বোয়ালমারীতে ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলনে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মাঝে মারামারি
ফরিদপুর ব্যুরো
প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৫ পিএম
ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার রূপাপাত ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলনে সভাপতি পদে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মাঝে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার বিকালে ওই ইউনিয়নের সুতালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ইউনিয়ন বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে এ ঘটনা ঘটে। পরে অবশ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এ সম্মেলন সামনে রেখে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির পদে ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি কদমী গ্রামের আবুল কালাম মিয়া ও উপজেলা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য কাটাগর গ্রামের বাসিন্দা ও মো. বিশু মোল্লা প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
ইউনিয়ন বিএনপির নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বেলা ৩টায় সম্মেলন শুরুর আগে দুই সভাপতি প্রার্থী মো. বিশু মোল্লা ও আবুল কালাম মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। এর জেরে উভয়পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি এবং একপর্যায়ে ধাওয়া পালটাধাওয়া ও মারামারি শুরু হয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হন। এ সময় চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে উপস্থিত নেতারা উভয়পক্ষের কর্মী সমর্থকদের শান্ত করলে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. বিশু মোল্লা বলেন, ‘সম্মেলন বিদ্যালয়ের কক্ষে হয়েছে। বাইরে পোলাপান মারামারি করেছে। কালাম মিয়া অন্য ইউনিয়ন থেকে তার সমর্থকদের এনেছিল।’
তবে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করে কালাম মিয়া বলেন, যারা ঝামেলা করেছে, তারা বাজে ছেলে। সম্মেলন সম্পূর্ণ সফলভাবে শেষ হয়েছে।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সাহা জানান, সম্মেলন শুরু হওয়ার আগে দুই সভাপতি প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি নিয়ে পালটাপালটি ধাওয়া ও হাতাহাতি হয়। পরে শান্তিপূর্ণভাবে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহ-সভাপতি ও ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার নাসিরুল ইসলাম। সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সাহা প্রমুখ।
সম্মেলনের পর কমিটি ওখানে ঘোষণা করা হয়নি। তবে এ সম্মেলনে যারা সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদের প্রার্থী ছিলেন তাদের বক্তব্য নেতারা শুনে গেছেন।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, বোয়ালমারীর একটি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়নের কমিটি একসঙ্গে উপজেলা বিএনপি ঘোষণা করবে।

-6a4fba8484b2f.jpg)