কিডনির পাথর প্রতিরোধে কলার মোচা
Advertisement
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৪ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কলার মোচা ও থোড় গ্রামীন একটি জনপ্রিয় খাবার। দিন দিন এর কদর বাড়ছে। প্রক্রিয়াজাত খাবারের কারণে অনেকেই এই পুষ্টিকর খাবার ফেলে দিতেন। বর্তমান সময়ে কলার মোচা ও থোড়ের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। স্বাস্থ্যসচেতনরা এখন এই খাবার বেশি খাচ্ছেন।
কলার মোচা ও থোড়ের উপকারিতা
কলার মোচা ও থোড়ের তরকারি অ্যানিমিয়া বা রক্ত স্বল্পতা দূর করে, প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে, যা রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। এতে রয়েছে উচ্চমাত্রার ফাইবার বা আঁশ, যা রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যেতে দেয় না। ফলে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি একটি আদর্শ সবজি।
মোচার ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং পরিপাকতন্ত্রকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। কলার থোড়ের রস কিডনির পাথর প্রতিরোধে এবং লিভার সুস্থ রাখতেও ভূমিকা রাখে। ক্যালোরির পরিমাণ খুবই কম কিন্তু পেট অনেকক্ষণ ভরিয়ে রাখে এই খাবার, যা ওজন কমানোর জন্য সহায়ক। এতে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং হৃদযন্ত্র ভালো রাখে।
মোচা আর থোড় কিন্তু এক নয়
দুটি সবজিই কলাগাছের সম্পূর্ণ ভিন্ন অংশ। মোচা হলো কলাগাছের ফুল। কলার ছড়া বের হওয়ার আগে বা পরে যে গাঢ় লাল-বেগুনি রঙের অংশটি ঝুলে থাকে, সেটাই মোচা। আর কলার থোড় হলো কলাগাছের ভেতরের নরম সাদা মজ্জা বা কাণ্ড। কলাগাছ কেটে ফেলার পর তার ভেতরের আঁশযুক্ত অংশটি বের করে খাওয়া হয়।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেন, মোচা-থোড় দুটিই নির্ভেজাল সবজি। এগুলো আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং সুস্থ জীবনধারা বজায় রাখতে দারুণ সাহায্য করে। থোড় ধীরে হজম হওয়ায় অনেক সময় না খেয়ে থাকা যায়। এটি পুষ্টিগুণ ও আয়রনসমৃদ্ধ খাবার। এ খাবারে কোনো কীটনাশক নেই। ধীরে ধীরে এই খাবারের চাহিদা বাড়ছে।
