Logo
Logo
×

Advertisement

লাইফ স্টাইল

টাইফয়েডের ৭টি লক্ষণ: যেসব উপসর্গ অবহেলা করলেই বাড়তে পারে বিপদ

Advertisement

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪১ পিএম

টাইফয়েডের ৭টি লক্ষণ: যেসব উপসর্গ অবহেলা করলেই বাড়তে পারে বিপদ

ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

টাইফয়েড একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ, যার জন্য দায়ী Salmonella Typhi নামের ব্যাকটেরিয়া। দূষিত খাবার বা পানি গ্রহণের মাধ্যমে এটি শরীরে প্রবেশ করে এবং রক্তপ্রবাহে ছড়িয়ে পড়তে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে লক্ষণগুলো চিনতে পারা, নিরাপদ খাদ্যাভ্যাস মেনে চলা এবং প্রয়োজনে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জেনে নিন টাইফয়েড জ্বরের সাতটি সাধারণ লক্ষণ, রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার উপায় এবং সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকার কার্যকর অভ্যাসগুলো।

একটানা জ্বর, মাথাব্যথা, ক্ষুধামন্দা কিংবা শরীরে অস্বাভাবিক দুর্বলতা—এসব উপসর্গকে অনেকেই সাধারণ জ্বর বা মৌসুমি অসুস্থতা ভেবে অবহেলা করেন। কিন্তু দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে ছড়ানো টাইফয়েড জ্বরের প্রাথমিক লক্ষণও হতে পারে এগুলো। সময়মতো রোগ শনাক্ত করে চিকিৎসা শুরু না করলে এই সংক্রমণ গুরুতর জটিলতা তৈরি করতে পারে।

টাইফয়েড জ্বরের ৭টি লক্ষণ, যা অবহেলা করা উচিত নয়

টাইফয়েডের লক্ষণ সাধারণত সংক্রমণের কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রকাশ পায়। অনেক ক্ষেত্রে সংক্রমণের পর লক্ষণ দেখা দিতে প্রায় ৬ থেকে ৩০ দিন সময় লাগতে পারে। উপসর্গের ধরন ও তীব্রতা ব্যক্তিভেদে আলাদা হতে পারে। সাধারণ জ্বরের সঙ্গে মিল থাকায় শুধু লক্ষণ দেখে নিশ্চিতভাবে টাইফয়েড শনাক্ত করা সম্ভব নয়।

১. একটানা বা ক্রমশ বাড়তে থাকা জ্বর

টাইফয়েডের অন্যতম প্রধান লক্ষণ হলো দীর্ঘস্থায়ী জ্বর। অনেক ক্ষেত্রে প্রথম দিকে জ্বর তুলনামূলক কম থাকলেও কয়েক দিনের মধ্যে তা বেড়ে যেতে পারে। শরীরের তাপমাত্রা ৩৯ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। জ্বরের সঙ্গে কাঁপুনি বা শীত শীত ভাবও দেখা দিতে পারে।

তবে উচ্চ জ্বর হলেই টাইফয়েড হয়েছে, এমনটি নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া এবং অন্যান্য সংক্রমণেও জ্বর হতে পারে। তাই দীর্ঘস্থায়ী জ্বর হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

২. মাথাব্যথা

টাইফয়েডে জ্বরের পাশাপাশি মাথাব্যথা একটি পরিচিত উপসর্গ। মাথা ভার লাগা, অস্বস্তি কিংবা দৈনন্দিন কাজে মনোযোগ দিতে অসুবিধা হতে পারে। তবে মাথাব্যথার পেছনে পানিশূন্যতা, অন্যান্য সংক্রমণসহ নানা কারণ থাকতে পারে। জ্বরের সঙ্গে মাথাব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হলে বিষয়টি অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৩. ক্ষুধামন্দা

টাইফয়েডে আক্রান্ত হলে অনেকের খাবারের প্রতি আগ্রহ কমে যায়। ক্ষুধামন্দার পাশাপাশি বমি বমি ভাব ও পেটে অস্বস্তি হতে পারে। ফলে স্বাভাবিকের তুলনায় কম খাওয়া হয় এবং শরীর দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।

সংক্রমণের কারণে শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়া এবং অসুস্থতাজনিত অস্বস্তি ক্ষুধা কমে যাওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই জ্বরের পাশাপাশি কয়েক দিন ধরে ক্ষুধা কমে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

৪. দুর্বলতা, অবসাদ ও ক্লান্তি

টাইফয়েডে শরীরের শক্তি কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ক্লান্তি, অবসাদ এবং স্বাভাবিক কাজ করতে অনীহা দেখা দিতে পারে। কখনো মাথা ঘোরা বা বমি বমি ভাবও থাকতে পারে।

জ্বর দীর্ঘস্থায়ী হলে এবং পর্যাপ্ত খাবার ও পানি গ্রহণ না করা গেলে দুর্বলতা আরও বাড়তে পারে। এ সময় বিশ্রাম নেওয়া, পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ করা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চলা গুরুত্বপূর্ণ।

৫. ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য ও বমি

টাইফয়েডে পরিপাকতন্ত্রের বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিতে পারে। কারও ডায়রিয়া হয়, আবার কারও কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। বমি বমি ভাব বা বমিও হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে ডায়রিয়া ও বমির প্রবণতা তুলনামূলক বেশি দেখা যেতে পারে।

বারবার পাতলা পায়খানা বা বমি হলে শরীর থেকে পানি ও লবণ বেরিয়ে গিয়ে পানিশূন্যতা তৈরি হতে পারে। তাই পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ জরুরি। পানিশূন্যতার লক্ষণ দেখা দিলে কিংবা বমি ও ডায়রিয়া তীব্র হলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে।

৬. পেটে ব্যথা বা অস্বস্তি

টাইফয়েডে পেটব্যথা, পেটে অস্বস্তি কিংবা পেট ফাঁপার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। কারও ক্ষেত্রে এর সঙ্গে ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যও থাকে।

সব ধরনের পেটব্যথাই টাইফয়েডের লক্ষণ নয়। তবে দীর্ঘস্থায়ী জ্বরের সঙ্গে পেটব্যথা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। বিশেষ করে পেটে তীব্র ব্যথা, পেট শক্ত হয়ে যাওয়া কিংবা পায়খানার সঙ্গে রক্ত গেলে জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে।

৭. শরীরে গোলাপি দাগ

টাইফয়েডে কিছু রোগীর শরীরের ধড় বা পেটের অংশে ছোট, সমতল, গোলাপি রঙের দাগ দেখা দিতে পারে। এগুলোকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে ‘রোজ স্পটস’ বলা হয়।

তবে সব রোগীর ক্ষেত্রে এই দাগ দেখা যায় না। আবার শরীরে গোলাপি দাগ হলেই টাইফয়েড হয়েছে, এমনটিও নয়। তাই দাগের পাশাপাশি জ্বর, দুর্বলতা ও অন্যান্য উপসর্গ বিবেচনা করে চিকিৎসকের মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করা জরুরি।

টাইফয়েড জ্বর কীভাবে শনাক্ত করা হয়?

টাইফয়েডের লক্ষণ অন্য অনেক সংক্রামক রোগের সঙ্গে মিলে যায়। তাই শুধু উপসর্গের ভিত্তিতে রোগ নিশ্চিত করা যায় না। চিকিৎসক রোগীর উপসর্গ, অসুস্থতার সময়কাল, ভ্রমণের ইতিহাস এবং সম্ভাব্য সংক্রমণের উৎস সম্পর্কে তথ্য নিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নির্ধারণ করেন।

রোগ নির্ণয়ে সাধারণত নিচের পরীক্ষাগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে—

  • রক্তের কালচার: টাইফয়েড শনাক্ত করার গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। এতে রক্তের নমুনা থেকে ব্যাকটেরিয়া শনাক্ত করার চেষ্টা করা হয়।
  • মলের কালচার: কিছু ক্ষেত্রে মলের নমুনা পরীক্ষা করে জীবাণু শনাক্ত করা যেতে পারে।
  • প্রস্রাবের কালচার: নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে এটি বিবেচনা করা হতে পারে, যদিও টাইফয়েড শনাক্ত করতে এ পরীক্ষার কার্যকারিতা তুলনামূলক সীমিত।

প্রথম পরীক্ষায় জীবাণু শনাক্ত না হলেও টাইফয়েড পুরোপুরি নাকচ করা যায় না। কখনো একাধিক নমুনা বা পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে। চিকিৎসক রোগীর অবস্থা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবেন।

টাইফয়েড জ্বরের চিকিৎসা কী?

টাইফয়েডের চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। তবে কোন অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর হবে, তা জীবাণুর ওষুধ-প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং রোগীর শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করা উচিত নয়।

চিকিৎসক প্রয়োজন অনুযায়ী কালচার পরীক্ষার ফল ও অন্যান্য তথ্য বিবেচনা করে ওষুধ নির্বাচন করেন। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ওষুধ গ্রহণ করা জরুরি। উপসর্গ কমে গেলেও নিজের সিদ্ধান্তে অ্যান্টিবায়োটিক বন্ধ করা উচিত নয়।

কিছু রোগীর ক্ষেত্রে প্রাথমিক পরীক্ষায় জীবাণু শনাক্ত না হলেও উপসর্গ ও অন্যান্য তথ্য বিবেচনা করে চিকিৎসক চিকিৎসা শুরু করতে পারেন। তবে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার সিদ্ধান্ত অবশ্যই চিকিৎসকের মূল্যায়নের ভিত্তিতে হওয়া উচিত।

টাইফয়েড জ্বর প্রতিরোধে যেসব অভ্যাস জরুরি

টাইফয়েড প্রতিরোধের অন্যতম কার্যকর উপায় হলো নিরাপদ পানি পান করা, স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ করা এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা। প্রতিদিনের কিছু অভ্যাস সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

১. নিরাপদ পানি পান করুন

পানির উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত না হলে সেই পানি সরাসরি পান করবেন না। প্রয়োজনে পানি ফুটিয়ে বা অনুমোদিত পদ্ধতিতে বিশুদ্ধ করে পান করুন। নিরাপদ উৎসের বোতলজাত পানিও ব্যবহার করা যেতে পারে।

২. খাবার তৈরির আগে ও পরে হাত ধুয়ে নিন

খাবার প্রস্তুত ও খাওয়ার আগে সাবান এবং নিরাপদ পানি দিয়ে হাত ধুতে হবে। বিশেষ করে শৌচাগার ব্যবহারের পর হাত ভালোভাবে পরিষ্কার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৩. পরিষ্কার ও ভালোভাবে রান্না করা খাবার খান

তাজা ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ করুন। খাবার ভালোভাবে রান্না করে খান এবং দীর্ঘ সময় খোলা অবস্থায় ফেলে রাখবেন না। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে তৈরি বা সংরক্ষণ করা খাবার এড়িয়ে চলুন।

৪. রান্নাঘর ও বাসনপত্র পরিষ্কার রাখুন

খাবার তৈরির স্থান, রান্নার সরঞ্জাম এবং থালাবাসন পরিষ্কার রাখুন। প্রয়োজন অনুযায়ী উপযুক্ত পরিষ্কারক ব্যবহার করুন। পরিষ্কারের রাসায়নিক যেন খাবার বা পানির সঙ্গে মিশে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখুন।

৫. বাইরের খাবার গ্রহণে সতর্ক থাকুন

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি খাবার, অপরিশোধিত পানি এবং অনিরাপদ বরফ এড়িয়ে চলুন। খাবারের উৎস ও প্রস্তুতপ্রণালির পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করুন।

৬. আক্রান্ত অবস্থায় অন্যের খাবার তৈরি করবেন না

টাইফয়েডে আক্রান্ত হলে বা চিকিৎসকের সন্দেহ থাকলে অন্যদের জন্য খাবার তৈরি ও পরিবেশন করা থেকে বিরত থাকুন। শৌচাগার ব্যবহারের পর হাত ধোয়া এবং চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে চলা জরুরি। সুস্থ বোধ করলেও শরীরে জীবাণু থেকে যেতে পারে, তাই প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী পরীক্ষা করাতে হবে।

৭. টিকা নেওয়ার বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

টাইফয়েড প্রতিরোধে টিকা একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। বয়স, স্বাস্থ্যগত অবস্থা ও স্থানীয় নির্দেশনা অনুযায়ী উপযুক্ত টিকা নেওয়ার বিষয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করা যেতে পারে। তবে টিকা নিলেও নিরাপদ পানি, খাবার ও পরিচ্ছন্নতার নিয়ম মেনে চলা জরুরি।

চিকিৎসা না নিলে কী ধরনের জটিলতা হতে পারে?

টাইফয়েডের যথাযথ চিকিৎসা না হলে অন্ত্রে রক্তক্ষরণ, অন্ত্রে ছিদ্র তৈরি হওয়া এবং মস্তিষ্কের কার্যক্রমে জটিলতা বা এনসেফালোপ্যাথির মতো গুরুতর সমস্যা দেখা দিতে পারে। এসব জটিলতা জীবনহানির কারণও হতে পারে।

অতীতে কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যাপক ব্যবহার শুরু হওয়ার আগে টাইফয়েডে মৃত্যুহার অনেক বেশি ছিল। বর্তমানে সময়মতো সঠিক চিকিৎসা পেলে অধিকাংশ রোগী সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং মৃত্যুঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। তাই চিকিৎসা নিতে দেরি করা উচিত নয়।

জ্বরের সঙ্গে তীব্র পেটব্যথা, পায়খানায় রক্ত, অস্বাভাবিক ঘুমঘুম ভাব, বিভ্রান্তি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া কিংবা পানিশূন্যতার গুরুতর লক্ষণ দেখা দিলে জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে।

টাইফয়েড প্রতিরোধযোগ্য, তবে অবহেলা করলে গুরুতর হয়ে উঠতে পারে এমন সংক্রামক রোগ। দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, মাথাব্যথা, ক্ষুধামন্দা, দুর্বলতা, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটব্যথা এবং শরীরে গোলাপি দাগ— এসব লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। তবে কোনো একটি লক্ষণ দেখেই টাইফয়েড হয়েছে বলে ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

নিরাপদ পানি পান, পরিচ্ছন্ন পরিবেশে তৈরি খাবার গ্রহণ, নিয়মিত হাত ধোয়া এবং প্রয়োজনে টিকা নেওয়ার মাধ্যমে সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। জ্বর দীর্ঘস্থায়ী হলে বা শরীরের অবস্থার অবনতি ঘটলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মনে রাখবেন, সচেতনতা, সময়মতো রোগ নির্ণয় এবং সঠিক চিকিৎসাই টাইফয়েডের জটিলতা এড়িয়ে সুস্থ হয়ে ওঠার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

টেস্টোস্টেরন কমে গেলে পুরুষের শরীরে যে ৭টি পরিবর্তন দেখা দেয়

টেস্টোস্টেরন কমে গেলে পুরুষের শরীরে যে ৭টি পরিবর্তন দেখা দেয়

কিসমিসে বাড়ে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা

কিসমিসে বাড়ে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা

হজম থেকে ওজন নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত ফুলকপি খাওয়ার যত উপকারিতা

হজম থেকে ওজন নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত ফুলকপি খাওয়ার যত উপকারিতা

শীত আসার আগেই শিশুদের গলাব্যথা ও টনসিলের সমস্যা? চিকিৎসার সঠিক উপায়

শীত আসার আগেই শিশুদের গলাব্যথা ও টনসিলের সমস্যা? চিকিৎসার সঠিক উপায়

২০ সেকেন্ডে রসুনের খোসা ছাড়াবেন যেভাবে

২০ সেকেন্ডে রসুনের খোসা ছাড়াবেন যেভাবে

বয়স অনুযায়ী কার কত ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন

বয়স অনুযায়ী কার কত ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন

আরও পড়ুন

জমি কেনার আগে যে ১০টি কাগজ যাচাই করা জরুরি

জমি কেনার আগে যে ১০টি কাগজ যাচাই করা জরুরি

পেটের চর্বি কি পুরুষের যৌনক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে?

পেটের চর্বি কি পুরুষের যৌনক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে?

টাইফয়েডের ৭টি লক্ষণ: যেসব উপসর্গ অবহেলা করলেই বাড়তে পারে বিপদ

টাইফয়েডের ৭টি লক্ষণ: যেসব উপসর্গ অবহেলা করলেই বাড়তে পারে বিপদ

টেস্টোস্টেরন কমে গেলে পুরুষের শরীরে যে ৭টি পরিবর্তন দেখা দেয়

টেস্টোস্টেরন কমে গেলে পুরুষের শরীরে যে ৭টি পরিবর্তন দেখা দেয়

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম