সৌদিতে নির্যাতিত সেই রেহেনা দূতাবাসের হেফাজতে, শিগগিরই ফিরছেন দেশে
Advertisement
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৮ পিএম
রেহেনা খাতুন
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সৌদি আরবের জেদ্দায় গৃহকর্মীর ভিসায় গিয়ে চরম নির্যাতনের শিকার হওয়া হবিগঞ্জের মাধবপুরের রেহেনা খাতুনকে বাংলাদেশ দূতাবাসের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
যুগান্তরসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার ওপর নির্যাতনের সংবাদ প্রকাশের পর গত ৫ অক্টোবর তাকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয় রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাস। সেখানে তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসহ সব ধরনের আইনি ও লজিস্টিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ৪ অক্টোবর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কল্যাণ শাখার পরিচালক লোকমান হোসেন সৌদি আরবে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসকে চিঠি দিয়ে রেহেনা খাতুনকে দ্রুত ও নিরাপদে দেশে ফেরাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
এদিকে সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সি ‘জেনিয়া ওভারসিজ’-এর কর্মকর্তা হাসান মিয়া জানান, আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যেই রেহেনা খাতুনকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। তার জন্য ইতোমধ্যেই বিমানের টিকিট নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি নিরাপদ আশ্রয়ে দূতাবাসের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।
রেহেনার স্বামী আলী আহমদ বলেন, রেহেনাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে অসংখ্য ধন্যবাদ। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরে পাশে দাঁড়ানোর জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আমরা চিরকৃতজ্ঞ। তবে রেহেনার বকেয়া বেতন-ভাতা এখনো পরিশোধ করা হয়নি। আমরা অত্যন্ত অসচ্ছল পরিবার। তার রক্ত-ঘামের পাওনা অর্থ আদায়ে দূতাবাস ও সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এদিকে ভুক্তভোগী রেহেনা খাতুনের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। এর আগে সর্বশেষ পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় রেহেনা অভিযোগ করেছিলেন, তার দীর্ঘদিনের বেতন-ভাতা আটকে রাখা হয়েছে এবং জোরপূর্বক তার কাছ থেকে একটি সম্মতিপত্র বা জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত দেশে ফেরার আকুতি জানিয়ে উদ্ধারের উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন তিনি।
