ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানায় দুপক্ষের সংঘর্ষ, চাঁদাবাজির অভিযোগ
ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২০ মে ২০২৬, ১০:৩২ পিএম
শাহজালাল সার কারখানা
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে অবস্থিত শাহজালাল সার কারখানায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের সংঘর্ষ ঘটেছে। এ সময় দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
বুধবার (২০ মে) দুপুর ১২টায় সার কারখানার ভিতরে এ ঘটনা ঘটে। উভয়পক্ষই চাঁদাবাজির পালটাপালটি অভিযোগ করেছেন।
আহতরা হলেন- মোয়াজ্জেম হোসেন সাহেদ ও আব্দুল হামিদ রাজু।
সংঘর্ষের ঘটনার পর সার কারখানা এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে শাহজালাল সার কারখানায় দুইপক্ষই আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছেন। অ্যামোনিয়া গ্যাস সিলিন্ডারের একাধিক ডিলার থাকলেও নিয়ন্ত্রণ করেন হাতেগোনা কয়েকজন। এ নিয়ে মনোমালিন্য হয় নিজেদের মধ্যে। বুধবার দুপুরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
আব্দুল হামিদ রাজু জানান, অ্যামোনিয়া গ্যাস সিলিন্ডার ট্রাকে লোড করা হচ্ছিল। এ সময় মোয়াজ্জেম হোসেন সাহেদ তার দলবল (২০-২৫ জন) নিয়ে ট্রাকে সিলিন্ডার তুলতে বাধা দেন। এ সময় সাহেদ আমার কাছে ‘চাঁদা’ দাবি করেন। আমি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সে আমার ওপর হামলা করে। এতে আমার হাতে ও মাথায় আঘাত পেয়েছি।
এ বিষয়ে জানতে মোয়াজ্জেম হোসেন সাহেদকে মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানা গেছে।
মোবাইল ফোনে সাহেদের অনুসারী সাইফুল ইসলাম মিটু বলেন, রাজু সার কারখানার ‘সলিড হ্যান্ডলিং’ ঠিকাদার। সে অবৈধভাবে সার কারখানার দৈনিক মজুরিতে কাজ করা জনবল দিয়ে ‘সলিড হ্যান্ডলিংয়ের’ কাজ করায়। এভাবে অবৈধভাবে বিল তুলে নিয়ে যায় এবং রাজু অ্যামোনিয়া গ্যাস সিলিন্ডারের লোড-আনলোডে চাঁদাবাজি করে। এর প্রতিবাদ করতে গেলে মোয়াজ্জেম হোসেন সাহেদের ওপর হামলা করে রাজু। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন।
শাহজালাল সার কারখানার উপ-ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) হাফিজ উদ্দিন খান বলেন, ঘটনার সময় আমি বাইরে ছিলাম। শুনেছি সার কারখানায় মারামারির ঘটনা ঘটেছে।
ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ওসি আবু জাফর মোহাম্মদ মাহফুজুল কবির বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ বিষয়ে এখনো থানায় লিখিত কেউ অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
