Logo
Logo
×

Advertisement

সারাদেশ

একই পাড়ায় শ্যালক-দুলাভাই চেয়ারম্যান প্রার্থী, বেকায়দায় গ্রামবাসী

Advertisement

Icon

কুমিল্লা উত্তর প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৩ পিএম

একই পাড়ায় শ্যালক-দুলাভাই চেয়ারম্যান প্রার্থী, বেকায়দায় গ্রামবাসী

মো. মুকবুল হোসেন ও আক্তারুল হক মাস্টার

Advertisement

কুমিল্লার তিতাস উপজেলার ২ নম্বর জগতপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কানাইনগর গ্রামের একই পাড়া থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন আপন শ্যালক-দুলাভাই। তারা দুজনেই বিএনপির পদ-পদবি নিয়ে রাজনীতি করে আসছেন।

মো. মুকবুল হোসেন তিতাস উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং আক্তারুল হক মাস্টার জগতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি। এছাড়া তারা একে অপরের বোনজামাই এবং শ্যালক-দুলাভাই। তাদের বাসার দূরত্ব মাত্র ২ থেকে ৩ মিনিটের। তারা দুজনেই জগতপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলের সমর্থন চাইছেন।

একই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে দলীয় সমর্থন চাচ্ছেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আমিরুল ইসলাম মানিক ও প্রচার সম্পাদক মো. সামির হোসেন। তারা চারজনই শক্তিশালী প্রার্থী। বিএনপির দুর্দিনে ২০১৬ সালে দলীয় প্রতীক নিয়ে আমিরুল ইসলাম মানিক এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

একই পাড়ায় শ্যালক-দুলাভাই প্রার্থী হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে কানাইনগর গ্রামের বাসিন্দারাও বেশ বেকায়দায় আছেন। অনেকেই মুখ খুলে কিছু বলতে পারছেন না।

একে অপরের বোনজামাই, একই দল আবার একই পাড়ার হওয়ায় ‘শ্যাম রাখি না কুল রাখি’ দশায় আছেন গ্রামবাসী। তারা দুজনেই প্রতিদিনই ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করছেন এবং দোয়া চাচ্ছেন। এছাড়া দলীয় সমর্থন পেতে সম্ভাব্য জায়গায় লবিং ও দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন।

আলোচ্য এই ৪ জনের মধ্যে কে পাবেন বিএনপির সমর্থন, তা এখনো নিশ্চিত না হলেও যে বিষয়টি নিয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে তা হলো একই পাড়ায় শ্যালক-দুলাভাই চেয়ারম্যান প্রার্থী হাজী মুকবুল হোসেন ও আক্তারুল হক মাস্টার।

একই পাড়ায় আপন শ্যালক-দুলাভাইয়ের প্রার্থিতার বিষয়ে জানতে চাইলে আক্তারুল হক মাস্টার যুগান্তরকে বলেন, ‘আমরা একে অপরের শ্যালক-বোনজামাই হলেও গ্রামে বা পাড়ায় কোনো সমস্যা নেই। তবে দল যাকে সমর্থন দেবে আমরা সবাই দলের নির্দেশনা মেনে তার পক্ষেই নির্বাচন করব।’

মুকবুল হোসেন যুগান্তরকে বলেন, ‘আমি আক্তারুল হক মাস্টারের বোনকে বিয়ে করেছি, উনি আমার বোনকে বিয়ে করেছেন। আমরা যেহেতু পারিবারিকভাবে এক হতে পারিনি, এখন দলীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। আর গ্রামবাসীর কথা হলো দল যাকে সমর্থন দেবে তার পক্ষেই কাজ করবে।’

এদিকে কানাইনগর গ্রামের সাধারণ ভোটাররা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আমরা পড়েছি বেকায়দায়। কারণ আক্তারুল হক মাস্টার ও মুকবুল হোসেন একই বাড়ির এবং একে অপরের বোনজামাই। দুজনেই গ্রামের গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। এখন আমরা কার সঙ্গে গিয়ে কাকে খুশি করব? তাই আমরা কারও সঙ্গে যাচ্ছি না। যিনি দলীয় সমর্থন পাবেন তার পক্ষেই গ্রামের সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করব ইনশাআল্লাহ।’

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

‘আমি টাকা চাই না, ইয়াছিনকে আমার স্বামী হিসেবে চাই’

‘আমি টাকা চাই না, ইয়াছিনকে আমার স্বামী হিসেবে চাই’

বুলেট বৈরাগী হত্যা: চার্জশিটে ৫ জন, ৩ আসামি ‘ভাসমান’

বুলেট বৈরাগী হত্যা: চার্জশিটে ৫ জন, ৩ আসামি ‘ভাসমান’

পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু

পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু

এআই দিয়ে সিআইডির ভুয়া কার্ড!

এআই দিয়ে সিআইডির ভুয়া কার্ড!

ধর্ষণের শিকার তরুণীর সন্তান প্রসব, বিক্রি করে দিল ধর্ষকের পরিবার

ধর্ষণের শিকার তরুণীর সন্তান প্রসব, বিক্রি করে দিল ধর্ষকের পরিবার

বিএনপি নেতা ও সাংবাদিকসহ কারাগারে ১০

বিএনপি নেতা ও সাংবাদিকসহ কারাগারে ১০

আরও পড়ুন

মওলানা ভাসানী একজন আইকনিক ক্যারেক্টার: শিক্ষামন্ত্রী

মওলানা ভাসানী একজন আইকনিক ক্যারেক্টার: শিক্ষামন্ত্রী

জামিন না পেয়ে আদালত চত্বরে স্লোগান, হামলায় মাথা ফাটল পুলিশের

জামিন না পেয়ে আদালত চত্বরে স্লোগান, হামলায় মাথা ফাটল পুলিশের

খালেদা জিয়ার নামে সিলেটে পার্ক হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

খালেদা জিয়ার নামে সিলেটে পার্ক হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

সংলাপ চললেও অবরুদ্ধ সাজেক, পাঁচ দাবির একটিতে আটকা সমঝোতা

সংলাপ চললেও অবরুদ্ধ সাজেক, পাঁচ দাবির একটিতে আটকা সমঝোতা

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম