পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া মানেই কি জীবন ব্যর্থ? ইসলাম কী বলে
Advertisement
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৯ এএম
ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া মানেই কি জীবনে ব্যর্থতা, নাকি এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে কোনো পরীক্ষা? জীবনের নানা প্রতিকূলতা, হতাশা ও ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে মানুষকে ধৈর্য ধারণের শিক্ষা দেয় ইসলাম। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে বিপদ-আপদে হতাশ না হয়ে আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা, ধৈর্য ধরা এবং চেষ্টা অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পবিত্র কোরআনের সুরা আল-বাকারার ১৫৫ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তা’আলা বলেন, ‘আমি তোমাদের অবশ্যই পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং ধন-সম্পদ, জীবন ও ফল-ফসলের ক্ষয়ক্ষতির মাধ্যমে। আর ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও।
এই আয়াত থেকে বোঝা যায়, মানুষের জীবনে নানা ধরনের কঠিন পরিস্থিতি আসতে পারে। সেসব পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধারণ করা মুমিনের অন্যতম গুণ। একজন মুসলিমের উচিত ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা।
কোরআনের সুরা আল-বাকারার ১৫৩ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।
অর্থাৎ জীবনের কঠিন সময়ে হতাশ না হয়ে ধৈর্য ও ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য চাইতে হবে। পরীক্ষায় খারাপ ফল হলে নিজের প্রস্তুতি, পড়াশোনার পদ্ধতি ও ভুলগুলো পর্যালোচনা করে নতুনভাবে শুরু করাও জরুরি।
এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ হাদিস রয়েছে। আবু সাঈদ খুদরি (রা.) ও আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.) বলেছেন, কোনো মুসলিমের ওপর ক্লান্তি, অসুস্থতা, দুশ্চিন্তা, দুঃখ, কষ্ট কিংবা বিপদ এলে— এমনকি একটি কাঁটা ফুটলেও আল্লাহ এর মাধ্যমে তার কিছু গুনাহ ক্ষমা করে দেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস ৫৬৪১-৫৬৪২)।
অন্যদিকে, সুরা আশ-শারহের ৫ ও ৬ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই কষ্টের সঙ্গে স্বস্তি রয়েছে।’
