Logo
Logo
×

Advertisement

আনন্দ নগর

হ্যালো...

জীবনের অনেক সিদ্ধান্তই ভুল আছে

মাহফুজ আনাম জেমস, বাংলাদেশের ব্যান্ডসংগীতের অন্যতম জনপ্রিয় শিল্পী। ‘নগর বাউল’ ব্যান্ডের ভোকাল হিসাবে তিনি দীর্র্র্র্র্ঘদিন ধরে শ্রোতাদের কাছে ‘গুরু’ নামে পরিচিত। ভিন্নধর্মী কণ্ঠ, স্বতন্ত্র গায়কি, মঞ্চে উপস্থিতি এবং আবেগঘন পরিবেশনার জন্য জেমসের রয়েছে আলাদা পরিচয়। নব্বইয়ের দশকে তার গান বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের সংগীত রুচিতে বড় পরিবর্তন আনে। ‘তারায় তারায়’, ‘দুঃখিনী দুঃখ করো না’, ‘বিজলি’, ‘পাগলা হাওয়া’সহ অসংখ্য গান তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে যায়। চার দশকেরও বেশি সময়ের সংগীতযাত্রায় জেমস নিজেকে শুধু একজন গায়ক হিসাবে নয়, বাংলা রকসংগীতের এক অনন্য সাংস্কৃতিক প্রতীক হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আজ তার জন্মদিন। দিনটি উদযাপন ও সমসাময়িক বিভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে আজকের ‘হ্যালো...’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি।

Icon

সাহিদ আহমেদ

প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

* জন্মদিন নিয়ে আজকের পরিকল্পনা কী?

** না, জন্মদিন নিয়ে বিশেষ কোনো কিছু নেই। এমনিতে ভক্তরা দেশ-বিদেশ থেকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠায়, ওটা ভালো লাগে। মূলত জন্মদিনে পরিবারের সঙ্গে জন্মদিনটা কাটাই। বউ-বাচ্চাসহ পারিবারিক যেসব আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব আছে, তাদের সঙ্গেই সময়টা পার করি।

* দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও আপনি বেশ জনপ্রিয়। এই জনপ্রিয়তা কি বাড়তি কোনো চাপ অনুভব করায়?

** না, জনপ্রিয়তা নিয়ে কোনো চাপ নেই। আমি স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড যেরকম করি, দীর্ঘসময় ধরে যেভাবে গান নিয়ে ব্যস্ত থাকি, এখনো সেভাবেই করছি। দর্শকরা যে কয়দিন ভালোবাসবে, ততদিনই গান করে যাব।

* ইউটিউব, স্পটিফাইয়ের এ যুগে একজন শিল্পীর টিকে থাকা আপনার তরুণ সময়ের চেয়ে কতটা কঠিন বা সহজ বলে মনে হয়?

** এ টাইমটাতে আসলে শিল্পীদের কাজ করার স্বাধীনতা অনেক বেশি। ইউটিউব বা যে কোনো প্ল্যাটফর্মে কোনো শিল্পী নিজেই ইচ্ছা করলে গান তৈরি করে আপলোড করতে পারছে। এর ফলে ক্রিয়েটিভ কাজগুলো সহজেই শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। এতে দর্শক-শ্রোতাদের জন্য ভালো গান বেছে নেওয়ার অনেক স্বাধীনতা আছে। এতে দুই দিকেই স্বাধীনতা আছে। আমার কাছে মনে হয়, এটা একটা পজেটিভ দিক।

* দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বহু পরিবর্তন দেখেছেন, সেগুলোর সঙ্গে নিজেকে খাপ খাইয়েও নিয়েছেন। বর্তমানকে কীভাবে দেখছেন?

** জীবনের নিয়মেই আর্ট, কালচারে পরিবর্তন আসবে। এটা সময়ের চাহিদা। সংগীত, নাটক, সিনেমা, চিত্রকলা- আর্ট কালচারের যে কোনো শাখা, এটা কিন্তু একটা নদীর মতো। নদী যেমন কখনোই থেমে থাকে না, প্রবাহিত হয়, এটাও নদীর মতো প্রবাহিত হবে। এটাকে যদি কেউ বাধাগ্রস্ত করে, তাহলে সে নিজে থেকেই মরে যাবে। আর এটাকে যদি স্বাভাবিক গতিতে থাকতে দেয়, তাহলে পথ ধরে ধরে সেও এগিয়ে যাবে। এটার কোনো সীমানা নেই। এক দেশ থেকে আরেক দেশ, এক ধরনের শ্রোতা থেকে, আরেক ধরনের শ্রোতায় প্রবাহিত হবে। সুতরাং, এটাকে প্রবাহিত হতে দেওয়াটা সবচেয়ে বড় বিষয়।

* আপনার জীবনে এমন কোনো সিদ্ধান্ত আছে, যেটি ভুল ছিল জানার পরও আপনি সেটি নিয়ে আফসোস করেন না?

** হ্যাঁ, জীবনের অনেক সিদ্ধান্তই ভুল আছে। ভুল তো সবসময়ই হচ্ছে। মানুষের জীবনে ভুল সাধারণ ব্যাপার। ভুল হবেই।

* গান কী এখন আগের মতো মানুষকে জাগাতে পারে, নাকি শুধুই বিনোদনে সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে?

** গান তো অবশ্যই বিনোদনেরই একটা মাধ্যম। এটা এন্টারটেইনমেন্টের একটা সেগমেন্ট। মানুষকে আনন্দ দেবে। মানুষের দৈনন্দিন যে অনুভূতি যখন গানের সঙ্গে মিল পাবে। তখন এটাতে হাসবে, কাঁদবে। কিন্তু মূলত এটা বিনোদনই দেবে। এটা এন্টারটেইনমেন্টের একটা শাখা।

* এ সময়ের তরুণ শিল্পীদের জন্য আপনার একটি পরামর্শ কী থাকবে?

** নতুন তরুণ শিল্পীদের জন্য পরামর্শ হচ্ছে, কাজ করে যেতে হবে। কোনো কিছু পাওয়ার আশায় থাকলে চলবে না। কাজ করতে হবে নিজের ক্রিয়েটিভিটি থেকে। ওয়ার্ক প্রসেসটা চালিয়ে যেতে হবে। পরে এটা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, এটা তো পরের ব্যাপার। যদি পাওয়ার আশায় হয়, তাহলে আমার পরামর্শ হচ্ছে, তাহলে এটা এখনই বন্ধ করে দেওয়া উচিত। ক্রিয়েটিভ ওয়ার্ক হতে হবে মনের তাগিদ থেকে।

* নতুন কোনো গান, অ্যালবাম পরিকল্পনা আছে?

** হ্যাঁ, নতুন গান একটা সিঙ্গেল রেডি হয়ে আছে। এটা খুব শিগগিরই রিলিজ দেব।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

প্রথমবার মৌসুমী

প্রথমবার মৌসুমী

হ্যালো... জীবনের অনেক সিদ্ধান্তই ভুল আছে

জীবনের অনেক সিদ্ধান্তই ভুল আছে

মেলবোর্নের মঞ্চে নজরুল

মেলবোর্নের মঞ্চে নজরুল

ওভার দ্য টপ

ওভার দ্য টপ

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম