কিশমিশ ভেজানো পানি ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী
Advertisement
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১১ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কিশমিশ ভেজানো পানির জনপ্রিয়তা এখন বিদেশেও ছড়িয়ে গিয়েছে। ত্বক কিংবা চুলে যে ধরনের সমস্যা হয় তা ঠেকিয়ে রাখে এই পানীয়।
সকালে ঘুম থেকে উঠে কিশমিশ ভেজানো পানি খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে অনেকের। শরীর ডিটক্স করতে এই পানীয় বিশেষ ভাবে উপকারী। রক্তস্বল্পতা দূর করতেও ঘরোয়া এই উপাদান কাজে দেয়।
পুষ্টিবিদরা বলছেন, শরীরের পাশাপাশি ত্বক এবং চুলের জন্যও এই পানীয় বিশেষ উপকারী।
১. ত্বক ভিতর থেকে উজ্জ্বল করে
শরীরে টক্সিনের পরিমাণ বেড়ে গেলে ত্বক নিষ্প্রাণ হয়ে পড়ে। ইনফ্লেমেশন বা প্রদাহজনিত সমস্যাও দেখা দেয়। তবে নিয়মিত কিশমিশ ভেজানো পানি খেলে রক্ত পরিস্রুত হয়। ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে এই পানীয়টি। ফলে ত্বকে স্বাভাবিক জেল্লা বজায় থাকে। ত্বক হয় দাগ-ছোপহীন। বার্ধক্যজনিত সমস্যাও ঠেকিয়ে রাখতে পারে কিশমিশ ভেজানো পানি।
২. হেয়ার ফলিকল মজবুত করে
চুল পরা, খুশকির সমস্যায় নাজেহাল? এই ধরনের সমস্যাও দূর করতে পারে কিশমিশ ভেজানো পানি। আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, বি ভিটামিন সমৃদ্ধ এই পানীয় হেয়ার ফলিকল মজবুত করতে সাহায্য করে। যাদের হরমোনজনিত হেয়ার থিনিংয়ের সমস্যা রয়েছে, তারাও মাস খানেকের জন্য কিশমিশ ভেজানো পানি খেয়ে দেখতে পারেন।
৩. অকাল বার্ধক্য রুখে দিতে পারে
চামড়া ঝুলে যাওয়া, জেল্লা হারিয়ে যাওয়া কিংবা ত্বকে মেচেতার দাগ— এসবই ত্বকের বয়সজনিত সমস্যার উপসর্গ। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কোলাজেনের মাত্রা কমতে থাকলে এই ধরনের নানাবিধ সমস্যা দেখা দিতে থাকে। তবে বিউটিশিয়ানরা বলছেন, নিয়মিত কিশমিশ ভেজানো পানি খেলে বার্ধক্যজনিত সমস্যাও ঠেকিয়ে রাখা যায়।
৪. হরমোনজনিত সমস্যা ঠেকিয়ে রাখে
ঋতুচক্র শুরু কিংবা শেষ হয়ে আসার সময়টায় হরমোনের হেরফের হয়। তার প্রভাবে ত্বকে ব্রণর বাড়বাড়ন্ত হতে পারে। প্রদাহজনিত সমস্যা থেকে ত্বকে লালচে ভাবও দেখা দেয়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ কিশমিশ ভেজানো পানি খেলে এই ধরনের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
