প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়ে শ্রাবন্তী বললেন, ‘মায়ের অনুপ্রেরণাতেই সাফল্য পেয়েছি’
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৯ পিএম
সানজিদা আক্তার শ্রাবন্তী
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ে আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় নজরুলসংগীতে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন সানজিদা আক্তার শ্রাবন্তী। নিজের এ সাফল্যের পেছনে মায়ের অনুপ্রেরণাকে সবচেয়ে বড় কারণ বলে জানিয়েছেন তিনি।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্নাতক পর্যায়ের ‘খ’ বিভাগে অংশ নিয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন শ্রাবন্তী।
সানজিদা আক্তার শ্রাবন্তী গাজীপুরের শ্রীপুর সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক (সম্মান) চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পশ্চিম খণ্ড (মাওনা চৌরাস্তা) এলাকার শামসুদ্দিন শেখ ও রোজিনা আক্তার দম্পতির মেয়ে।
প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই গান ও নাচের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সাফল্য পেয়েছেন শ্রাবন্তী। সেই ধারাবাহিকতায় প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়েও নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি।
নিজের সাফল্যের পেছনে মায়ের অবদানের কথা স্মরণ করে শ্রাবন্তী বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই মায়ের উৎসাহ ও সার্বিক সহযোগিতার কারণেই আজ আমি এতদূর আসতে পেরেছি।’
নিজের অর্জন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে শ্রাবন্তী জানান, পড়াশোনার পাশাপাশি ভবিষ্যতেও নজরুলসংগীতের চর্চা অব্যাহত রাখতে চান তিনি। সংগীতের জগতে নিজের মেধা ও প্রতিভার স্বাক্ষর রাখার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেন শ্রাবন্তী।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, সাহিত্য, দর্শন ও সৃষ্টিকর্ম নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে দেশব্যাপী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
গত ৩১ আগস্ট শুরু হওয়া এ প্রতিযোগিতা চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। প্রাথমিক, কারিগরি ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নিচ্ছেন।
প্রতিযোগিতায় নজরুলসংগীত, কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন, একক অভিনয় ও নজরুল সংগীতভিত্তিক একক নৃত্য রয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আবৃত্তিতে ‘ভোর হলো’, ‘খোকার সাধ’, ‘খুকি ও কাঠবিড়ালী’, ‘মোসাহেব’ ও ‘লিচু চোর’ কবিতা নির্ধারণ করা হয়েছে। কারিগরি ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ‘সংকল্প’, ‘কাণ্ডারি হুঁশিয়ার’, ‘বিদ্রোহী’, ‘মানুষ’ ও ‘ওমর ফারুক’।
