ঢাবিতে জমিদারি বিলুপ্ত দিবসে ‘মুক্তি উৎসব’, ব্রিটেনের বিচার দাবি
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ঐতিহাসিক বটতলায় এক ব্যতিক্রমী ‘মুক্তি উৎসব’ আয়োজনে ৭৬তম জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত দিবস পালিত হয়েছে।
বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে উৎসবে একদিকে জমিদারী নিপীড়নবিরোধী শহীদ ও বিপ্লবী নেতাদের শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। আরেকদিকে জমিদারী প্রথার প্রবর্তক লর্ড কর্নওয়ালিসের প্রতিকৃতিতে পাথর নিক্ষেপ করা হয়েছে। জমিদার নিয়োগ করে ভারতীয় উপমহাদেশের সম্পদ লুট ও পাচার করায় ব্রিটেনের বিচার ও তাদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের দাবি জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (১৫ মে) সকাল থেকেই বটতলা প্রাঙ্গণে এক উৎসবমুখর অথচ গভীর প্রতিবাদের সুর বেজে ওঠে। অনুষ্ঠানে হাতে রক্তের ছাপ এঁকে জমিদারী নিপীড়ন বিরোধী শহীদদের স্মরণ করা হয়।
গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয় দুই দশক ব্যাপী ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতা ও জমিদারী লড়াইয়ের নেতা ফকির মজনু শাহ, পণ্ডিত ভবানীচরণ পাঠক, বাবা তিলকা মাঝি, ফকির করম শাহ, টিপু শাহ, জানকুপাথর, দোবরাজপাথর, সৈয়দ মীর নিসার আলী তিতুমীর, হাজী শরীয়তুল্লাহ, মুহাম্মদ মুহসীনউদ্দীন দুদু মিয়া, খুদি মোল্লা, শেরে বাংলা আবুল কাসেম ফজলুল হক, খাজা নাজিমুদ্দিন ও মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকে।
উৎসবে এক প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে জমিদারী প্রথার প্রবর্তক লর্ড কর্নওয়ালিসের প্রতিকৃতিতে পাথর নিক্ষেপ করা হয়, যা বাংলাদেশের ঔপনিবেশিক শাসনের প্রতি তীব্র ঘৃণা ও অসম্মতি জ্ঞাপনকে তুলে ধরে।
অনুষ্ঠানস্থলে জমিদারী নিপীড়ন বিষয়ক চিত্র ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এই প্রদর্শনীতে প্রজাদের উপর জমিদারদের চাপানো ১৮ দফা নিপীড়ন এবং এজন্য ব্যবহৃত অস্ত্রের তালিকা তুলে ধরা হয়।
শুক্রবার (১৫ মে) সকাল থেকেই বটতলা প্রাঙ্গণে এক উৎসবমুখর অথচ গভীর প্রতিবাদের সুর বেজে ওঠে। অনুষ্ঠানে হাতে রক্তের ছাপ এঁকে জমিদারী নিপীড়ন বিরোধী শহীদদের স্মরণ করা হয়।
গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয় দুই দশক ব্যাপী ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতা ও জমিদারী লড়াইয়ের নেতা ফকির মজনু শাহ, পণ্ডিত ভবানীচরণ পাঠক, বাবা তিলকা মাঝি, ফকির করম শাহ, টিপু শাহ, জানকুপাথর, দোবরাজপাথর, সৈয়দ মীর নিসার আলী তিতুমীর, হাজী শরীয়তুল্লাহ, মুহাম্মদ মুহসীনউদ্দীন দুদু মিয়া, খুদি মোল্লা, শেরে বাংলা আবুল কাসেম ফজলুল হক, খাজা নাজিমুদ্দিন ও মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকে।
উৎসবে এক প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে জমিদারী প্রথার প্রবর্তক লর্ড কর্নওয়ালিসের প্রতিকৃতিতে পাথর নিক্ষেপ করা হয়, যা বাংলাদেশের ঔপনিবেশিক শাসনের প্রতি তীব্র ঘৃণা ও অসম্মতি জ্ঞাপনকে তুলে ধরে।
অনুষ্ঠানস্থলে জমিদারী নিপীড়ন বিষয়ক চিত্র ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এই প্রদর্শনীতে প্রজাদের উপর জমিদারদের চাপানো ১৮ দফা নিপীড়ন এবং এজন্য ব্যবহৃত অস্ত্রের তালিকা তুলে ধরা হয়।
