Logo
Logo
×

Advertisement

প্রথম পাতা

চাঁদা না দেওয়ায়

খুলনায় ক্লিনিকে হামলা ভাঙচুর দোকানিকে গুলি

Advertisement

Icon

খুলনা ব্যুরো

প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

খুলনায় ক্লিনিকে হামলা ভাঙচুর দোকানিকে গুলি

খুলনায় শনিবার রাতে সন্ধানী ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্স ভাঙচুর করছে দুর্বৃত্তরা -ভিডিও থেকে নেওয়া

Advertisement

খুলনায় সন্ধানী ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্সে শনিবার রাতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় এক রাউন্ড গুলি ছোড়ে তারা। একই রাতে নগরীর টুটপাড়া গাছতলা মন্দিরের সামনে ধনঞ্জয় কুন্ডু ওরফে আকাশ নামে এক মুদি দোকানিকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। পৃথক ঘটনায় নগরীজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ক্লিনিকে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ওই ক্লিনিকে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের দাবি, এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। হামলার নেপথ্যে চাঁদা দাবির অভিযোগ সামনে এলেও এ বিষয়ে ক্লিনিকের মালিকপক্ষের কেউ প্রকাশ্যে কথা বলতে রাজি হননি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুখোশ পরা ৮-১০ জন ব্যক্তি ক্লিনিকের ভেতরে ঢুকে প্রথমে অধ্যাপক ডা. কুতুবউদ্দিন মল্লিকের চেম্বারের সামনের কাচ ভাঙচুর করে।

পরে ডা. মোয়াজ্জেম হোসেনের চেম্বারের কাচ, চেয়ার-টেবিল এবং ক্যাশ কাউন্টারের সামনের কাচ ভেঙে ফেলে। এ সময় আউন্মোরক্ষায় দুই চিকিৎসক সরে যান। ক্লিনিকের ভেতরে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দুর্বৃত্তরা ক্লিনিকের রিপোর্ট প্রদানকারী ইকবাল হোসেনের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় ক্লিনিকের কর্মকর্তা সুরেশ রায় আহত হন।

ভাঙচুর শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় বাইরে থাকা মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য এক রাউন্ড গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা। পরে তারা বাবুখান রোডের দিকে চলে যায়। ক্লিনিকের সুপারভাইজার কল্যানী বলেন, রাতে স্বাভাবিকভাবে কাজ চলছিল। সাড়ে ৯টার দিকে মুখোশ পরা কয়েকজন ব্যক্তি ভাঙচুর করতে করতে ক্যাশ কাউন্টারের সামনে এসে হামলা চালায়।

হামলার বিষয়ে কথা বলতে চায়নি ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। সেখানকার চিকিৎসক কুতুব উদ্দিন মল্লিক বলেন, কেন এবং কি কারণে হামলা চালিয়েছে তা আমরা বলতে পারছি না। আমাদের কাছে কেউ চাঁদাও চায়নি।

তবে আশপাশের একাধিক ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিকের মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তাদের কাছ থেকে সন্ত্রাসী বাহিনী বি কোম্পানির নাম করে নিয়মিত চাঁদা দাবি করা হয়। বি কোম্পানির লোক এসে নিয়মিত চাঁদা নিয়ে যায়। ভয়ে পুলিশকে তারা কিছু জানাননি।

খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর ক্লিনিক কর্তৃপক্ষকে পাওয়া যায়নি। তাদের কাছ থেকে সহযোগিতাও পাওয়া যাচ্ছে না। পুলিশ সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ করে দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে। তারা হলেন-ট্যাংরোড এলাকার সন্ত্রাসী হীরা ও মনি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা বি কোম্পানির লোক বলে জানিয়েছে। এদিকে শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে নগরীর টুটপাড়া গাছতলায় দোকানে গুলিবিদ্ধ হন মুদি দোকানি ধনঞ্জয় কুন্ডু। তিনি ওই এলাকার শিবপদ কুন্ডুর ছেলে। মোটরসাইকেলে আসা দুই যুবক তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। একটি গুলি তার পেটে বিদ্ধ হয়। স্থানীয়রা তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। খুলনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লোকমান হোসেন রিপন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সেখান থেকে তাজা গুলি ও গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত ছাড়া এ বিষয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

পদোন্নতির তালিকায় অধিকাংশই আ.লীগপন্থি

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় পদোন্নতির তালিকায় অধিকাংশই আ.লীগপন্থি

চাঁদাবাজি বন্ধে আসছে নতুন আইন: আইজিপি

চাঁদাবাজি বন্ধে আসছে নতুন আইন: আইজিপি

খুলনায় মায়ের সামনেই মেয়ের মাথায় গুলি

খুলনায় মায়ের সামনেই মেয়ের মাথায় গুলি

সুন্দরবন দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

সুন্দরবন দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে বাদাম বিক্রেতা রাজুর স্বপ্নপূরণ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে বাদাম বিক্রেতা রাজুর স্বপ্নপূরণ

খুলনায় ‘ব্লেড বাবুর’ স্ত্রীকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা

খুলনায় ‘ব্লেড বাবুর’ স্ত্রীকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা

আরও পড়ুন

বিশ্বজুড়ে ইমেজ সংকট প্রশ্নবিদ্ধ বাংলাদেশিদের গ্রহণযোগ্যতা

প্রশ্নবিদ্ধ বাংলাদেশিদের গ্রহণযোগ্যতা

চার দিনের সফরে জাপানে প্রধানমন্ত্রী ২৫০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তির সম্ভাবনা

২৫০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তির সম্ভাবনা

স্থানীয় সরকার নির্বাচন জামায়াতের একলা চলো নীতিতে জোটে অসন্তোষ

জামায়াতের একলা চলো নীতিতে জোটে অসন্তোষ

অগ্নিগর্ভ ফ্রান্স, পুড়ছে ইউরোপ

অগ্নিগর্ভ ফ্রান্স, পুড়ছে ইউরোপ

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম