সেতু আছে, সংযোগ সড়ক নেই...
Advertisement
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫০ পিএম
পথচারীরা কোনোভাবে চলাচল করতে পারলেও ভ্যান, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল পারাপার করতে পারছে না।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ঝুলন্ত সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়কে মাটি না থাকায় বাঁশের চাটাই বেয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন স্থানীয়রা। এতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, রোগী, ব্যবসায়ীসহ কয়েকটি গ্রামের প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।
রাজারহাট সদর ও ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ছিঁড়ারপাড় খালের ওপর ৭ দশমিক ৩ মিটার দীর্ঘ সেতুটি নির্মাণ করা হয়। ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের ‘গ্রামীণ মাটির রাস্তায় সেতু/কালভার্ট নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় ২৯ লাখ ২৬ হাজার ২৮২ টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়। তবে সেতু নির্মাণ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়কে মাটি দেওয়া হয়নি।
স্থানীয়রা জানান, বর্ষাকালে কাদা ও হাঁটুপানি পেরিয়ে সেতুতে উঠতে হয়েছে। পরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশের পর সেতুর দুই পাশে বাঁশের চাটাই দেওয়া হয়। এতে পথচারীরা কোনোভাবে চলাচল করতে পারলেও ভ্যান, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল পারাপার করতে পারছে না। গুরুতর রোগীদেরও ঘুরপথে হাসপাতালে নিতে হচ্ছে।
সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী আলোরানী বলেন, সাইকেল নিয়ে বাঁশের চাটাই বেয়ে উঠতে ও নামতে ভয় লাগে। অনেক সময় দুর্ঘটনায় পড়ে যাই।
স্থানীয় আবু হানিফ বলেন, মাটি না দেওয়ায় আগে হাঁটুপানি পেরিয়ে চলাচল করতে হয়েছে। এখন চাটাই দেওয়া হয়েছে। এতে যানবাহন চলাচল করতে পারছে না।
নাটুয়াপাড়া গ্রামের আব্দুল আজিজ বলেন, চেতনা, নাটুয়া, পোদ্দারপাড়া, নয়াবাড়ি, শামকালিয়া ও রামপাড়া গ্রামের হাজারো মানুষের যাতায়াতে কষ্ট হচ্ছে। সময়মতো কাজ শেষ হলে এ ভোগান্তি হতো না।
রাজারহাট সদর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. ইদ্রিস আলী বলেন, সেতুর দুই পাশে মাটি না থাকায় মানুষের দুর্ভোগ হচ্ছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান করা দরকার।
রাজারহাট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ঠিকাদারের সঙ্গে কথা হয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকে কাজ শুরু করা হবে। স্থানীয়দের বাধার কারণে আগে মাটি ভরাটের কাজ করা সম্ভব হয়নি। এখন সবার সঙ্গে কথা হয়েছে, আশা করছি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।

-6ac525d890095.jpg)