ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নতুন কমিটি আসতে পারে শিগগিরই, আলোচনায় যারা
Advertisement
যুগান্তর প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫০ পিএম
ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
মেয়াদোত্তীর্ণ ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের কমিটি বিলুপ্তির পর শুরু হয়েছে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে নানা সমীকরণ। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, যেকোনো সময় নতুন পূর্ণাঙ্গ বা আংশিক কমিটি ঘোষণা করতে পারে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। নতুন কমিটিতে পদ পেতে জোর লবিং ও তৎপরতা চালাচ্ছেন দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতারা।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। এরপর থেকেই রাজধানীর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত সরকারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে যারা রাজপথে সক্রিয় ছিলেন, হামলা-মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েও সংগঠনকে টিকিয়ে রেখেছেন এবং যাদের ক্লিন ইমেজ রয়েছে; তাদের এবার শীর্ষ নেতৃত্বে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং সাংগঠনিক দক্ষতার বিষয়টিকেও বিশেষভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। সদ্য বিলুপ্ত হওয়া কমিটির নেতাদের পাশাপাশি ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের নিয়েও আলোচনা হচ্ছে।
সভাপতি পদে আলোচনায় আছেন সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান রাজ, আইয়ুব আলী, তসলিম আহসান মাছুম, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম স্বপন, আদাবর থানা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফী উদ্দিন ফয়সাল প্রমুখ।
সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় আছেন সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান টিটু, তানভীর আহম্মেদ ইকরাম, আবু সালেহ চৌধুরী মানিক, সাবেক সদস্য ফরহাদ আলী সজীব, আরিফ হোসেন, ছাত্রদলের সাবেক নেতা মেহেদী হাসান রুয়েল, কামরুল ইসলাম, রফি উদ্দিন ফয়সাল প্রমুখ।
যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, যারা দুঃসময়ে দলকে আগলে রেখেছিলেন, হামলা-মামলা মাথায় নিয়েও রাজপথ ছাড়েননি এবং যাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ নেই; তাদেরই ঢাকা মহানগর উত্তরের হাল ধরার সুযোগ দেওয়া হবে। কারণ আগামী দিনের রাজনৈতিক লড়াইয়ে এই কমিটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সভাপতি পদপ্রত্যাশী মনিরুল ইসলাম স্বপন বলেন, ২০০৩ সাল থেকে যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছি। রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছি। ফ্যাসিবাদী আমলে নানাভাবে নির্যাতিত হয়েছি। তবে কখনো আন্দোলনের মাঠ ছাড়িনি। দলের দুঃসময়ে নেতা-কর্মীদের পাশে ছিলাম। আশা করি, দল আমাকে মূল্যায়ন করবে।

