সোসাইটির মসজিদে বহিরাগতদের জুমায় বাধা, নামাজ কি সহিহ হবে?
Advertisement
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৭ এএম
ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সোসাইটির মসজিদে জুমার নামাজ পড়তে পারবেন না— এমন কোনো সাধারণ নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে নিরাপত্তার কারণে বহিরাগতদের প্রবেশে যাচাই-বাছাই করা কিংবা মসজিদ পূর্ণ হয়ে গেলে অতিরিক্ত মুসল্লিদের ফিরিয়ে দেওয়া যাবে। এতে জুমার নামাজের শুদ্ধতা নষ্ট হবে না বলে এক ফতোয়ায় জানানো হয়েছে।
‘সোসাইটির মসজিদে বহিরাগতদের জুমার নামাজে অংশগ্রহণের বিধান’ শীর্ষক ফতোয়াটি প্রকাশিত হয়েছে ১৮ আগস্ট ২০২৬। এতে প্রশ্ন করা হয়, কোনো সোসাইটির অধীনে থাকা মসজিদে জুমার নামাজ চালুর পর নিরাপত্তা ও নিয়মকানুন বজায় রাখতে বাইরের লোকদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা যাবে কি না। মসজিদ পূর্ণ হয়ে গেলে বহিরাগতদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার বৈধতা নিয়েও জানতে চাওয়া হয়।
জবাবে ঢাকার পল্লবীর জামিয়া দারুল উলুম আল ইসলামিয়ার ফতোয়া বিভাগের মুফতি মুহাম্মাদ আশরাফুল আলম বলেন, জুমার নামাজ সহিহ হওয়ার জন্য ‘ইযনে আম’ বা সাধারণভাবে প্রবেশের অনুমতি থাকা জরুরি। তবে এর অর্থ এই নয় যে পৃথিবীর সব মানুষের জন্য মসজিদের দরজা উন্মুক্ত রাখতে হবে। বরং সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের জুমায় অংশগ্রহণের সাধারণ সুযোগ নিশ্চিত করাই এর উদ্দেশ্য।
ফতোয়ায় বলা হয়, সোসাইটির বাসিন্দাদের জন্য মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ের সাধারণ অনুমতি থাকলে নিরাপত্তা ও নিয়মকানুনের স্বার্থে বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। যাচাই-বাছাই করে বাইরের মুসল্লিদের প্রবেশের অনুমতি দিলেও ‘ইযনে আম’-এর শর্ত পূরণে সমস্যা নেই।
আর মসজিদে জায়গা না থাকলে অতিরিক্ত বহিরাগতদের প্রবেশে বাধা দেওয়াকে অপারগতার বিষয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ কারণে জুমার নামাজের শুদ্ধতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না বলে মত দিয়েছেন ফতোয়াদাতা।
নিজের মতের পক্ষে ‘আল-বাহরুর রায়েক’ ও ‘রদ্দুল মুহতার’সহ হানাফি ফিকহের কয়েকটি গ্রন্থের উদ্ধৃতি দিয়েছেন মুফতি মুহাম্মাদ আশরাফুল আলম।

-6ae42160c155d.jpg)