বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর সেবা না পেয়ে বাড়ি চলে গেলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা
বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ১০:৫০ পিএম
বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্ব অবহেলার বিষয়টি যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। কর্তব্যরতরা যার যার মতো করে আসা-যাওয়া করেন। সরকারের দেওয়া হাজিরার সময়কে তারা অনিয়মে পরিণত করেছেন।
ডাক্তাররা ইচ্ছামতো হাসপাতালে এলেও রোগী দেখার ক্ষেত্রে করছেন অনীহা। তাই প্রতিদিন রোগীরা ডাক্তার দেখাতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অনেকেই অপেক্ষা করে ডাক্তার না পেয়ে রোগী নিয়ে বাড়ি ফিরে চলে যাওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
রোববার দুপুরে এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে এ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সকাল সাড়ে ৮টায় হাজির হওয়ার কথা থাকলেও জুনিয়র কনসালটেন্ট গাইনি ডা. সালমা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান ১১টা ৪ মিনিটে। এমন অভিযোগ এনে রোববার দুপুর ১২টায় গাইনি ডাক্তারের বন্ধ অফিসের ছবিসহ ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোহাম্মদ সামির। তার বাড়ি পার্শ্ববর্তী কাদিপুর গ্রামে।
তিনি তার ফেসবুকে লেখেন- ‘সকাল ১০টায় তার গর্ভবতী স্ত্রীকে গাইনি ডাক্তার দেখাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন ডাক্তার নেই। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর জুনিয়র কনসালটেন্ট গাইনি ডাক্তার সালমা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত হন ১১টা ৪ মিনিটের সময়। তিনি উপস্থিত হয়ে তার চেম্বারে না গিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আনিসুল হোসেনের অফিসে চলে যান।
দুপুর ১২টা বাজলে মোহাম্মদ সামির ওই অফিসে গিয়ে ডাক্তার সালমাকে বলেন, ম্যাডাম রোগীরা অপেক্ষা করছেন। তিনি আসতেছি বলে বসেই থাকেন। পরে তিনি আরও দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে তার গর্ভবতী স্ত্রীতে ডাক্তার না দেখিয়ে বাড়ি চলে যান।’
এভাবে দায়িত্ব অবহেলাকারী ডাক্তারদের এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে বদলি করার দাবিও জানান তিনি।
মোবাইল ফোনে মোহাম্মদ সামির এই প্রতিবেদককে জানান, রোগী না দেখিয়ে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নিয়ে চলে গেছেন আরেকজন স্বামী।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আনিসুল হোসেন বলেন, এ বিষয়ে সাংবাদিককে জবাব দিতে বাধ্য নই।
