চুয়েট উপাচার্যের ডাকা সিন্ডিকেট সভায় সদস্যদের উপস্থিতি কেমন ছিল?
Advertisement
চুয়েট প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৪ পিএম
ছবি: যুগান্তর
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে প্রায় একদিন ভর্তি থাকার পর বৃহস্পতিবার সার্কিট হাউসে ফিরে গেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। সেখানে ফিরেই সিন্ডিকেট সভা ডাকেন তিনি।
চুয়েটের বেশ কয়েকজন সিন্ডিকেট সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় অনলাইনে এ সভার আহ্বান করেছিলেন ভিসি। তবে সভায় চুয়েটের কোনো সিন্ডিকেট সদস্য অংশ নিয়েছেন কিনা তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।
এ বিষয়ে মোবাইলে চুয়েটের ৭ সিন্ডিকেট সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে দুজন ব্যতীত কেউ কল রিসিভ করেননি।
চুয়েটের স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রাশিদুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি পরিবার নিয়ে ছুটিতে আছি। তাই সভায় যোগ দেইনি।
আরেক সদস্য অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা কামাল বলেন, আমার মা অসুস্থ থাকায় সভায় অংশ নিতে পারিনি।
এদিকে ৪ জন এক্সটার্নাল সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে শুধুমাত্র জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাহিদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়েছে। তিনি সভায় অংশ নিয়েছেন বলে জানান। তবে সভায় চুয়েটের কোনো সিন্ডিকেট সদস্য অংশ নেননি বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি।
সভার বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি বলেন, মিটিংয়ের আপডেট উপাচার্য নিজে জানাবেন।
এদিকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের সঙ্গে কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন কেটে দেন তিনি।
এর আগে উপাচার্য সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করেছেন এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লে এ বিষয়ে জানতে চুয়েটের সিন্ডিকেট সদস্য ইলেক্ট্রিক্যাল ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসাইনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। সে সময় তিনি বলেন, উনি মেসেজ পাঠিয়েছেন। মেসেজ পাঠিয়ে সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করা যায় কি না বা এটা নিয়মের মধ্যে আছে কি না- তা জানি না। নিয়ম হচ্ছে রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে চিঠি আসা।
এদিকে চুয়েটের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরের দাবি তিনি রেজিস্ট্রারের পদ থেকে আগেই পদত্যাগ করেছেন।
সর্বশেষ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় টানা ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সহায়তায় তিনি মুক্ত হন। পরে জরুরি চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
