স্বামীর অপপ্রচারের প্রতিবাদে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন, যা জানা গেল
ক্ষেতলাল (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১২ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪৩ পিএম
স্বামীর অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনে স্ত্রী শ্যামলী আক্তার। ছবি: যুগান্তর
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে জিম্মি করে ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতার চাঁদা দাবির অভিযোগে সংবাদ প্রচার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী এক নববধূ।
ওই গৃহবধূ দাবি করেছেন, তাকে কেউ জিম্মি করেনি এবং চাঁদা দাবির ঘটনাও ঘটেনি। বরং যারা তাকে সহযোগিতা করেছেন, তাদের সামাজিকভাবে হেয় করতে তার স্বামী লিটন হোসেন মিথ্যা তথ্য প্রচার করছেন।
বুধবার (১১ মার্চ) দিবাগত রাতে ক্ষেতলাল প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নববধূ শ্যামলী আক্তার বলেন, আমি কোনোভাবেই জিম্মি ছিলাম না। বিপদে পড়ে স্থানীয়দের সহযোগিতা চেয়েছিলাম। তারা মানবিক কারণে আমাকে সাহায্য করেছেন। কিন্তু আমার স্বামী তাদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছেন।
তিনি জানান, ফেসবুকের মাধ্যমে লিটন হোসেনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রায় সাত মাস আগে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়। পরে লিটন কুষ্টিয়ায় তার বাড়িতে গিয়ে তিন মাস সংসার করেন। কিন্তু হঠাৎ একদিন কাউকে কিছু না জানিয়ে তিনি সেখান থেকে চলে যান।
গত রোববার লিটনের দেওয়া ঠিকানা অনুযায়ী ওই তরুণী ক্ষেতলাল উপজেলা সদরে এসে স্থানীয়দের সহযোগিতা চান। পরে স্থানীয়দের উদ্যোগে ইউনিয়ন রেজিস্ট্রারের বাড়িতে ৫ লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের পুনরায় কাবিন সম্পন্ন করা হয়। তবে বিয়ের পর লিটন তার প্রথম স্ত্রীকে ম্যানেজ করার কথা বলে তাকে এক পরিচিত নারীর কাছে রেখে বাড়িতে চলে যান বলে দাবি করেন ওই তরুণী।
তিনি আরও জানান, পরে জানতে পারেন লিটনের আগেও একটি স্ত্রী রয়েছে। এ কারণে তার সঙ্গে সংসার করা সম্ভব নয় এবং নিজ বাড়িতে ফিরে যাবেন বলে তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এদিকে নববধূকে জিম্মি করে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠা মামুদপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতা আবির ইফতেখার দাবি করেছেন, তাকে জড়িয়ে যে খবর প্রকাশ হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
ক্ষেতলাল থানার ওসি নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা হয়েছে বলে জানা গেছে।

