Logo
Logo
×
   

Advertisement

আন্তর্জাতিক

যেভাবে গিনেস রেকর্ড গড়ল তুরস্কের কেলকিট শহর

Advertisement

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৫ পিএম

যেভাবে গিনেস রেকর্ড গড়ল তুরস্কের কেলকিট শহর

ফাইল ছবি

Advertisement

সকালের নাশতায় টোস্টের সঙ্গে গরম গরম ‘বেকড বিনস’ বা শিম সেদ্ধ অনেকেরেই পছন্দের খাবার। কিন্তু সেই খাবার যদি রান্না হয় বিশাল এক হাঁড়িতে, আর পরিমাণ হয় প্রায় ১৫ হাজার ক্যানের সমান-তাহলে তা রীতিমতো তাক লাগানোর মতো ঘটনা।

এমনই এক কান্ড ঘটিয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে তুরস্কের কেলকিট শহর। সেখানে দৈত্যাকার একটি হাঁড়িতে একবারে রান্না করা হয়েছে ১ হাজার ৮০৭ গ্যালান বেকড বিনস বা শিম সেদ্ধ। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের স্বীকৃতি পেয়েছে এই আয়োজন।

স্থানীয় শিম দিয়েই রেকর্ড

রেকর্ড গড়া এই আয়োজনটি হয় গহ ২২ আগস্ট। কেলকিট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি,গুমুশানে গর্ভর্নরশিপ পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে বিশাল হাঁড়িতে রান্না করা হয় স্থানীয় বিশেষ পদ ‘কেলকিট শেকের ফাসুলিয়েসি’।

শিমের বীজ দিয়ে তৈরি এই খাবার কেলকিট অঞ্চলের একটি স্থানীয় পদ। সামান্য বেগুনি দাগযুক্ত ও কিছুটা বাঁকানো আকৃতির এই শিম কেলকিট সমভূমিতে চাষ করা হয়।

ভাঙল পুরোনো রেকর্ড

নতুন এই রেকর্ড গড়া অবশ্য সহজ ছিল না। এর আগে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ বেকড বিনস রান্নার রেকর্ড ছিল উত্তর মেসিডোনিয়ার দখলে। দেশটির সারসিয়েভো গ্রামের মানুষের জন্র প্রায় ১ হাজার ৪৭৯ গ্যালন বেকড বিনস রান্না করা হয়েছিল।

সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে কেলকিটে রান্না করা হয় ১ হাজার ৮০৭ গ্যালান বিনস।

কৃষকদের সম্মান জানাতেই আয়োজন

স্থানীয় এ পণ্যের পরচিতি ও অর্থনৈতিক মূল্য বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষকদের সম্মান জানানোও ছিল এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। বিশাল এই রান্নার মাধ্যমে কেলকিটের স্থানীয় কৃষিপণ্যকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে চেয়েছেন আয়োজকরা। 

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডকে আয়োজকরা বলেন, এই স্বীকৃতি কেলকিট, গুমুশানে ও পুরা অঞ্চলের জন্য ঐতিহাসিক অর্জন। স্থানীয় কৃষি ঐতিহ্য, পণ্য এবং পুরো সম্প্রদায়ের সিম্মিলিত প্রচেষ্টারেআন্তজৃাতিক স্বীকৃতি এটি।

একসঙ্গে কাজ করেছেন অনেকে

রেকর্ড গড়ারেএই আয়োজনে কৃষক থেকে শুরু করে রন্ধনকর্মী, প্রকৌশলী, খাদ্যনিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, পৃষ্ঠপোষক, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্বেচ্ছাসেবকেরা অংশ নেন।

আয়োজকদের মতে, এত মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই এই অর্জন আরও বিশেষ করে তুলেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এই রেকর্ড গর্বের হয়ে থাবকে বলেও মনে করছেন তারা।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম