রাকসু নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা ও সিনেট অধিবেশনের দাবি আম্মারের
Advertisement
রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৭ পিএম
রাকসু নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা ও সিনেট অধিবেশনের দাবি আম্মারের
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) নির্বাচনের রোডম্যাপ ও তফশিল ঘোষণা এবং সিনেট অধিবেশনের দাবি জানিয়েছেন রাকসুর সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও নির্বাচিত সিনেট সদস্য সালাহউদ্দিন আম্মার।
রোববার (১ নভেম্বর) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহণ চত্বরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, দ্রুত নির্বাচন কমিশন গঠন করে পরবর্তী রাকসু নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করতে হবে। একই সঙ্গে নির্বাচিত সিনেট ছাত্রপ্রতিনিধিদের শপথ গ্রহণ এবং সিনেট অধিবেশন আহ্বান করতে হবে। এসব দাবিতে প্রশাসনের সদিচ্ছা না দেখলে শিক্ষার্থীদের নিয়ে আন্দোলনে যাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
তিনি বলেন, দীর্ঘ বিরতির পর অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা রাকসু পেয়েছেন। এই রাকসু সফল না ব্যর্থ, তা মূল্যায়নের জন্য আরেকটি রাকসু প্রয়োজন। পরবর্তী নির্বাচনের মাধ্যমে দুটি সংসদের কার্যক্রম তুলনা করে তাদের সাফল্য-ব্যর্থতা নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।
আম্মার অভিযোগ করেন, রাকসুর ষষ্ঠ অধিবেশন থেকে পরবর্তী নির্বাচনসংক্রান্ত কার্যক্রম তদারকিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষকে সাময়িক দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও পরে কোষাধ্যক্ষ নিজের এখতিয়ার নেই বলে জানিয়েছেন। ফলে নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব কার, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
ভর্তি পরীক্ষার অজুহাতে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ভর্তি পরীক্ষা ও রাকসু নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম আলাদা। একটির কারণে অন্যটি আটকে থাকার যৌক্তিকতা নেই। বর্তমান রাকসুর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পরবর্তী নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করা উচিত ছিল।
নির্বাচিত সিনেট প্রতিনিধিদের শপথ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনের এক বছর পার হলেও প্রশাসন বারবার আশ্বাস দিয়েও তা বাস্তবায়ন করেনি, যার ফলে নির্বাচিত হয়েও তারা দায়িত্ব পালন শুরু করতে পারছেন না।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত রাকসু নির্বাচনের নির্বাচিত সম্পাদকদের এক বছরের মেয়াদ শেষ হলেও পরবর্তী নির্বাচন আয়োজনের প্রাথমিক কার্যক্রম বা তফশিল এখনো ঘোষণা করেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
