Logo
Logo
×

Advertisement

ইসলাম ও জীবন

মনের অজান্তে যেসব গুনাহে জড়িয়ে পড়ি আমরা: বাঁচার উপায় কী?

Advertisement

Icon

ইসলাম ও জীবন ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৮ পিএম

মনের অজান্তে যেসব গুনাহে জড়িয়ে পড়ি আমরা: বাঁচার উপায় কী?

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

গুনাহ বা পাপের কথা ভাবলে সাধারণত আমরা বড় বড় অপরাধের কথা মনে করি। অথচ দৈনন্দিন জীবনের নানা কথা, ছোটখাটো আচরণ ও অসচেতন অভ্যাসের মধ্যেও বহু গুনাহ লুকিয়ে থাকে, যেগুলোকে আমরা সহজে গুরুত্ব দিই না। আড্ডায় বসে অন্যের দোষ নিয়ে আলোচনা করা, যাচাই না করে কোনো তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া কিংবা ভালো কাজ করে মানুষের প্রশংসা পাওয়ার আশা করা— এমনি নানা আচরণ আমাদের মনের অজান্তেই নেক আমল নষ্ট করে দেয়।

আবার কিছু ভুল মানুষ না বুঝেই করে বসেন, আবার কিছু অভ্যাস এমন হয়ে যায় যে বুঝতে পারলেও তা সহজে ত্যাগ করা যায় না। তাই নিজের আচরণ, কথাবার্তা ও নিয়ত পর্যালোচনার সময় এসেছে। নিচে এমন ৭টি সাধারণ গুনাহের কথা আলোচনা করা হলো, যেগুলোতে মানুষ মনের অজান্তেই সবচেয়ে বেশি জড়িয়ে পড়েন।

১. অন্যের দোষ নিয়ে আলোচনা করা (গিবত)

কাউকে অনুপস্থিত রেখে তার এমন কোনো দোষ নিয়ে আলোচনা করা, যা শুনলে তিনি কষ্ট পাবেন—এটিই হলো গিবত। আড্ডা, পারিবারিক আলাপ কিংবা কর্মক্ষেত্রে এমন ঘটনা প্রায়ই ঘটে। কথাটি সত্য হলেও তা গিবতের অন্তর্ভুক্ত। হাদিসে পাকে এসেছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

 «أَتَدْرُونَ مَا الْغِيبَةُ؟» قَالُوا: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ. قَالَ: «ذِكْرُكَ أَخَاكَ بِمَا يَكْرَهُ». قِيلَ: أَفَرَأَيْتَ إِنْ كَانَ فِي أَخِي ما أَقُولُ؟ قَالَ: «إِنْ كَانَ فِيهِ مَا تَقُولُ فَقَدِ اغْتَبْتَهُ، وَإِنْ لَمْ يَكُنْ فِيهِ فَقَدْ بَهَتَّهُ»

‘তোমরা কি জানো গিবত কী? সাহাবিরা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসুল ভালো জানেন। তিনি বললেন, ‘তোমার ভাইয়ের এমন কিছু আলোচনা করা, যা সে অপছন্দ করে. জিজ্ঞাসা করা হলো, আমি যা বলছি তা যদি আমার ভাইয়ের মধ্যে সত্যিই থাকে? তিনি বললেন, ‘যা বলছ তা যদি তার মধ্যে থাকে, তবে তুমি তার গিবত করলে; আর তা না থাকলে তুমি তার ওপর অপবাদ (বহুতান) চাপালে।’ (মুসলিম ২৫৮৯)

কুরআনে গিবত করাকে মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়ার মতো জঘন্য অপরাধের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন—

وَلَا يَغْتَب بَّعْضُكُم بَعْضًا ۚ أَيُحِبُّ أَحَدُكُمْ أَن يَأْكُلَ لَحْمَ أَخِيهِ مَيْتًا فَكَرِهْتُمُوهُ

‘...আর একে অপরের গিবত কর না। তোমাদের কেউ কি তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে পছন্দ করবে? মূলত তোমরা তো একে ঘৃণাই কর...।’ (সুরা হুজরাত: আয়াত ১২)

অবশ্য অত্যাচারের প্রতিকার চাওয়া বা অন্যায় থেকে কাউকে সতর্ক করার মতো বিশেষ ও বৈধ প্রয়োজনে নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে কারও দোষ উল্লেখ করা জায়েজ রয়েছে।

করণীয়: কারও অনুপস্থিতিতে তার বিষয়ে কোনো কথা বলার আগে ভাবুন, তা বলা সত্যিই প্রয়োজন কি না। প্রয়োজন না থাকলে তাৎক্ষণিকভাবে সে আলোচনা বন্ধ করুন।

২. ঠাট্টার ছলে কাউকে অপমান করা

মজার ছলে কারও শারীরিক গঠন, পরিবার, আর্থিক অবস্থা, উচ্চারণ বা ব্যক্তিগত কোনো দুর্বলতা নিয়ে বিদ্রূপ করা গুনাহের কারণ হতে পারে। ইসলামে কাউকে অবমূল্যায়ন করার কোনো সুযোগ নেই। পবিত্র কুরআনের নির্দেশ—

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا يَسْخَرْ قَوْمٌ مِّن قَوْمٍ عَسَىٰ أَن يَكُونُوا خَيْرًا مِّنْهُمْ وَلَا نِسَاءٌ مِّن نِّسَاءٍ عَسَىٰ أَن يَكُنَّ خَيْرًا مِّنْهُنَّ ۖ وَلَا تَلْمِزُوا أَنفُسَكُمْ وَلَا تَنَابَزُوا بِالْأَلْقَابِ

‘হে মুমিনগণ, কোনো সম্প্রদায় যেন অন্য সম্প্রদায়কে উপহাস না করে; হতে পারে তারা উপহাসকারীদের চেয়ে উত্তম। আর কোনো নারীও যেন অন্য নারীকে উপহাস না করে; হতে পারে তারা উপহাসকারিণীদের চেয়ে উত্তম। আর তোমরা একে অপরের দোষত্রুটি খুঁজে বেড়িও না এবং একে অপরের মন্দ উপনামে ডেকো না...।’ (সুরা হুজরাত: আয়াত ১১)

মজা করার যুক্তিতে কাউকে ছোট করা বা কষ্ট দেওয়ার দায় কখনো এড়ানো যায় না। কাউকে মন্দ নামে ডাকাও এই নিষেধের অন্তর্ভুক্ত।

করণীয়: কাউকে ছোট করে বা কষ্ট দিয়ে যে কোনো ধরনের ঠাট্টা পরিহার করুন। ভুলবশত কাউকে কষ্ট দিয়ে ফেললে তাৎক্ষণিকভাবে তার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিন।

৩. যাচাই না করে কথা বা তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম (ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ) বা মুখে শোনা কথা সত্যতা যাচাই না করে দ্রুত ছড়িয়ে দেওয়া অনেকের একটি বদঅভ্যাস। অনেকে সতর্ক করার উদ্দেশ্যে বা সওয়াবের আশায় বানোয়াট তথ্য কিংবা জাল হাদিসও শেয়ার করে ফেলেন। কিন্তু মিথ্যা তথ্য বা বানোয়াট কথা প্রচার করা অত্যন্ত গুরুতর গুনাহ। পবিত্র কুরআনের নির্দেশ

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِن جَاءَكُمْ فَاسِقٌ بِنَبَإٍ فَتَبَيَّنُوا أَن تُصِيبُوا قَوْمًا بِجَهَالَةٍ فَتُصْبِحُْوا عَلَىٰ مَا فَعَلْتُمْ نَادِمِينَ

‘হে মুমিনগণ, কোনো পাপাচারী ব্যক্তি যদি তোমাদের কাছে কোনো সংবাদ নিয়ে আসে, তবে তোমরা তা ভালোভাবে যাচাই করে দেখবে, পাছে অজ্ঞতাবশত তোমরা কোনো সম্প্রদায়ের ক্ষতি করে ফেল এবং পরবর্তীতে নিজেদের কৃতকর্মের জন্য লজ্জিত হও।’ (সুরা হুজরাত: আয়াত ৬)

হাদিসে পাকে এসেছে—

كَفَى بِالْمَرْءِ كَذِبًا أَنْ يُحَدِّثَ بِكُلِّ مَا سَمِعَ

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কোনো ব্যক্তির মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শোনে (যাচাই না করে) তা-ই বলে বেড়ায়।’ (মুসলিম ৫)

করণীয়: যেকোনো তথ্য বা ধর্মীয় বার্তা শেয়ার করার আগে তার সত্যতা ও নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করুন। তথ্য নির্ভরযোগ্য না হলে তা কোনোভাবেই ছড়াবেন না।

৪. অন্যের গোপন বিষয় জানার চেষ্টা করা

আড়ি পেতে অন্যের কথা শোনা, অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত বার্তা বা ডায়েরি পড়া কিংবা কারও ব্যক্তিগত গোপন বিষয় খুঁজে বেড়ানো অনেকের কাছে সাধারণ মনে হলেও এটি মারাত্মক অপরাধ।পবিত্র কুরআনের নির্দেশ—

وَلَا تَجَسَّسُوا

‘...আর তোমরা একে অপরের গোপনীয় বিষয় অনুসন্ধান কর না...।’ (সুরা হুজরাত: আয়াত ১২)

কারও ব্যক্তিগত ছবি, বার্তা বা গোপন তথ্য অনুমতি ছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া তার সম্মানহানি ও গোপনীয়তা লঙ্ঘনের শামিল, যা কবিরা গুনাহ।

করণীয়: অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে অযথা নাক গলানো থেকে বিরত থাকুন। কারও কোনো ব্যক্তিগত তথ্য বা ছবি তার অনুমতি ছাড়া প্রকাশ বা শেয়ার করবেন না।

৫. মানুষের প্রশংসা পাওয়ার জন্য আমল করা (রিয়া)

নামাজ, রোজা, দান-সদকা বা যেকোনো ভালো কাজ আল্লাহর সন্তুষ্টির বদলে মানুষের প্রশংসা বা খ্যাতি অর্জনের উদ্দেশ্যে করা হলো ‘রিয়া’ বা লোকরঞ্জন। এটি এমন এক সূক্ষ্ম ব্যাধি, যা মানুষ অনেক সময় নিজের অন্তরেও টের পান না। হাদিসে পাকে এসেছে—

قَالَ اللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى: أَنَا أَغْنَى الشُّرَكَاءِ عَنِ الشِّرْكِ، مَنْ عَمِلَ عَمَلًا أَشْرَكَ فِيهِ مَعِي غَيْرِي تَرَكْتُهُ وَشِرْكَهُ

‘আল্লাহ তাআলা কুদসি হাদিসে ইরশাদ করেন, আমি সব অংশীদারের শিরক থেকে মুক্ত। যে ব্যক্তি এমন কোনো আমল করে যাতে সে আমার সঙ্গে অন্য কাউকে শরিক করে, আমি তাকে ও তার শিরককে বর্জন করি।’ (মুসলিম ২৯৮৫)

অবশ্য মানুষের সামনে ভালো কাজ করলেই যে রিয়া হয়ে যায়, বিষয়টি এমন নয়; মূল বিষয় হলো মানুষের ভেতরের ‘নিয়ত’।

করণীয়: যেকোনো ভালো কাজ করার আগে ও পরে নিজের নিয়ত বারবার যাচাই করুন। লোকদেখানো মনোভাব পরিহার করে যথাসম্ভব কিছু নফল ইবাদত গোপনে করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

৬. প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা রক্ষা না করা

কাউকে কোনো সহযোগিতার কথা দেওয়া কিংবা নির্দিষ্ট সময়ে কোনো কাজ করে দেওয়ার ওয়াদা করে ইচ্ছাকৃতভাবে কথা না রাখা অন্যের মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। পবিত্র কুরআনের নির্দেশ—

وَأَوْفُوا بِالْعَهْدِ ۖ إِنَّ الْعَهْدَ كَانَ مَسْئُولًا

‘...আর তোমরা অঙ্গীকার পূর্ণ কর। নিশ্চয়ই অঙ্গীকার সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’ (সুরা বনি ইসরাইল: আয়াত ৩৪)

বাস্তব কোনো অনিবার্য কারণে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা সম্ভব না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে তা আগেই পরিষ্কারভাবে জানানো এবং তার ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা জরুরি।

করণীয়: নিজের সামর্থ্য ও পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রতিশ্রুতি দিন। কোনো কারণে কথা রাখতে না পারলে দেরি না করে দ্রুত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বিষয়টি জানিয়ে দিন।

৭. অন্যের অধিকার বা হক নষ্ট করাকে ছোট করে দেখা

অন্যের অধিকার নষ্ট করা মানেই কেবল বিশাল অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ করা নয়; বরং কারও পাওনা মজুরি আটকে রাখা, সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও সময়মতো দেনা পরিশোধ না করা, কর্মচারীর হক না দেওয়া কিংবা অনুমতি ছাড়া অন্যের কোনো জিনিস ব্যবহার করাও এর অন্তর্ভুক্ত। পবিত্র কুরআনের নির্দেশ—

وَلَا تَأْكُلُوا أَمْوَالَكُم بَيْنَكُم بالْبَاطِلِ

‘আর তোমরা নিজেদের মধ্যে একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না...।’ (সুরা বাকারা: আয়াত ১৮৮)

হাদিসে পাকে এসেছে—

مَنْ كَانَتْ لَهُ مَظْلَمَةٌ لِأَخِيهِ مِنْ عِرْضِهِ أَوْ شَيْءٍ فَلْيَتَحَلَّلْهُ مِنْهُ الْيَوْمَ، قَبْلَ أَنْ لَا يَكُونَ دِينَارٌ وَلَا دِرْهَمٌ، إِنْ كَانَ لَهُ عَمَلٌ صَالِحٌ أُخِذَ مِنْهُ بِقَدْرِ مَظْلَمَتِهِ، وَإِنْ لَمْ تَكُنْ لَهُ حَسَنَاتٌ أُخِذَ مِنْ سَيِّئَاتِ صَاحِبِهِ فَحُمِلَ عَلَيْهِ

‘রাসুলুল্লাহ (সা.) সতর্ক করে বলেছেন, কারো কাছে যদি তার ভাইয়ের সম্মানহানি বা অন্য কোনো বিষয়ে জুলুমের পাওনা থাকে, তবে সে যেন আজই (দুনিয়াতেই) তার কাছ থেকে মাফ করিয়ে নেয়। এমন দিন আসার আগে, যেদিন কোনো দিনার বা দিরহাম থাকবে না (অর্থাৎ কিয়ামতের দিন)। সেদিন জালিমের কাছে নেক আমল থাকলে তার জুলুমের পরিমাণ অনুযায়ী তা থেকে কেটে মজলুমকে দিয়ে দেওয়া হবে। আর জালিমের যদি কোনো নেক আমল না থাকে, তবে মজলুমের গুনাহগুলো এনে জালিমের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে।’ (বুখারি ২৪৪৯)

করণীয়: কারও কাছে কোনো পাওনা থাকলে তা অবিলম্বে পরিশোধ করুন। অতীতে কারও হক নষ্ট করে থাকলে তার কাছ থেকে মাফ চেয়ে নিন কিংবা হক বুঝিয়ে দিন।

নিজের ভুল বা অজ্ঞতাবশত হয়ে যাওয়া গুনাহগুলো অনুধাবন করতে পারা আত্মশুদ্ধি ও সংশোধনের প্রথম ধাপ। প্রতিদিনের কথাবার্তা, আচার-আচরণ ও মনের নিয়ত নিয়মিত পর্যালোচনা করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য। মনের অজান্তে কোনো ভুল বা গুনাহ হয়ে গেলে অনুতপ্ত হৃদয়ে অবিলম্বে আল্লাহর কাছে তওবা করুন। কারো হক নষ্ট হয়ে থাকলে তা ফিরিয়ে দিয়ে নিজেকে দায়মুক্ত করুন। আল্লাহ তাআলা তওবাকারীদের ভালোবাসেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে—

إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ التَّوَّابِينَ وَيُحِبُّ الْمُطَهَّرِينَ

‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারীদের ভালোবাসেন এবং ভালোবাসেন অধিক পবিত্রতা অর্জনকারীদের।’ (সুরা বাকারা: আয়াত ২২২)

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

জুমার খুতবা চলাকালে কথা বলা ও অন্যান্য ভুলের শরয়ি বিধান

জুমার খুতবা চলাকালে কথা বলা ও অন্যান্য ভুলের শরয়ি বিধান

জুমার নামাজের সূচনা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

জুমার নামাজের সূচনা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

জুমা আদায়কারীর জন্য নবীজির (সা.) সুসংবাদ

জুমা আদায়কারীর জন্য নবীজির (সা.) সুসংবাদ

সোসাইটির মসজিদে বহিরাগতদের জুমায় বাধা, নামাজ কি সহিহ হবে?

সোসাইটির মসজিদে বহিরাগতদের জুমায় বাধা, নামাজ কি সহিহ হবে?

‘জুমা মোবারক’ বলা কি সুন্নত, ইসলামি ফতোয়ায় যা বলা হয়েছে

‘জুমা মোবারক’ বলা কি সুন্নত, ইসলামি ফতোয়ায় যা বলা হয়েছে

বিনা কারণে টানা ৩ জুমা না পড়লে কী হয়, ইসলামে যা বলা হয়েছে

বিনা কারণে টানা ৩ জুমা না পড়লে কী হয়, ইসলামে যা বলা হয়েছে

আরও পড়ুন

মনের অজান্তে যেসব গুনাহে জড়িয়ে পড়ি আমরা: বাঁচার উপায় কী?

মনের অজান্তে যেসব গুনাহে জড়িয়ে পড়ি আমরা: বাঁচার উপায় কী?

জুমার খুতবা চলাকালে কথা বলা ও অন্যান্য ভুলের শরয়ি বিধান

জুমার খুতবা চলাকালে কথা বলা ও অন্যান্য ভুলের শরয়ি বিধান

জুমার নামাজের সূচনা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

জুমার নামাজের সূচনা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

জুমা আদায়কারীর জন্য নবীজির (সা.) সুসংবাদ

জুমা আদায়কারীর জন্য নবীজির (সা.) সুসংবাদ

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম