Logo
Logo
×

Advertisement

ক্যাম্পাস

শিক্ষার্থীদের ‘ওপেন প্রশ্নোত্তরে’ মুখোমুখি হতে চান আম্মার

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৬ পিএম

শিক্ষার্থীদের ‘ওপেন প্রশ্নোত্তরে’ মুখোমুখি হতে চান আম্মার

সালাহউদ্দিন আম্মার। ছবি: তার ফেসবুক থেকে নেওয়া

Advertisement

দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি হয়ে নিজের কাজের হিসাব দিতে চান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিতে ‘ওপেন প্রশ্নোত্তর’ আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। 

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা জানান আম্মার।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, আমার রাকসুর দায়িত্ব শেষ। এবার আমার পালা জবাব দেওয়ার। আমার সফলতা, ব্যর্থতা, যতটুকু চেষ্টা করেছি, যতটুকু ভুল করেছি সবকিছুই শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরতে চাই।

রাকসু নির্বাচনের আগে বিভিন্ন মেইনস্ট্রিম মিডিয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে ভিপি, জিএস, এজিএসসহ প্রার্থীদের নিয়ে নানা আয়োজন করেছিল উল্লেখ করে তিনি লেখেন, প্রার্থীরা নিজেদের পরিকল্পনা, ইশতেহার ও অবস্থান নিয়ে কথা বলেছিলেন, শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন করেছিলেন।

আমার মনে হয় নির্বাচনের পর এমন একটি আয়োজন আরও বেশি জরুরি। কারণ নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের কথা শোনা হয়েছে, এবার নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাজের হিসাব শোনার সময়।

তিনি লেখেন, ফটোকার্ড বানিয়ে আমি আমার কাজের আপডেট দিতে পারি কিন্তু সেটি সবার কাছে পৌঁছাবে না। প্রেস ব্রিফিং করতে পারি সেখানেও হয়তো পুরো বক্তব্য আপনাদের কাছে পৌঁছাবে না, কোনো কোনো বক্তব্য আংশিকভাবে কাটা বা উপস্থাপিত হতে পারে। তাই আমি চাই এমন একটি ওপেন প্রশ্নোত্তর আয়োজন হোক।

যেখানে শিক্ষার্থীরা সরাসরি আসবে, সরাসরি প্রশ্ন করবে, প্রতিনিধিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে আর প্রতিনিধি সরাসরি জবাব দেবে।

আম্মার লেখেন, আমি সফল হই বা ব্যর্থ, আমি শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি হতে চাই। আপনারা আমার কাজের সমালোচনা করবেন, প্রশ্ন করবেন, কোথায় ব্যর্থ হয়েছি সেটা বলবেন, কোথায় ভুল করেছি সেটা দেখিয়ে দেবেন। কেউ হয়তো কঠিন ভাষায় কথা বলবেন, কেউ হয়তো প্রশংসা করবেন, কেউ হয়তো সংশোধনের পরামর্শ দেবেন। আমি সব শুনতে প্রস্তুত। 

কারণ উল্লেখ করে তিনি লেখেন, প্রতিনিধি হওয়ার অর্থ শুধু নির্বাচনের সময় ভোট চাওয়া নয়, দায়িত্ব শেষ হওয়ার পরও নিজের কাজের হিসাব দেওয়ার সাহস রাখা। আমি দাবি করছি না যে আমি সবকিছু সফলভাবে করতে পেরেছি। আমি দাবি করছি না যে আমার কোনো ভুল হয়নি। আমি শুধু এটুকু বলতে চাই যতটুকু সামর্থ্য ছিল, যতটুকু সময় ছিল, যতটুকু পারি চেষ্টা করেছি। এবার সেই চেষ্টার হিসাবটাও আপনাদের সামনে দিতে চাই।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কিংবা কোনো মেইনস্ট্রিম মিডিয়া চ্যানেল চাইলে এমন একটি আয়োজন করতে পারে উল্লেখ করে আম্মার লেখেন,

ভিপি, জিএস, এজিএসসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের নিয়ে সরাসরি শিক্ষার্থী-প্রতিনিধি সংলাপ হতে পারে। কোনো স্ক্রিপ্ট নয়, কোনো সাজানো প্রশ্ন নয়, কোনো কাটা-ছেঁড়া নয়। শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন করবে, প্রতিনিধিরা জবাব দেবে।

এই আয়োজনের জন্য তিনি প্রস্তুত উল্লেখ করে আম্মার লেখেন, কারণ শেষ পর্যন্ত পদটি আমার ছিল না, দায়িত্বটি ছিল আপনাদের। আর সেই দায়িত্বের হিসাবও আপনাদের কাছেই দিতে চাই।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

রাকসুর প্রতিশ্রুতি বিস্তর বাস্তবায়ন সামান্য

মেয়াদের বাকি এক মাস রাকসুর প্রতিশ্রুতি বিস্তর বাস্তবায়ন সামান্য

জামায়াতের লংমার্চে রাকসু ভিপি, অন্যরা বলছেন ‘সুবিধাবাদী’

জামায়াতের লংমার্চে রাকসু ভিপি, অন্যরা বলছেন ‘সুবিধাবাদী’

তিন তদন্ত কমিটি, রিপোর্ট জমা পড়েনি একটিরও

দেড় বছরে আম্মারের সহিংস কর্মকাণ্ড তিন তদন্ত কমিটি, রিপোর্ট জমা পড়েনি একটিরও

রাকসু জিএস আম্মারের খরচের বাজেট নিয়ে অসন্তোষ রাবি শিবির সভাপতির

রাকসু জিএস আম্মারের খরচের বাজেট নিয়ে অসন্তোষ রাবি শিবির সভাপতির

তিন তদন্ত কমিটির একটিরও প্রতিবেদন জমা হয়নি দেড় বছরে

আম্মারের সহিংস কর্মকাণ্ড তিন তদন্ত কমিটির একটিরও প্রতিবেদন জমা হয়নি দেড় বছরে

১ কোটি ২৯ লাখ টাকার মধ্যে ভাউচার নেই ৬২ লাখেরই

১০ মাসে রাকসুর ৪২ কর্মসূচি ১ কোটি ২৯ লাখ টাকার মধ্যে ভাউচার নেই ৬২ লাখেরই

আরও পড়ুন

শিক্ষার্থীদের ‘ওপেন প্রশ্নোত্তরে’ মুখোমুখি হতে চান আম্মার

শিক্ষার্থীদের ‘ওপেন প্রশ্নোত্তরে’ মুখোমুখি হতে চান আম্মার

ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তনে আবেদন শুরু ১ নভেম্বর, প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন যেভাবে

ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তনে আবেদন শুরু ১ নভেম্বর, প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন যেভাবে

চুয়েটে ৩৬ দিন পর একাডেমিক কার্যক্রম শুরু কাল

চুয়েটে ৩৬ দিন পর একাডেমিক কার্যক্রম শুরু কাল

থাপ্পড়ে সহপাঠীর কান ফাটানো সেই যবিপ্রবি শিক্ষার্থী বহিষ্কার

থাপ্পড়ে সহপাঠীর কান ফাটানো সেই যবিপ্রবি শিক্ষার্থী বহিষ্কার

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম