স্ত্রী স্বামীর দাম্পত্য চাহিদা পূরণ করতে না পারলে কী করণীয়?

দ্বিতীয় বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন।

ক. সমস্যার প্রকৃত কারণ জানা

স্ত্রী কেন দাম্পত্য চাহিদা পূরণ করতে পারছেন না, তা বোঝার চেষ্টা করতে হবে। এর পেছনে শারীরিক অসুস্থতা, হরমোনজনিত সমস্যা, ব্যথা, মানসিক উদ্বেগ, দাম্পত্য কলহ কিংবা অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে।

সমস্যাটি চিকিৎসাযোগ্য হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আন্তরিক আলোচনা ও পারস্পরিক সহযোগিতাও অনেক ক্ষেত্রে সমস্যার সমাধান করতে পারে।

খ. স্ত্রীর সঙ্গে সম্মানজনক আলোচনা

দাম্পত্য জীবনের সংবেদনশীল বিষয়গুলো নিয়ে অপমান, হুমকি কিংবা চাপ প্রয়োগ না করে শান্তভাবে আলোচনা করা উচিত। স্ত্রীকে নিজের কষ্ট ও সীমাবদ্ধতা প্রকাশের সুযোগ দিতে হবে। একইভাবে স্বামীর অনুভূতি ও প্রয়োজনের কথাও সম্মানের সঙ্গে আলোচনা করা প্রয়োজন।

গ. পারিবারিক বা পেশাগত পরামর্শ গ্রহণ

সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্বস্ত পারিবারিক মধ্যস্থতাকারী, অভিজ্ঞ আলেম, দাম্পত্য পরামর্শদাতা কিংবা চিকিৎসকের সহায়তা নেওয়া যেতে পারে। লক্ষ্য হওয়া উচিত সম্পর্কের উন্নতি এবং উভয়ের অধিকার রক্ষা করা।

ঘ. দ্বিতীয় বিয়ের সিদ্ধান্তে দায়িত্ব বিবেচনা

সব চেষ্টা সত্ত্বেও সমস্যার সমাধান না হলে স্বামী দ্বিতীয় বিয়ের কথা বিবেচনা করতে পারেন। তবে তাকে ভাবতে হবে, তিনি দুই সংসারের ভরণপোষণ, বাসস্থান, সময় বণ্টন এবং অন্যান্য আবশ্যক অধিকার যথাযথভাবে আদায় করতে পারবেন কি না।

শুধু নিজের চাহিদা পূরণের কথা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিলে চলবে না; এর সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের অধিকার ও ভবিষ্যৎও বিবেচনা করতে হবে।

৪. দ্বিতীয় বিয়ে করলে স্ত্রীদের মধ্যে ন্যায়বিচার করা কি বাধ্যতামূলক?

হ্যাঁ। একাধিক স্ত্রী থাকলে তাদের মধ্যে ন্যায়সংগত আচরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। আল্লাহ তাআলা বলেন—

وَلَنْ تَسْتَطِيعُوا أَنْ تَعْدِلُوا بَيْنَ النِّسَاءِ وَلَوْ حَرَصْتُمْ ۖ فَلَا تَمِيلُوا كُلَّ الْمَيْلِ فَتَذَرُوهَا كَالْمُعَلَّقَةِ

‘তোমরা যতই আগ্রহী হও না কেন, স্ত্রীদের মধ্যে পুরোপুরি সমতা রক্ষা করতে কখনোই সক্ষম হবে না। সুতরাং তোমরা একদিকে সম্পূর্ণভাবে ঝুঁকে পড়ো না, যার ফলে অন্য স্ত্রীকে ঝুলন্ত অবস্থায় রেখে দাও।’ (সুরা আন-নিসা: আয়াত ১২৯)

এখানে মানুষের অন্তরের ভালোবাসা ও অনুভূতিতে সম্পূর্ণ সমতা আনা সম্ভব না হওয়ার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে, স্বামী ইচ্ছামতো একজন স্ত্রীকে অবহেলা করতে পারবেন।

বাস্তব ও নিয়ন্ত্রণযোগ্য বিষয়ে; যেমন— ভরণপোষণ, বাসস্থান, পালাক্রমে রাতযাপন এবং প্রাপ্য অধিকার— সবক্ষেত্রে ন্যায়বিচার করতে হবে। একজন স্ত্রীকে অবহেলা করে অন্যজনকে সব সুযোগ-সুবিধা দেওয়া কিংবা প্রথম স্ত্রীকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে রাখা ইসলামের ন্যায়বিচারের শিক্ষার পরিপন্থী।

৫. স্ত্রীদের সঙ্গে ভালো আচরণের বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নির্দেশনা

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

خَيْرُكُمْ خَيْرُكُمْ لِأَهْلِهِ، وَأَنَا خَيْرُكُمْ لِأَهْلِي

‘তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই উত্তম, যে তার পরিবারের কাছে উত্তম। আর আমি আমার পরিবারের কাছে তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম।’ (তিরমিজি ৩৮৯৫)

এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, একজন পুরুষের উত্তম চরিত্রের অন্যতম পরিচয় হলো পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সুন্দর আচরণ করা। তাই স্ত্রী দাম্পত্য চাহিদা পূরণ করতে না পারলেও স্বামীর উচিত নয় তাঁকে অপমান করা, নির্যাতন করা কিংবা তাঁর প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা।

দ্বিতীয় বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলেও প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ, আর্থিক দায়িত্ব পালন এবং তার প্রাপ্য অধিকার সংরক্ষণ করতে হবে।

৬. দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি কি শরিয়তগতভাবে আবশ্যক?

এ বিষয়ে শরিয়তের বিধান এবং দেশের প্রচলিত আইনকে আলাদাভাবে বুঝতে হবে।

ইসলামি ফিকহের সাধারণ বিধান অনুযায়ী, দ্বিতীয় বিয়ের বৈধতার জন্য প্রথম স্ত্রীর সম্মতিকে সর্বাবস্থায় বিয়ের অপরিহার্য শর্ত হিসেবে গণ্য করা হয় না। তবে এর অর্থ এই নয় যে, প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে প্রতারণা করা, তার অধিকার নষ্ট করা কিংবা তাকে কষ্ট দেওয়ার বিষয়টি উপেক্ষা করা যাবে। দাম্পত্য জীবনে পরামর্শ, সততা ও ন্যায়বিচার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে, বাংলাদেশে প্রচলিত আইনে বিদ্যমান বিবাহ চলাকালে আরেকটি বিয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ বিধান রয়েছে। মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ৬ ধারায় সালিশি পরিষদের পূর্বানুমতির বিধান উল্লেখ আছে। তাই বাংলাদেশে বসবাসকারী ব্যক্তির ক্ষেত্রে দ্বিতীয় বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে প্রযোজ্য আইনি শর্ত, অনুমতির প্রক্রিয়া এবং সম্ভাব্য আইনগত পরিণতি সম্পর্কে আইনজীবী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

অর্থাৎ, কোনো কাজের শরিয়তগত বৈধতা এবং দেশের আইন অনুযায়ী তা সম্পাদনের পদ্ধতি—দুটি পৃথক বিষয়; উভয়টিই বিবেচনা করা প্রয়োজন।

৭. স্ত্রী দাম্পত্য অধিকার দিতে অক্ষম হলে তাকে কি তালাক দিতে হবে?

না, স্ত্রী দাম্পত্য চাহিদা পূরণ করতে না পারলেই তাকে তালাক দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মূল্যায়ন কেবল একটি বিষয় দিয়ে করা উচিত নয়। পারস্পরিক ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ, সন্তানদের কল্যাণ, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক এবং সমস্যার সমাধানের সম্ভাবনাও বিবেচনা করতে হবে।

যদি চিকিৎসা, আলোচনা ও পরামর্শের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সম্ভব হয়, তাহলে সম্পর্ক রক্ষা করার চেষ্টা করা যেতে পারে। আবার দীর্ঘস্থায়ী অমিলের কারণে সংসার টিকিয়ে রাখা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়লে শরিয়তসম্মত অন্যান্য পথও বিবেচনা করা যেতে পারে।

ইসলাম কাউকে অন্যায়ভাবে কষ্ট দেওয়ার অনুমতি দেয় না। তাই দ্বিতীয় বিয়ে, তালাক কিংবা অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অধিকার, বাস্তব পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য পরিণতি বিবেচনা করা জরুরি।

স্ত্রী দাম্পত্য অধিকার আদায় করতে না পারলে স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে করার সুযোগ ইসলামে রয়েছে, তবে তা দায়িত্বহীনভাবে বা শুধু ব্যক্তিগত চাহিদার অজুহাতে গ্রহণ করার বিষয় নয়। এর সঙ্গে ন্যায়বিচার, আর্থিক সামর্থ্য, স্ত্রীর অধিকার এবং পারিবারিক দায়িত্বের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

প্রথমেই স্বামীর উচিত স্ত্রীর সমস্যার কারণ বোঝা, প্রয়োজন হলে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা। এরপরও সমস্যার সমাধান না হলে দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে—তবে দুই স্ত্রীর অধিকার আদায় এবং প্রযোজ্য আইন মেনে চলার সামর্থ্য থাকতে হবে।

মনে রাখতে হবে, দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি যেমন ইসলামে রয়েছে, তেমনি ন্যায়বিচার, দায়িত্ব পালন ও উত্তম আচরণের নির্দেশনাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। একজন প্রকৃত মুমিনের দায়িত্ব হলো নিজের অধিকার আদায়ের পাশাপাশি অন্যের অধিকারও যথাযথভাবে রক্ষা করা।

আল্লাহ তাআলা আমাদের দাম্পত্য জীবনকে ভালোবাসা, রহমত, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ন্যায়বিচারে পরিপূর্ণ করুন। আমিন।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

ভুলবশত নাপাক কাপড়ে একাধিক ওয়াক্তের নামাজ পড়লে কি তা আদায় হবে?

ভুলবশত নাপাক কাপড়ে একাধিক ওয়াক্তের নামাজ পড়লে কি তা আদায় হবে?

হারাম উপার্জনের টাকা দিয়ে মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণ: শরিয়তের দৃষ্টিতে কতটুকু বৈধ?

হারাম উপার্জনের টাকা দিয়ে মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণ: শরিয়তের দৃষ্টিতে কতটুকু বৈধ?

যানবাহনে নামাজ আদায়ের সঠিক পদ্ধতি ও শরয়ি বিধান

যানবাহনে নামাজ আদায়ের সঠিক পদ্ধতি ও শরয়ি বিধান

রাশমিকা-বিজয় দম্পতির বিচ্ছেদের গুঞ্জন, নেপথ্যে কী?

রাশমিকা-বিজয় দম্পতির বিচ্ছেদের গুঞ্জন, নেপথ্যে কী?

কুরআন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নিয়ন্ত্রণহীন স্কুলবাসের ১৯ শিশুকে বাঁচান যুবক

কুরআন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নিয়ন্ত্রণহীন স্কুলবাসের ১৯ শিশুকে বাঁচান যুবক

ক্যারিয়ার, বিয়ে, সন্তান—কেন বিশের কোঠার শেষ বছরগুলো এতটা কঠিন মনে হয়?

ক্যারিয়ার, বিয়ে, সন্তান—কেন বিশের কোঠার শেষ বছরগুলো এতটা কঠিন মনে হয়?

আরও পড়ুন

ভুলবশত নাপাক কাপড়ে একাধিক ওয়াক্তের নামাজ পড়লে কি তা আদায় হবে?

ভুলবশত নাপাক কাপড়ে একাধিক ওয়াক্তের নামাজ পড়লে কি তা আদায় হবে?

স্ত্রী দাম্পত্য অধিকার আদায় করতে না পারলে দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে কি?

স্ত্রী দাম্পত্য অধিকার আদায় করতে না পারলে দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে কি?

হারাম উপার্জনের টাকা দিয়ে মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণ: শরিয়তের দৃষ্টিতে কতটুকু বৈধ?

হারাম উপার্জনের টাকা দিয়ে মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণ: শরিয়তের দৃষ্টিতে কতটুকু বৈধ?

যানবাহনে নামাজ আদায়ের সঠিক পদ্ধতি ও শরয়ি বিধান

যানবাহনে নামাজ আদায়ের সঠিক পদ্ধতি ও শরয়ি বিধান

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম