পিএমএস কী, কেন হয় এবং করণীয় কী?
Advertisement
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৮ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
মাসিক শুরুর আগে শারীরিক ও মানসিক নানা ধরনের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যান অনেক নারী। পেট ফাঁপা, মাথাব্যথা, মেজাজ খিটখিটে হওয়া কিংবা অকারণে মন খারাপ—এসব উপসর্গকে একসঙ্গে বলা হয় প্রি-মেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম বা পিএমএস (PMS)।
গবেষণা অনুযায়ী, ৯০ শতাংশেরও বেশি নারী মাসিকের আগে অন্তত একটি উপসর্গ অনুভব করেন। সাধারণত মাসিক শুরুর এক থেকে দুই সপ্তাহ আগে এসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে। কারও ক্ষেত্রে পেট ও মাথাব্যথা, হজমের সমস্যা, খাবারে অরুচি, মন খারাপ কিংবা কান্না পাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা যায়। আবার কারও কারও পেশিতে টান বা শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যথাও হতে পারে।
পিএমএসের লক্ষণ ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হয়। কারও ক্ষেত্রে উপসর্গগুলো হালকা থাকলেও অন্যদের জন্য তা বেশ কষ্টদায়ক হয়ে উঠতে পারে। এমনকি তীব্র উপসর্গের কারণে দৈনন্দিন কাজকর্মেও ব্যাঘাত ঘটতে পারে। এ ধরনের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসকের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়ক হতে পারে।
কেন হয় পিএমএস?
পিএমএসের সঠিক কারণ এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি। তবে মাসিক চক্রের সময় শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনসহ বিভিন্ন হরমোনের মাত্রায় যে পরিবর্তন ঘটে, তা এর সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হয়। এসব পরিবর্তনের প্রভাব সবার শরীরে এক রকম হয় না। ফলে কেউ তুলনামূলক বেশি উপসর্গ অনুভব করেন, আবার কারও ক্ষেত্রে তা কম থাকে।
পিএমএস হলে কী করা উচিত?
পিএমএসের সব উপসর্গ দূর করার জন্য একক কোনো চিকিৎসা নেই। তবে কিছু অভ্যাস উপসর্গ কমাতে সাহায্য করতে পারে। নিয়মিত শরীরচর্চা, সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত ঘুম এ ক্ষেত্রে উপকারী। পাশাপাশি মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করাও জরুরি।
তবে উপসর্গ খুব বেশি হলে, দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হলে কিংবা মানসিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য অবনতি ঘটলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসক উপসর্গ নিয়ন্ত্রণের উপযুক্ত ব্যবস্থা নির্ধারণ করতে পারবেন।

