Logo
Logo
×

Advertisement

সারাদেশ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগে কওমি আলেমদের নিয়োগের দাবি

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৭ পিএম

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগে কওমি আলেমদের নিয়োগের দাবি

Advertisement

প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ধর্মীয় শিক্ষক হিসেবে কওমি শিক্ষার্থীদের নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন কওমি মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী। এ জন্য স্বকীয়তা রক্ষা করে কওমি শিক্ষা সনদের দ্রুত ও কার্যকর বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।  

শনিবার (২৫ এপ্রিল) গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার দেওনা দাওয়াতুল হক মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত কওমি মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে মিজানুর রহমান চৌধুরী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেছেন, দেশের বৃহৎ একটি জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় শিক্ষার প্রধান ধারক হিসেবে কওমি মাদ্রাসা দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। তাই কওমি সনদের দ্রুত ও কার্যকর বাস্তবায়ন সময়ের দাবি।

মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, কওমি মাদ্রাসার শিক্ষা একটি বিশেষায়িত শিক্ষা। আধুনিকায়নের নামে যারা এর সিলেবাস পরিমার্জন করতে চায়, তারা মূলত এ শিক্ষাকে একটি সনদ সর্বস্ব শিক্ষা বানাতে  চায়। কওমি শিক্ষা থেকে হাফেজ আলেমদের বিশ্বব্যাপী কর্মসংস্থানে বিশাল সুযোগ রয়েছে যা অন্য কোন শিক্ষা ব্যবস্থায় নেই। তাই কওমি শিক্ষাব্যবস্থার স্বকীয়তা ও মর্যাদা রক্ষা করে সনদের দ্রুত ও কার্যকর বাস্তবায়ন করতে হবে। 

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ভারতের উত্তরাখণ্ডের সাবেক মন্ত্রী মাওলানা মাসউদ মাদানী, মাওলানা নুরুল ইসলাম ওলিপুরী, মাওলানা শিব্বির আহমদ রশিদ, মাওলানা আব্দুল বাসেত খান, মুফতি ইমরনুল বারী সিরাজী প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, কওমি শিক্ষার স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ও স্বীকৃতি অক্ষুণ্ণ রেখে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ধর্মীয় শিক্ষক হিসেবে কওমি শিক্ষার্থীদের নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এতে ধর্মীয় শিক্ষার মান উন্নত হওয়ার পাশাপাশি কওমি শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বক্তারা কওমি শিক্ষা ব্যবস্থার স্বকীয়তা ও মর্যাদা রক্ষা করতে এবং শিক্ষার সর্বস্তরে ইসলামী শিক্ষার প্রসারের স্বার্থে সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদ সংশোধনের দাবি জানান। কেননা সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদে প্রকৃতপক্ষে একমুখী সেক্যুলার শিক্ষার বিষয়ে বর্ণিত থাকার কারণে প্রতিটি শিক্ষা কমিশন ও শিক্ষা নীতিতে সেক্যুলার শিক্ষার বিষয়টি প্রতিফলিত হয়ে আসছে।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম