Logo
Logo
×

সারাদেশ

ধানক্ষেতে মিলল নিখোঁজ ব্যবসায়ীর লাশ

Icon

বগুড়া ব্যুরো

প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:১১ পিএম

ধানক্ষেতে মিলল নিখোঁজ ব্যবসায়ীর লাশ

নিহত হামিদুল মন্ডলের (৩৮) স্ত্রীর আহাজারী। ছবি: যুগান্তর

বগুড়ায় হামিদুল মন্ডল (৩৮) নামে এক ধান-চাল ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামে রাস্তার ধারে নিজ ধানক্ষেত থেকে তার রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। 

তিনি শনিবার বিকালে পাওনা টাকা আদায়ের জন্য বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ ছিলেন।

রোববার দুপুরে শেরপুর থানার ওসি ইব্রাহিম আলী জানান, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে ধান ব্যবসায়ীকে মারপিট ও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে।

পুলিশ ও স্বজনরা জানান, নিহত হামিদুল মন্ডল বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের মৃত মনতাজ মন্ডলের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ধান-চালের ব্যবসা করে আসছেন। হামিদুল শনিবার বিকালে পাওনা টাকা আদায়ের জন্য বাড়ি থেকে শেরপুর উপজেলা সদরের দিকে রওনা দেন। সর্বশেষ বিকাল ৫টার দিকে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যাওয়া স্ত্রী রাফিয়া খাতুনের সঙ্গে তার কথা হয়। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল। রোববার সকাল ৭টার দিকে কৃষকরা নিজ ধানক্ষেতে হামিদুল মন্ডলের লাশ পরে থাকতে দেখেন। পরে পরিবারের সদস্যরা এসে তার লাশ শনাক্ত করেন। নিহতের গলা, নাক ও ঘাড়ের আঘাতের চিহ্ন ছিল।

নিহতের বড় ভাই গোলাম মোস্তফা মন্ডল জানান, হামিদুল পেশাদার ধান ব্যবসায়ী ছিলেন। ব্যবসায়িক পাওনা টাকা আদায়ের জন্য শনিবার বিকালে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে নিখোঁজ ছিলেন।  

তার ধারণা, ব্যবসায়িক লেনদেনের জন্য তার কাছে নগদ টাকা ছিল। আর এ টাকা ছিনিয়ে নিতেই দুর্বৃত্তরা তাকে গ্রামের নির্জন ধানক্ষেতে নিয়ে মারপিট ও শ্বাসরোধে হত্যা করেছে। তিনি অবিলম্বে হত্যাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। একই দাবি করেছেন, স্ত্রী রাফিয়া খাতুন। 

এ ব্যাপারে রোববার দুপুরে শেরপুর থানার ওসি ইব্রাহিম আলী জানান, মৃতদেহে আঘাতের চিহ্ন দেখে ধারণা করা হচ্ছে তাকে মারপিট ও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে হত্যাকাণ্ডের কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লাশটি উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন ও জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এছাড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। 

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম