Logo
Logo
×

Advertisement

সারাদেশ

নাশকতা মামলার পর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

Icon

গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৮ পিএম

নাশকতা মামলার পর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

মনিরুল ইসলাম দোলন

Advertisement

নাটোরের গুরুদাসপুরে আওয়ামী লীগ নেতা ও খুবজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম দোলনের (৫৩) বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা হয়েছে। সোমবার রাতে স্বামী পরিত্যক্তা এক নারী (৩৬) বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মঙ্গলবার দুপুরে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওই নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. সাদিয়া বিনতে মাহমুদ দুই নার্সের সহযোগিতায় তার পরীক্ষা করেন।

চিকিৎসক জানান, মেডিকেল বোর্ড গঠন করে ধর্ষণের বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হবে।

এর আগে গত ২২ সেপ্টেম্বর চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম দোলনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে একটি মামলা হয়। ওই মামলার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। এর মধ্যে তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা হলো।

ভুক্তভোগী নারীর বাড়ি খুবজীপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্রীপুর গ্রামে। তার দুই সন্তান রয়েছে।

মনিরুল ইসলাম তিন মেয়াদে খুবজীপুর ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি গুরুদাসপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির পদেও রয়েছেন। তার বাবা আব্দুল গফুর সরদার দুই মেয়াদে চেয়ারম্যান ছিলেন।

চেয়ারম্যানের চাচা প্রয়াত অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের পাঁচবারের সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।

ভুক্তভোগী নারীর বরাত দিয়ে গুরুদাসপুর থানার ওসি মো. আব্দুল হান্নান জানান, ওই নারীকে প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময় ধর্ষণ করেন চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম দোলন। সর্বশেষ সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে খুবজীপুর ইউনিয়নের বিলশা গ্রামে চেয়ারম্যানের বাসভবনসংলগ্ন সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও চেয়ারম্যানের চাচাতো বোন কোহেলি কুদ্দুস মুক্তির বাসভবনে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন ওই নারী।

ওসি মো. আব্দুল হান্নান বলেন, ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ দাখিলের পর প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। আসামিকে গ্রেফতার করতে সোমবার রাতেই তার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। তবে তাকে পাওয়া যায়নি।

ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করে চেয়ারম্যানের স্ত্রী ও স্কুলশিক্ষিকা মেরিনা বেগম বলেন, তার স্বামীর বিরুদ্ধে করা ধর্ষণের মামলাটি সত্য নয়। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হয়রানির শিকার তিনি। তার স্বামী রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান এবং ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণে তিন মেয়াদে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তাকে ভোটের মাঠের বাইরে রাখতেই প্রতিপক্ষরা এ ধরনের মিথ্যা মামলা দিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, তার শ্বশুর চেয়ারম্যান ছিলেন। চাচা শ্বশুর আব্দুল কুদ্দুস পাঁচ মেয়াদে এমপি ও মন্ত্রী ছিলেন। তার ননদ কোহেলি কুদ্দুস মুক্তি সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন; কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে তার স্বামীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনের মামলাসহ নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। পরিস্থিতির কারণে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে ধর্ষণের মামলাটি নিছক হয়রানি ছাড়া অন্য কিছু নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

১২৩ বছরেও চশমা ছাড়া কুরআন পড়েন আব্বাস

১২৩ বছরেও চশমা ছাড়া কুরআন পড়েন আব্বাস

দুইজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞায় চিঠি, ৫ কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

নাটোরে সোনালী ব্যাংকে জালিয়াতি দুইজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞায় চিঠি, ৫ কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

আয়ের উৎস নেই, কিন্তু রাজকীয় জীবনযাপন তাদের

আয়ের উৎস নেই, কিন্তু রাজকীয় জীবনযাপন তাদের

শিশুর আঙুল কেটে ফেলার অভিযোগে কনস্টেবল ও তার স্ত্রী কারাগারে

শিশুর আঙুল কেটে ফেলার অভিযোগে কনস্টেবল ও তার স্ত্রী কারাগারে

শিশুর আঙুল কেটে ফেলার অভিযোগে কনস্টেবল ও তার স্ত্রী গ্রেফতার

শিশুর আঙুল কেটে ফেলার অভিযোগে কনস্টেবল ও তার স্ত্রী গ্রেফতার

শিশুর আঙুল কেটে ফেলার অভিযোগ পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে

শিশুর আঙুল কেটে ফেলার অভিযোগ পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে

আরও পড়ুন

৫ অক্টোবর দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচির ডাক চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা কমিটির

৫ অক্টোবর দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচির ডাক চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা কমিটির

ভ্যানের চাকায় ওড়না প্যাঁচিয়ে প্রাণ গেল কিশোরীর

ভ্যানের চাকায় ওড়না প্যাঁচিয়ে প্রাণ গেল কিশোরীর

বন্দরে শিশু ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

বন্দরে শিশু ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

কসবায় শিক্ষিকাকে সিএনজিতে তুলে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ

কসবায় শিক্ষিকাকে সিএনজিতে তুলে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম