মোবাইলে স্টারলিংক সেবা যেসব কাজে ব্যবহার করা যাবে
Advertisement
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল প্রযুক্তির অন্যতম সুবিধা হলো, প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে থাকলেও নির্দিষ্ট কিছু যোগাযোগসেবা ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া। ফলে দুর্গম এলাকা, সমুদ্র কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
যেসব কাজে ব্যবহার করা যাবে
বার্তা আদান-প্রদান: সেবাটির আওতায় সমর্থিত ব্যবস্থার মাধ্যমে এসএমএস ও নির্দিষ্ট অ্যাপে বার্তা পাঠানো এবং গ্রহণ করা যাবে।
নিজের অবস্থান জানানো: দুর্গম এলাকায় ভ্রমণ কিংবা সমুদ্রে কাজ করার সময় নিজের অবস্থান অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার সুবিধা পাওয়া যেতে পারে।
জরুরি যোগাযোগ: প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বিদ্যুৎ বিভ্রাট কিংবা প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পড়লে সীমিত পরিসরে যোগাযোগ বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে এই প্রযুক্তি।
সমুদ্র ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে যোগাযোগ: জেলে, পর্যটক, নৌযানে কর্মরত ব্যক্তি এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের বাসিন্দাদের জন্য স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল প্রযুক্তি বিশেষভাবে কার্যকর হতে পারে। প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের সংকেত না পাওয়া যায়- এমন এলাকায় এটি বিকল্প যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করতে পারে।
তবে স্টারলিংক মোবাইল সেবা মানেই সব ধরনের ইন্টারনেট ব্যবহারের নিশ্চয়তা নয়। ভিডিও কল, উচ্চগতির ইন্টারনেট কিংবা সব অ্যাপ ব্যবহারের সুবিধা পাওয়া যাবে কি না, তা নির্ভর করবে সেবাটির প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, সমর্থিত অ্যাপ ও অপারেটরের নির্ধারিত শর্তের ওপর।

