Logo
Logo
×
   

Advertisement

লাইফ স্টাইল

শুধু ত্বক নয়, সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে বাঁচতে চুলে মাখুন সানস্ক্রিন

Advertisement

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ০১:০৬ পিএম

শুধু ত্বক নয়, সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে বাঁচতে চুলে মাখুন সানস্ক্রিন

সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে বাঁচতে চুলে মাখুন সানস্ক্রিন। সংগৃহীত ছবি

Advertisement

সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের পাশাপাশি চুলেরও মারাত্মক ক্ষতি করে থাকে। এর ফলে চুল রুক্ষ হয়ে যায়, রঙ চটে যায় এবং চুল পড়ার সমস্যা বাড়ে। তাই চুলের সুরক্ষায় হেয়ার সানস্ক্রিন ব্যবহার করা ভীষণ জরুরি। কারণ শুধু ত্বক নয়, সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি প্রতিদিন নিঃশব্দে খতম করে দিচ্ছে চুলের স্বাস্থ্য। রোদ লেগে কালো চুল হঠাৎ তামাটে হয়ে যাওয়া কিংবা ঝাড়ুর মতো রুক্ষ দেখানোর নেপথ্যে ওই তীব্র সূর্যালোকই দায়ী। তাই এবার খোদ চুলের জন্যও চাই ‘এসপিএফ’ বা সান প্রটেকশন ফ্যাক্টর।

মে মাস শেষের দিকে। সূর্যের তীব্র দাবদাহে প্রাণ ওষ্ঠাগত। গরমের হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতে এ সময় নিয়ম করে হাত ও মুখে সানস্ক্রিন মাখেন অনেকেই। সঙ্গে রোদ চশমা আর ছাতা নিতেও ভোলেন না। কিন্তু এই প্রচণ্ড তাপে মাথার চুলের সুরক্ষার কথা একবারও ভেবেছেন কি? 

আসলে আমাদের চুল তৈরি হয় ‘কেরাটিন’ নামক এক ধরনের বিশেষ এক প্রোটিন দিয়ে। চড়া রোদ সেই প্রোটিনের বন্ধনগুলোকে আলগা করে দিয়ে থাকে। ফলে চুল তার স্বাভাবিক নমনীয়তা হারায়। সামান্য টানেই তা পটপট করে ভেঙে যায়। শুধু তাই নয়, সূর্যের তাপে চুলের ভেতরের প্রাকৃতিক তেল ও আর্দ্রতা কর্পুরের মতো উবে যায়। ফল যা হওয়ার তাই হয়। এক মাথা রেশমি চুল নিমেষেই খড়ের আঁটির মতো রুক্ষ আর শুষ্ক হয়ে ওঠে।

সবচেয়ে বড় ধাক্কা লাগে চেহারায়। সূর্যের আলো চুলের প্রাকৃতিক মেলানিন নষ্ট করে দেয়। বিশেষ করে যারা চুলে দামি কালার বা হাইলাইট করিয়েছেন, তাদের বিপদ দ্বিগুণ। রোদের চোটে সেই রঙের দফারফা হতে সময় লাগে না।

গরমে বাইরে বেরোনোর অন্তত মিনিট কুড়ি আগে চুলে মেখে নিন এসপিএফযুক্ত লিভ-অন কন্ডিশনার কিংবা হালকা কোনো হেয়ার সিরাম। চুলে এই ইউভি-প্রোটেকশন স্প্রে ছড়িয়ে নিলেই কেল্লাফতে। এটি চুলের ওপর একটি অদৃশ্য সুরক্ষাকবচ তৈরি করে। এর পাশাপাশি চড়া রোদে ছাতা, সুতির হালকা স্কার্ফ বা টুপি ব্যবহার করতে ভুলবেন না। এই ফিজিক্যাল ব্যারিয়ার ধুলোবালি ও রোদ— দুই থেকেই চুলকে আগলে রাখবে। আর বাড়ি ফিরে সপ্তাহে অন্তত একদিন চুলে ভালো করে হাইড্রেটিং হেয়ার মাস্ক লাগান। দামি প্রসাধনী না হলেও চলবে, রান্নাঘরের দই-মধু কিংবা ডিম ও অলিভ অয়েলের ঘরোয়া প্যাক চুলের হারিয়ে যাওয়া আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে থাকে। তাই আর দেরি কেন, আজ থেকেই ত্বকের পাশাপাশি চুলের এসপিএফের দিকেও নজর দিন।

এ বিষয়ে রূপবিশেষজ্ঞরা বলছেন, রূপটানে সামান্য বদল আনলেই মুশকিল আসান। বাজারে এখন তিন ধরনের হেয়ার সানস্ক্রিন পাওয়া যায়— পাউডার, স্প্রে ও ক্রিম। সিঁথির তেলতেলে ভাব কাটাতে ও চুলে ভলিউম আনতে পাউডার সানস্ক্রিন দারুণ। রুক্ষ চুলে ঝটপট আর্দ্রতা ফেরাতে স্প্রে সানস্ক্রিন বেশ উপকারী। আর মাথার ত্বকের জন্য রয়েছে লোশন বা ক্রিম সানস্ক্রিন।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম